ওই ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষার জন্য গাজী ল্যাবে পাঠানো হয়। গতকাল মঙ্গলবার পরীক্ষায় ধরা পড়ে তিনি করোনা পজিটিভ। এরপর থেকে ওই ব্যক্তি আলাদা রুমে অবস্থান করছেন এবং তাঁর সঙ্গে বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান, ভাবি, ভাতিজা-ভাতিজা এক বাড়িতে আছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই ব্যক্তি চার বছর ধরে ভারতের চেন্নাইয়ে কাজ করেন। সেখানে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির অবনতি হলে ভয়ে ৮ মে আখাউড়া সীমান্তে আসেন। পরে আখাউড়া সীমান্ত পার হয়ে ওই ব্যক্তি ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ভেঙে ভেঙে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের বরপা তারাবো এলাকায় বাড়িতে পৌঁছান। ৯ মে থেকে তিনি বাড়িতে অবস্থান করছেন। পরদিন ১০ মে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে জানালে তারা পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে নমুনা পরীক্ষা এবং ওই বাড়ির সবাইকে কোয়ারেন্টিনে রাখেন। তাঁর কোনো উপসর্গ নেই।
অনলাইন ডেস্ক 
























