ঢাকা ১১:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছুটির দিনে পাম্পে দীর্ঘ লাইন, অলিগলিতেও যানজট

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৯:৪২:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪৫ Time View

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাজধানীতে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহন চালকরা। কোথাও কোথাও ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই জ্বালানি তেলের সংকটকে অনিবার্য বাস্তবতা হিসেবে দেখছেন অনেকেই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হলেও রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভিড় কমছে না, বরং দিন দিন লাইনের দৈর্ঘ্য আরও বাড়ছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর পরীবাগ, আগারগাঁও, তেজগাঁও ও আসাদগেট এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন পেট্রল পাম্পের সামনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। অনেক জায়গায় সেই সারি আশপাশের অলিগলিতেও ছড়িয়ে পড়ে যানজটের সৃষ্টি করেছে।

সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় অনেক চালক আগেভাগেই এসে লাইনে দাঁড়ান। কেউ কেউ আবার বৃহস্পতিবার রাত থেকেই অপেক্ষা করছেন। তবে দীর্ঘ সময় লাইনে থেকেও অনেকেই প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন। এতে ভোগান্তি আরও বেড়েছে।

সরকার মজুত, সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকার আশ্বাস দিলেও মাঠপর্যায়ে তার বাস্তব চিত্র ভিন্ন বলে অভিযোগ করছেন সাধারণ মানুষ। পাম্পগুলোতে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে চালক ও ভোক্তাদের।

চালকদের অভিযোগ, রাজধানীর অনেক ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এতে শুধু ভোগান্তিই নয়, রাস্তায় যানজটও তৈরি হচ্ছে।

এদিকে রাজধানীর কয়েকটি পাম্পে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ চালু থাকলেও তা কার্যকর নয় বলে অভিযোগ রয়েছে। অনেকেই লগইন সমস্যা ও পাসওয়ার্ড জটিলতার কারণে সেবা নিতে পারছেন না।

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি তেলের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যায়। মার্চের শুরুতে পেট্রল ও অকটেনের বিক্রি প্রায় দ্বিগুণ হয়ে পড়ে। এরপর সরকার মজুত ধরে রাখতে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করে, যদিও পরে তা তুলে নেওয়া হয়।

বর্তমানে বাজারে সরবরাহ গত বছরের বিক্রির হিসাব অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

Tag :
জনপ্রিয়

ছুটির দিনে পাম্পে দীর্ঘ লাইন, অলিগলিতেও যানজট

Update Time : ০৯:৪২:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাজধানীতে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহন চালকরা। কোথাও কোথাও ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই জ্বালানি তেলের সংকটকে অনিবার্য বাস্তবতা হিসেবে দেখছেন অনেকেই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হলেও রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভিড় কমছে না, বরং দিন দিন লাইনের দৈর্ঘ্য আরও বাড়ছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর পরীবাগ, আগারগাঁও, তেজগাঁও ও আসাদগেট এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন পেট্রল পাম্পের সামনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। অনেক জায়গায় সেই সারি আশপাশের অলিগলিতেও ছড়িয়ে পড়ে যানজটের সৃষ্টি করেছে।

সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় অনেক চালক আগেভাগেই এসে লাইনে দাঁড়ান। কেউ কেউ আবার বৃহস্পতিবার রাত থেকেই অপেক্ষা করছেন। তবে দীর্ঘ সময় লাইনে থেকেও অনেকেই প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন। এতে ভোগান্তি আরও বেড়েছে।

সরকার মজুত, সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকার আশ্বাস দিলেও মাঠপর্যায়ে তার বাস্তব চিত্র ভিন্ন বলে অভিযোগ করছেন সাধারণ মানুষ। পাম্পগুলোতে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে চালক ও ভোক্তাদের।

চালকদের অভিযোগ, রাজধানীর অনেক ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এতে শুধু ভোগান্তিই নয়, রাস্তায় যানজটও তৈরি হচ্ছে।

এদিকে রাজধানীর কয়েকটি পাম্পে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ চালু থাকলেও তা কার্যকর নয় বলে অভিযোগ রয়েছে। অনেকেই লগইন সমস্যা ও পাসওয়ার্ড জটিলতার কারণে সেবা নিতে পারছেন না।

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি তেলের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যায়। মার্চের শুরুতে পেট্রল ও অকটেনের বিক্রি প্রায় দ্বিগুণ হয়ে পড়ে। এরপর সরকার মজুত ধরে রাখতে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করে, যদিও পরে তা তুলে নেওয়া হয়।

বর্তমানে বাজারে সরবরাহ গত বছরের বিক্রির হিসাব অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।