ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ফরিদপুরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অর্থ মন্ত্রণালয় রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের জুট মিল পরিদর্শন তেহরান কোনো অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি মানবে না: ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরো ৩ জনের মৃত্যু বাজারে বেশিরভাগ সবজির দাম এখন ১০০ টাকার বেশি ছুটির দিনে পাম্পে দীর্ঘ লাইন, অলিগলিতেও যানজট এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ নতুন ২ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত সরকারের, একটিতে থাকছে ছুটি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে সুখবর দিয়েছে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ১০ হাজারের বেশি সেনাসদস্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

ফেসবুকে শুধু কনটেন্ট পোস্ট করেই মাসে আয় করা যাবে হাজার ডলার

ফেসবুকে শুধু কনটেন্ট পোস্ট করেই মাসে আয় করা যাবে হাজার ডলার এমন সুযোগ এখন আর কল্পনা নয়, বাস্তব। কনটেন্ট নির্মাতাদের আকৃষ্ট করতে নতুন উদ্যোগে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলেই পাওয়া যেতে পারে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত আয়। তবে এই সুযোগ সবার জন্য নয় এবং সময়সীমাও সীমিত। তাই যারা ফেসবুককে আয়মুখী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখতে চান, তাদের জন্য এটি হতে পারে বড় এক সম্ভাবনার দরজা।

ভিডিও কনটেন্টের বৈশ্বিক বাজারে এখন মূলত ইউটিউব শর্টস, ইনস্টাগ্রাম রিলস ও টিকটকের দাপট চলছে। এই প্রতিযোগিতার মধ্যেই কনটেন্ট নির্মাতাদের আবার ফেসবুকে সক্রিয় করতে বড় ধরনের বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে মেটা। নতুন এই উদ্যোগে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে পারলে একজন নির্মাতা প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত নিশ্চিত আয় করতে পারবেন।

ফেসবুকের তথ্যমতে, এই আয়ের পরিমাণ নির্ভর করবে নির্মাতার ফলোয়ার সংখ্যার ওপর এবং এটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কার্যকর থাকবে। যাদের ফলোয়ার সংখ্যা ১ লাখের বেশি, তারা মাসে প্রায় ১ হাজার ডলার পাবেন। আর যাদের অনুসারী ১০ লাখ বা তার বেশি, তাদের জন্য মাসিক আয় হতে পারে প্রায় ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত

তবে এই নিশ্চয়তাপূর্ণ আয় কেবল প্রথম তিন মাসের জন্য প্রযোজ্য। এই সময়টুকুতে নির্মাতারা ফেসবুকে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার সুযোগ পাবেন। এরপর নির্দিষ্ট অর্থপ্রদান বন্ধ হয়ে গেলেও প্ল্যাটফর্মের প্রচলিত মনিটাইজেশন সুবিধা যেমন-বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ড সহযোগিতা, সাবস্ক্রিপশন ও স্টারস থেকে আয় চালিয়ে যাওয়া যাবে।

এই সুবিধা পেতে হলে নির্মাতাদের সক্রিয় ও নিয়মিত থাকতে হবে। প্রতি ৩০ দিনে অন্তত ১৫টি রিলস বা স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিও পোস্ট করতে হবে এবং মাসের কমপক্ষে ১০টি আলাদা দিনে কনটেন্ট আপলোড করা বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি কনটেন্ট অবশ্যই মৌলিক হতে হবে। তবে একই ভিডিও অন্য প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত থাকলেও তা বাধা হিসেবে গণ্য হবে না।

ফেসবুকে পোস্টেই আয় ৩ হাজার ডলার, সুযোগ সীমিত

মেটার ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিওর জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। তাই এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে ফেসবুক রিলস নির্মাতাদের বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে। এই প্রকল্পের পাশাপাশি নতুন অ্যানালিটিক্স টুল চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে নির্মাতারা নিজেদের আয়ের উৎস ও পরিমাণ সহজেই পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

গত কয়েক বছরে অনেক জনপ্রিয় তারকারা ফেসবুক ছেড়ে ইউটিউব বা টিকটকের দিকে ঝুঁকেছেন। দর্শকসংখ্যা ও আয়ের স্থিতিশীলতায় পিছিয়ে পড়ায় নির্মাতাদের ফেরাতে এখন আর্থিক প্রণোদনা ও অ্যালগরিদম সহায়তার কৌশল নিয়েছে মেটা। ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে নির্মাতাদের প্রায় ৩০০ কোটি ডলার পরিশোধ করেছে প্রতিষ্ঠানটি, যার বড় অংশই এসেছে রিলস থেকে। ফলে বোঝাই যাচ্ছে, ফেসবুক এখন ভিডিও কনটেন্টকেই ভবিষ্যতের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে দেখছে।তথ্যসূত্র: টেকলুসিভ

