ঢাকা ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
উপদেষ্টা পরিষদে থাকা দুই ছাত্র প্রতিনিধি পদত্যাগ করেছেন ফরিদপুরের সাংবাদিকদের সাথে নবাগত পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা ফরিদপুরে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর বাইতুল আমান কলেজ গেটে থামল ট্রেন স্কুল ভর্তির লটারি বৃহস্পতিবার, ফল জানবেন যেভাবে আজ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ সিইসি ও চার কমিশনারের সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে থাকা দুই ছাত্র প্রতিনিধি পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন আজ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫ উপদেষ্টা পদে থেকে কেউ নির্বাচনে এমনকি ভোটের প্রচারেও অংশ নিতে পারবেন না: ইসি জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

ট্রাম্পের ভোট জালিয়াতির অভিযোগ খারিজ করেছেন নির্বাচন কর্মকর্তারা

মার্কিন নির্বাচন কর্মকর্তাদের কমিটির কাছে নির্বাচন নিয়ে ট্রাম্প শিবিরের তোলা বিতর্কের মধ্যেই বলেছে—‘এই নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম সুরক্ষিত নির্বাচন। কোনো ভোটিং ব্যবস্থায় ভোট হারিয়েছে, বদল হয়েছে বা অন্য কোনোভাবে পরিবর্তন হয়েছে—এমন কোনো প্রমাণ মেলেনি।’

গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন নির্বাচন নির্বাচন কর্মকর্তারা এই ঘোষণা দেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কোনো প্রমাণ ছাড়াই তাঁর ২৭ লাখ ভোট চুরি করা হয়েছে বলে দাবি জানানোর প্রেক্ষাপটে এই ঘোষণা এল।

বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত শনিবার সকালে মার্কিন নির্বাচনের প্রাথমিক ফল ঘোষণা করে সংবাদমাধ্যমগুলো। কিন্তু এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে শুভেচ্ছা জানানো দূরে থাক, নির্বাচনের প্রাথমিক ফল মেনে নিয়ে কোনো বিবৃতিও দেননি ট্রাম্প। ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনের চূড়ান্ত ও সরকারি ফল এখনো ঘোষিত হয়নি। তবে গত ৭০ বছরে দ্বিতীয় ডেমোক্র্যাট হিসেবে অ্যারিজোনায় জয় নিশ্চিত করে বাইডেন তাঁর অবস্থান আরও দৃঢ় করেছেন। এখন তাঁর ঘরে রয়েছে ২৯০টি ইলেকটোরাল ভোট। আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের রয়েছে ২১৭টি ইলেকটোরাল ভোট।

ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি, ইউএস ইলেকশন অ্যাসিস্ট্যান্স কমিশন এবং অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী কর্মকর্তা ও ভোটিং মেশিন শিল্পের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এই কাউন্সিল গঠিত।

বিবৃতিতে ইলেকশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার কো-অর্ডিনেটিং কাউন্সিল বলে, ‘৩ নভেম্বরের নির্বাচন ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম সুরক্ষিত নির্বাচন। এই মুহূর্তে সারা দেশে নির্বাচন কর্মকর্তারা ফল চূড়ান্তের আগে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে দেখছেন। আমাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রমাণহীন বেশ কিছু দাবি ও ভুয়া তথ্য চাউর হলেও আমরা সবাইকে এই নিশ্চয়তা দিতে পারি যে, আমাদের নির্বাচনের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা এবং এতে আমাদের আস্থা অত্যন্ত উঁচু মানের। একই ধরনের আস্থা ও বিশ্বাস আপনারও থাকা উচিত। যখন আপনার কোনো প্রশ্ন থাকবে, তখন নির্বাচন পরিচালনাকারী বিশ্বস্ত লোক হিসেবে আপনার উচিত নির্বাচন কর্মকর্তাদের শরণ নেওয়া।’

