ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
গণভোটের ব্যালট যে বাক্সে ফেলতে হবে ভোট কেনাবেচার প্রমাণ পেলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে রাত পোহালেই সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ভোটকেন্দ্রে আনার জন্য ভোটারদেরকে যানবাহন দেওয়া যাবে না: ইসি ‘জেন-জেড ব্যালট’ জরিপের ফলাফল প্রকাশ; শীর্ষে বিএনপি, দ্বিতীয় জামায়াতে ইসলামী প্রায় প্রত্যেকটি জরিপেই জয়ের পথে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি সবাইকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভোটের আগে সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার, ব্যাপক টহল শুরু মুরাদনগরে ২ লাখ টাকাসহ জামায়াত নেতা আটক সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন বলে দেখার সুযোগ নেই : বিএনপি

কাওমি মাদ্রাসা ছাড়া সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ল ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৯:৩৩:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২০
  • ৩৭৭ Time View

করোনা পরিস্থিতির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আবারও বেড়েছে। দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে কওমি মাদ্রাসা এই ছুটির আওতায় থাকবে না।

শুক্রবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি বিবেচনায় চলমান ছুটি আবার বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে কওমি মাদ্রাসা এ ছুটির আওতামুক্ত থাকবে।’

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, ‘এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সুযোগ নেই। নতুন করে ছুটি বাড়ানোর বিকল্প নেই।’

শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না থাকলে ছুটি বাড়াতেই হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সীমিত আকারে খুলে দেয়া হবে।’

এদিকে, করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি কয়েক ধাপে বাড়িয়ে আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছিল। গত ১২ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারির কথা বিবেচনায় নিয়ে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীর পড়াশোনা ঝুঁকিতে পড়েছে।

ইতিমধ্যে এ বছরের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনার সংক্রমণ শনাক্তের কথা জানায় সরকার। এরপরই ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ চলছে। দেশে করোনায় প্রথম মৃত্যুর খবর জানা যায় ১৮ মার্চ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৯৬ হাজার ৯৭৫ জনের দেহে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৭ হাজার ১৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৩১ হাজার ৫৯০ জন।

আজ শুক্রবার সেটি আরেক দফা বাড়িয়ে ২০২১ সালের ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয়

গণভোটের ব্যালট যে বাক্সে ফেলতে হবে

কাওমি মাদ্রাসা ছাড়া সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ল ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত

Update Time : ০৯:৩৩:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২০

করোনা পরিস্থিতির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আবারও বেড়েছে। দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে কওমি মাদ্রাসা এই ছুটির আওতায় থাকবে না।

শুক্রবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি বিবেচনায় চলমান ছুটি আবার বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে কওমি মাদ্রাসা এ ছুটির আওতামুক্ত থাকবে।’

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, ‘এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সুযোগ নেই। নতুন করে ছুটি বাড়ানোর বিকল্প নেই।’

শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না থাকলে ছুটি বাড়াতেই হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সীমিত আকারে খুলে দেয়া হবে।’

এদিকে, করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি কয়েক ধাপে বাড়িয়ে আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছিল। গত ১২ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারির কথা বিবেচনায় নিয়ে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীর পড়াশোনা ঝুঁকিতে পড়েছে।

ইতিমধ্যে এ বছরের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনার সংক্রমণ শনাক্তের কথা জানায় সরকার। এরপরই ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ চলছে। দেশে করোনায় প্রথম মৃত্যুর খবর জানা যায় ১৮ মার্চ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৯৬ হাজার ৯৭৫ জনের দেহে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৭ হাজার ১৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৩১ হাজার ৫৯০ জন।

আজ শুক্রবার সেটি আরেক দফা বাড়িয়ে ২০২১ সালের ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে।