ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ৭ অক্টোবর ২০২৬ ফুটবল শুধু একটি খেলা না, জীবনের গল্প, সেই গল্পের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায়গুলোর একটির নাম লিওনেল মেসি লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচটা স্মরণীয় করে রাখল আর্জেন্টিনা; জিতলো ৩-০ গোলে ফরিদপুরে ব্যবসায়ী ইউসুফ হত্যা: আড়াই মাসেও রহস্য উদ্ঘাটন কিংবা গ্রেফতার নেই, ২০২৭ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল ফরিদপুরে মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষের কক্ষে যৌন উত্তেজক ঔষধ ও সরঞ্জাম, অপসারনের দাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।। মানববন্ধন ওবিক্ষোভ ইরান যতদিন ইচ্ছা ততদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে: আইআরজিসি উপদেষ্টা ওয়াশিংটন ইরান নিয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেবে এবং এর ফলাফল আসবে ‘সহজ অথবা কঠিন’: ট্রাম্প মদিনার বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় হামলার নিন্দা বাংলাদেশের

পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে এনটিআরসিএ, নিয়োগ হবে লক্ষাধিক শিক্ষক

সারা দেশে বেসরকারি স্কুল কলেজ মাদ্রাসায় শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ দিতে পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।  আগামী ৩১ মার্চ পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
তবে চূড়ান্ত দিনক্ষণ বলতে রাজি হননি এনটিআরসিএর সচিব মো. ওবায়দুর রহমান। সোমবার (২৫ মার্চ) তিনি বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে মার্চেই পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
আর এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহিল আজম জানান, তারা চলতি মাসেই পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে চান। সেভাবেই কাজ করছে সংশ্লিষ্টরা।
গত ২৯ ফেব্রুয়ারি বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়। ১৮ মার্চ এ তথ্য সংগ্রহ শেষ হয়। পরে শূন্যপদের তথ্য সংশোধনের সময় বেধে দেয় এনটিআরসিএ। আজ শেষ হলো এ সময়।
এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৯৬ হাজার ৮০৬টি শূন্যপদের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে স্কুল পর্যায়ে ৪২ হাজার ৮৬৬টি পদ শূন্য রয়েছে। এ ছাড়া কলেজ পর্যায়ে ৪ হাজার ৩৭১, কারিগরিতে ১ হাজার ৯৫৭টি এবং মাদ্রাসায় ৪৭ হাজার ৬১২টি পদ শূন্য রয়েছে। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল এনটিআরসিএ। এতে শূন্যপদ ছিল ৬৮ হাজার ৩৯০টি। এগুলো ছিল এমপিওভুক্ত। গত বছরের ১২ মার্চ ওই গণবিজ্ঞপ্তির ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ৩২ হাজার ৪৩৮ প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। পরে পুলিশ ভেরিফিকেশন, বয়স বিবেচনা ও সনদ যাচাই শেষে ২০ সেপ্টেম্বর ২৭ হাজার ৭৪ প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়। তাদের মধ্যে স্কুল ও কলেজে ১৩ হাজার ৭০৫ জন, মাদ্রাসায় ১১ হাজার ২৭৯, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫১৬, সংযুক্ত স্কুলে ১ হাজার ৫৮৩, সংযুক্ত মাদ্রাসায় ৬২১ জন সুপারিশ পেয়েছিলেন।
Tag :
জনপ্রিয়

আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা

পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে এনটিআরসিএ, নিয়োগ হবে লক্ষাধিক শিক্ষক

Update Time : ০৫:১৭:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪
সারা দেশে বেসরকারি স্কুল কলেজ মাদ্রাসায় শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ দিতে পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।  আগামী ৩১ মার্চ পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
তবে চূড়ান্ত দিনক্ষণ বলতে রাজি হননি এনটিআরসিএর সচিব মো. ওবায়দুর রহমান। সোমবার (২৫ মার্চ) তিনি বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে মার্চেই পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
আর এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহিল আজম জানান, তারা চলতি মাসেই পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে চান। সেভাবেই কাজ করছে সংশ্লিষ্টরা।
গত ২৯ ফেব্রুয়ারি বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়। ১৮ মার্চ এ তথ্য সংগ্রহ শেষ হয়। পরে শূন্যপদের তথ্য সংশোধনের সময় বেধে দেয় এনটিআরসিএ। আজ শেষ হলো এ সময়।
এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৯৬ হাজার ৮০৬টি শূন্যপদের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে স্কুল পর্যায়ে ৪২ হাজার ৮৬৬টি পদ শূন্য রয়েছে। এ ছাড়া কলেজ পর্যায়ে ৪ হাজার ৩৭১, কারিগরিতে ১ হাজার ৯৫৭টি এবং মাদ্রাসায় ৪৭ হাজার ৬১২টি পদ শূন্য রয়েছে। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল এনটিআরসিএ। এতে শূন্যপদ ছিল ৬৮ হাজার ৩৯০টি। এগুলো ছিল এমপিওভুক্ত। গত বছরের ১২ মার্চ ওই গণবিজ্ঞপ্তির ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ৩২ হাজার ৪৩৮ প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। পরে পুলিশ ভেরিফিকেশন, বয়স বিবেচনা ও সনদ যাচাই শেষে ২০ সেপ্টেম্বর ২৭ হাজার ৭৪ প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়। তাদের মধ্যে স্কুল ও কলেজে ১৩ হাজার ৭০৫ জন, মাদ্রাসায় ১১ হাজার ২৭৯, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫১৬, সংযুক্ত স্কুলে ১ হাজার ৫৮৩, সংযুক্ত মাদ্রাসায় ৬২১ জন সুপারিশ পেয়েছিলেন।