এই বিবৃতির মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২৮ অঙ্গরাজ্যে ভোটিং সফটওয়্যারের মাধ্যমে তাঁর লাখো ভোট উধাও করে দেওয়া হয়েছে বলে টুইট করেন। কিন্তু এমন দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ তিনি হাজির করেননি। টুইটারও তাঁর এই টুইটে সতর্কবার্তা জুড়ে দেয়।

ছবি :সংগৃহীত

Tag :
জনপ্রিয়

উপদেষ্টা পরিষদে থাকা দুই ছাত্র প্রতিনিধি পদত্যাগ করেছেন

ট্রাম্পের ভোট জালিয়াতির অভিযোগ খারিজ করেছেন নির্বাচন কর্মকর্তারা

Update Time : ০৪:৫৩:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ নভেম্বর ২০২০

মার্কিন নির্বাচন কর্মকর্তাদের কমিটির কাছে নির্বাচন নিয়ে ট্রাম্প শিবিরের তোলা বিতর্কের মধ্যেই বলেছে—‘এই নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম সুরক্ষিত নির্বাচন। কোনো ভোটিং ব্যবস্থায় ভোট হারিয়েছে, বদল হয়েছে বা অন্য কোনোভাবে পরিবর্তন হয়েছে—এমন কোনো প্রমাণ মেলেনি।’

গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন নির্বাচন নির্বাচন কর্মকর্তারা এই ঘোষণা দেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কোনো প্রমাণ ছাড়াই তাঁর ২৭ লাখ ভোট চুরি করা হয়েছে বলে দাবি জানানোর প্রেক্ষাপটে এই ঘোষণা এল।

বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত শনিবার সকালে মার্কিন নির্বাচনের প্রাথমিক ফল ঘোষণা করে সংবাদমাধ্যমগুলো। কিন্তু এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে শুভেচ্ছা জানানো দূরে থাক, নির্বাচনের প্রাথমিক ফল মেনে নিয়ে কোনো বিবৃতিও দেননি ট্রাম্প। ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনের চূড়ান্ত ও সরকারি ফল এখনো ঘোষিত হয়নি। তবে গত ৭০ বছরে দ্বিতীয় ডেমোক্র্যাট হিসেবে অ্যারিজোনায় জয় নিশ্চিত করে বাইডেন তাঁর অবস্থান আরও দৃঢ় করেছেন। এখন তাঁর ঘরে রয়েছে ২৯০টি ইলেকটোরাল ভোট। আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের রয়েছে ২১৭টি ইলেকটোরাল ভোট।

ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি, ইউএস ইলেকশন অ্যাসিস্ট্যান্স কমিশন এবং অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী কর্মকর্তা ও ভোটিং মেশিন শিল্পের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এই কাউন্সিল গঠিত।

বিবৃতিতে ইলেকশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার কো-অর্ডিনেটিং কাউন্সিল বলে, ‘৩ নভেম্বরের নির্বাচন ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম সুরক্ষিত নির্বাচন। এই মুহূর্তে সারা দেশে নির্বাচন কর্মকর্তারা ফল চূড়ান্তের আগে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে দেখছেন। আমাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রমাণহীন বেশ কিছু দাবি ও ভুয়া তথ্য চাউর হলেও আমরা সবাইকে এই নিশ্চয়তা দিতে পারি যে, আমাদের নির্বাচনের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা এবং এতে আমাদের আস্থা অত্যন্ত উঁচু মানের। একই ধরনের আস্থা ও বিশ্বাস আপনারও থাকা উচিত। যখন আপনার কোনো প্রশ্ন থাকবে, তখন নির্বাচন পরিচালনাকারী বিশ্বস্ত লোক হিসেবে আপনার উচিত নির্বাচন কর্মকর্তাদের শরণ নেওয়া।’

এই বিবৃতির মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২৮ অঙ্গরাজ্যে ভোটিং সফটওয়্যারের মাধ্যমে তাঁর লাখো ভোট উধাও করে দেওয়া হয়েছে বলে টুইট করেন। কিন্তু এমন দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ তিনি হাজির করেননি। টুইটারও তাঁর এই টুইটে সতর্কবার্তা জুড়ে দেয়।

ছবি :সংগৃহীত