Tag :
জনপ্রিয়

ফরিদপুরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অর্থ মন্ত্রণালয় রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের জুট মিল পরিদর্শন

ফেসবুকে শুধু কনটেন্ট পোস্ট করেই মাসে আয় করা যাবে হাজার ডলার

Update Time : ০৫:০০:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

ফেসবুকে শুধু কনটেন্ট পোস্ট করেই মাসে আয় করা যাবে হাজার ডলার এমন সুযোগ এখন আর কল্পনা নয়, বাস্তব। কনটেন্ট নির্মাতাদের আকৃষ্ট করতে নতুন উদ্যোগে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলেই পাওয়া যেতে পারে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত আয়। তবে এই সুযোগ সবার জন্য নয় এবং সময়সীমাও সীমিত। তাই যারা ফেসবুককে আয়মুখী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখতে চান, তাদের জন্য এটি হতে পারে বড় এক সম্ভাবনার দরজা।

ভিডিও কনটেন্টের বৈশ্বিক বাজারে এখন মূলত ইউটিউব শর্টস, ইনস্টাগ্রাম রিলস ও টিকটকের দাপট চলছে। এই প্রতিযোগিতার মধ্যেই কনটেন্ট নির্মাতাদের আবার ফেসবুকে সক্রিয় করতে বড় ধরনের বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে মেটা। নতুন এই উদ্যোগে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে পারলে একজন নির্মাতা প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত নিশ্চিত আয় করতে পারবেন।

ফেসবুকের তথ্যমতে, এই আয়ের পরিমাণ নির্ভর করবে নির্মাতার ফলোয়ার সংখ্যার ওপর এবং এটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কার্যকর থাকবে। যাদের ফলোয়ার সংখ্যা ১ লাখের বেশি, তারা মাসে প্রায় ১ হাজার ডলার পাবেন। আর যাদের অনুসারী ১০ লাখ বা তার বেশি, তাদের জন্য মাসিক আয় হতে পারে প্রায় ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত

তবে এই নিশ্চয়তাপূর্ণ আয় কেবল প্রথম তিন মাসের জন্য প্রযোজ্য। এই সময়টুকুতে নির্মাতারা ফেসবুকে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার সুযোগ পাবেন। এরপর নির্দিষ্ট অর্থপ্রদান বন্ধ হয়ে গেলেও প্ল্যাটফর্মের প্রচলিত মনিটাইজেশন সুবিধা যেমন-বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ড সহযোগিতা, সাবস্ক্রিপশন ও স্টারস থেকে আয় চালিয়ে যাওয়া যাবে।

এই সুবিধা পেতে হলে নির্মাতাদের সক্রিয় ও নিয়মিত থাকতে হবে। প্রতি ৩০ দিনে অন্তত ১৫টি রিলস বা স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিও পোস্ট করতে হবে এবং মাসের কমপক্ষে ১০টি আলাদা দিনে কনটেন্ট আপলোড করা বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি কনটেন্ট অবশ্যই মৌলিক হতে হবে। তবে একই ভিডিও অন্য প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত থাকলেও তা বাধা হিসেবে গণ্য হবে না।

ফেসবুকে পোস্টেই আয় ৩ হাজার ডলার, সুযোগ সীমিত

মেটার ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিওর জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। তাই এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে ফেসবুক রিলস নির্মাতাদের বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে। এই প্রকল্পের পাশাপাশি নতুন অ্যানালিটিক্স টুল চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে নির্মাতারা নিজেদের আয়ের উৎস ও পরিমাণ সহজেই পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

গত কয়েক বছরে অনেক জনপ্রিয় তারকারা ফেসবুক ছেড়ে ইউটিউব বা টিকটকের দিকে ঝুঁকেছেন। দর্শকসংখ্যা ও আয়ের স্থিতিশীলতায় পিছিয়ে পড়ায় নির্মাতাদের ফেরাতে এখন আর্থিক প্রণোদনা ও অ্যালগরিদম সহায়তার কৌশল নিয়েছে মেটা। ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে নির্মাতাদের প্রায় ৩০০ কোটি ডলার পরিশোধ করেছে প্রতিষ্ঠানটি, যার বড় অংশই এসেছে রিলস থেকে। ফলে বোঝাই যাচ্ছে, ফেসবুক এখন ভিডিও কনটেন্টকেই ভবিষ্যতের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে দেখছে।তথ্যসূত্র: টেকলুসিভ