ঢাকা ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ৭ অক্টোবর ২০২৬ ফুটবল শুধু একটি খেলা না, জীবনের গল্প, সেই গল্পের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায়গুলোর একটির নাম লিওনেল মেসি লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচটা স্মরণীয় করে রাখল আর্জেন্টিনা; জিতলো ৩-০ গোলে ফরিদপুরে ব্যবসায়ী ইউসুফ হত্যা: আড়াই মাসেও রহস্য উদ্ঘাটন কিংবা গ্রেফতার নেই, ২০২৭ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল ফরিদপুরে মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষের কক্ষে যৌন উত্তেজক ঔষধ ও সরঞ্জাম, অপসারনের দাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।। মানববন্ধন ওবিক্ষোভ ইরান যতদিন ইচ্ছা ততদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে: আইআরজিসি উপদেষ্টা ওয়াশিংটন ইরান নিয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেবে এবং এর ফলাফল আসবে ‘সহজ অথবা কঠিন’: ট্রাম্প মদিনার বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় হামলার নিন্দা বাংলাদেশের

বাড়ছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা, এক মাসে ১৬৮ জন নিহত

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৫:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • ৫৬৫ Time View
বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে সারা দেশে ১৫৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৬৮ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ৩৪ শতাংশ। সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কাজ করা রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সংস্থাটির পক্ষ থেকে শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে দেখা গেছে, ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে ৮৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন ১০৩ জন। গত বছরের তুলনায় এ বছরের প্রথম মাসে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ৭৮ শতাংশ বেড়েছে এবং প্রাণহানি বেড়েছে ৬৩ শতাংশ।
দেশের সাতটি জাতীয় দৈনিক, পাঁচটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে বলে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে।
সংস্থাটির হিসাব মতে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে সারা দেশে ৪২৭টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৪৮৪ জন এবং আহত হয়েছেন ৬৭৩ জন। নিহতের মধ্যে ৪৭ শিশু ও ৯২ জন নারী রয়েছেন। এছাড়া চারটি নৌ দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত, ৪ জন আহত ও নিখোঁজ হয়েছেন ৬ জন। আর রেলপথে ১১টি দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত এবং আহত হয়েছেন ৬ জন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে ১১২টি দুর্ঘটনায় মোট প্রাণ হারিয়েছেন ১২৮ জন। আর সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে সিলেট বিভাগে। এ বিভাগে ৩২টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২৭ জন।
সড়কে কিশোর-যুবকেরা চরম বেপরোয়া হয়ে মোটরসাইকেল চালানোয় দুর্ঘটনার কারণ উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এজন্য তারাই বেশি দুর্ঘটনায় শিকার হচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের চালক নিহতের হার বেড়েছে উল্লেখ করে সংস্থাটি বলেছে, জানুয়ারিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৭.২৩ শতাংশ। মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে ট্রাফিক আইনের প্রয়োগ ও নিয়মিত মনিটরিং নিশ্চিত না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে বলেও আশঙ্কা করেছে তারা।
Tag :
জনপ্রিয়

আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা

বাড়ছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা, এক মাসে ১৬৮ জন নিহত

Update Time : ০৫:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১
বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে সারা দেশে ১৫৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৬৮ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ৩৪ শতাংশ। সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কাজ করা রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সংস্থাটির পক্ষ থেকে শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে দেখা গেছে, ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে ৮৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন ১০৩ জন। গত বছরের তুলনায় এ বছরের প্রথম মাসে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ৭৮ শতাংশ বেড়েছে এবং প্রাণহানি বেড়েছে ৬৩ শতাংশ।
দেশের সাতটি জাতীয় দৈনিক, পাঁচটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে বলে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে।
সংস্থাটির হিসাব মতে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে সারা দেশে ৪২৭টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৪৮৪ জন এবং আহত হয়েছেন ৬৭৩ জন। নিহতের মধ্যে ৪৭ শিশু ও ৯২ জন নারী রয়েছেন। এছাড়া চারটি নৌ দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত, ৪ জন আহত ও নিখোঁজ হয়েছেন ৬ জন। আর রেলপথে ১১টি দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত এবং আহত হয়েছেন ৬ জন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে ১১২টি দুর্ঘটনায় মোট প্রাণ হারিয়েছেন ১২৮ জন। আর সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে সিলেট বিভাগে। এ বিভাগে ৩২টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২৭ জন।
সড়কে কিশোর-যুবকেরা চরম বেপরোয়া হয়ে মোটরসাইকেল চালানোয় দুর্ঘটনার কারণ উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এজন্য তারাই বেশি দুর্ঘটনায় শিকার হচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের চালক নিহতের হার বেড়েছে উল্লেখ করে সংস্থাটি বলেছে, জানুয়ারিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৭.২৩ শতাংশ। মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে ট্রাফিক আইনের প্রয়োগ ও নিয়মিত মনিটরিং নিশ্চিত না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে বলেও আশঙ্কা করেছে তারা।