ঢাকা ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
কাতার সরকারের ব্যবস্থাপনায় জার্মানি থেকে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স আসছে ঢাকায় শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দিতে ভারত ইতিবাচক সাড়া দেয়নি বিসিএসের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে মুক্তিযুদ্ধকে ‘প্রতিরোধ যুদ্ধ’ এবং পাকিস্তানি বাহিনীকে ‘দখলদার বাহিনী’ নিয়ে তুৃমুল সমালোচনা নেটিজেনের এভারকেয়ার থেকে মায়ের বাসায় জোবাইদা রহমান ভাঙ্গায় বাস-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের ৩ জনসহ মোট ৪ যাত্রী নিহত বেগম খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি পিছিয়ে যাচ্ছে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সারা দেশে বিশেষ দোয়া জুবাইদা রহমান দেশে পৌঁছানোর পর শুরু হবে বিএনপি চেয়ারপারসনের বিদেশ যাত্রার প্রক্রিয়া জোবাইদা রহমান যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন, সরাসরি যাবেন হাসপাতালে এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার অনুমোদন , ফলে সেরাম ইনস্টিটিউটের টিকা দেশে আনতে কোনো বাধা থাকছে না : ওষুধ প্রশাসন

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন বাংলাদেশে জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। আজ সোমবার (৪ ডিসেম্বর) অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার এ টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই অনুমোদনের ফলে সেরাম ইনস্টিটিউটের টিকা দেশে আনতে কোনো বাধা থাকছে না।

বাংলাদেশে অক্সফোর্ডের এই টিকা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি টিকা পেতে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তি করেছে। তারা জানিয়েছে, সময় মতো ভ্যাকসিন পাবে বাংলাদেশ।

আজ সোমবার (৪ জানুয়ারি) বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের চিফ অপারেটিং অফিসার রাব্বুর রেজা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা আশা করছি আমাদের অ্যাগ্রিমেন্টে যেভাবে বলা আছে, অ্যাগ্রিমেন্ট অনুযায়ী ভ্যাকসিন পাবো।’ ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞার পর সেটা কীভাবে পাওয়া যাবে জানতে চাইলে রাব্বুর রেজা বলেন, ওদের (সেরাম ইনস্টিটিউট) কাছে ইতোমধ্যে ৭০টি দেশ থেকে ভ্যাকসিনের জন্য রিকোয়েস্ট রয়েছে। কিন্তু তারা দেশকে প্রায়োরিটি দিতে চাচ্ছে আগে। অনেক দেশের অনেক বেশি অর্ডার রয়েছে। কোভ্যাক্সেরও রয়েছে অর্ডার। কিন্তু সে তুলনায় আমাদের অর্ডার অনেক কম। তারা বানাবে দুই বিলিয়নের মতো। আমাদের দরকার ৩০ মিলিয়ন। সে হিসাবে এটা তাদের কাছে কিছুই না।

রাব্বুর রেজা জানান, সেরাম থেকে চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশে অনুমোদন পাওয়ার পর এক মাসের মধ্যে আমরা প্রথম লটের ভ্যাকসিন পাবো। ইতোমধ্যে তারা গত ৩১ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে এ সংক্রান্ত সব কাগজ জমা দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৫ নভেম্বর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে ভ্যাকসিন সরবরাহের বিষয়ে চুক্তি হয়। সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ পর্যায়ক্রমে তিন কোটি ভ্যাকসিন পাবে। এজন্য সরকারের ব্যয় হবে এক হাজার ৫৮৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ, ভ্যাকসিন কেনা থেকে শুরু করে মানুষের শরীরে দেওয়া পর্যন্ত এই টাকা প্রয়োজন হবে। ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় প্রায় ৭৩৫ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ছাড় করেছে।

Tag :
জনপ্রিয়

কাতার সরকারের ব্যবস্থাপনায় জার্মানি থেকে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স আসছে ঢাকায়

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার অনুমোদন , ফলে সেরাম ইনস্টিটিউটের টিকা দেশে আনতে কোনো বাধা থাকছে না : ওষুধ প্রশাসন

Update Time : ০৪:০৪:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন বাংলাদেশে জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। আজ সোমবার (৪ ডিসেম্বর) অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার এ টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই অনুমোদনের ফলে সেরাম ইনস্টিটিউটের টিকা দেশে আনতে কোনো বাধা থাকছে না।

বাংলাদেশে অক্সফোর্ডের এই টিকা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি টিকা পেতে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তি করেছে। তারা জানিয়েছে, সময় মতো ভ্যাকসিন পাবে বাংলাদেশ।

আজ সোমবার (৪ জানুয়ারি) বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের চিফ অপারেটিং অফিসার রাব্বুর রেজা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা আশা করছি আমাদের অ্যাগ্রিমেন্টে যেভাবে বলা আছে, অ্যাগ্রিমেন্ট অনুযায়ী ভ্যাকসিন পাবো।’ ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞার পর সেটা কীভাবে পাওয়া যাবে জানতে চাইলে রাব্বুর রেজা বলেন, ওদের (সেরাম ইনস্টিটিউট) কাছে ইতোমধ্যে ৭০টি দেশ থেকে ভ্যাকসিনের জন্য রিকোয়েস্ট রয়েছে। কিন্তু তারা দেশকে প্রায়োরিটি দিতে চাচ্ছে আগে। অনেক দেশের অনেক বেশি অর্ডার রয়েছে। কোভ্যাক্সেরও রয়েছে অর্ডার। কিন্তু সে তুলনায় আমাদের অর্ডার অনেক কম। তারা বানাবে দুই বিলিয়নের মতো। আমাদের দরকার ৩০ মিলিয়ন। সে হিসাবে এটা তাদের কাছে কিছুই না।

রাব্বুর রেজা জানান, সেরাম থেকে চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশে অনুমোদন পাওয়ার পর এক মাসের মধ্যে আমরা প্রথম লটের ভ্যাকসিন পাবো। ইতোমধ্যে তারা গত ৩১ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে এ সংক্রান্ত সব কাগজ জমা দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৫ নভেম্বর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে ভ্যাকসিন সরবরাহের বিষয়ে চুক্তি হয়। সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ পর্যায়ক্রমে তিন কোটি ভ্যাকসিন পাবে। এজন্য সরকারের ব্যয় হবে এক হাজার ৫৮৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ, ভ্যাকসিন কেনা থেকে শুরু করে মানুষের শরীরে দেওয়া পর্যন্ত এই টাকা প্রয়োজন হবে। ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় প্রায় ৭৩৫ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ছাড় করেছে।