বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন
১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ বসন্তকাল, ১৮ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি
ব্রেকিং নিউজ
২০৩৫ সাল নাগাদ দেশে ২ কোটি ২০ লাখ হতে পারে ডায়াবেটিস রোগী রিজার্ভ বাড়াতে আসছে অফশোর ব্যাংকিং, হচ্ছে আইন রোজায় সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের মূল্য স্বাভাবিক রাখতে সকল প্রকার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে পিএসসির প্রতিটি কাজে স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা ও প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির পবিত্র রমজানে অফিস সকাল ৯ টা থেকে সাড়ে ৩ টা রমজান মাসে সরকারিভাবে বড় ধরনের কোনও ইফতার পার্টি না করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী দালাল ধরতে বিভিন্ন হাসপাতালে র‍্যাবের অভিযান, আটক ৩৬ দ্বাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত সদস্যরা শপথ নিয়েছেন দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্বের পরীক্ষায় বার বার উত্তীর্ণ হয়েছে পুলিশ পুলিশ বাহিনী আজ একটি আধুনিক, যুগোপযোগী, দক্ষ, গতিশীল ও জনবান্ধব বাহিনী

ভারতের মিজোরাম রাজ্যে ‘সন্ত্রাসী ঘাঁটি’ নিয়ে ঢাকার উদ্বেগ, রাতে যৌথ টহল

অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১৬৩ Time View

প্রতিবেশী বন্ধুপ্রতীম দেশ ভারতের মিজোরামে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের ‘আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ঘাঁটি’র অস্তিত্ব রয়েছে। এমন তথ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তে যৌথ টহলের কথাও হয়েছে।

বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম ভারতের গৌহাটিতে দুই দেশের সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫১তম সীমান্ত সম্মেলনে বাংলাদেশের এই উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন।

সম্মেলন শেষে শুক্রবার বিজিবির পক্ষ থেকে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, “বিজিবি মহাপরিচালক ভারতের মিজোরাম রাজ্যের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সশস্ত্র আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আস্তানার উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং এই আস্তানাগুলো ধ্বংস করার জন্য অনুরোধ করেন।

“সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারত সরকারের ‘জিরো টলারেন্স নীতির’ কথা উল্লেখ করে বিএসএফ মহাপরিচালক ওইসব আস্তানার (যদি থাকে) বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।”

গত ২২ ডিসেম্বর গৌহাটিতে শুরু হওয়া এবারের সীমান্ত সম্মেলনে ১১ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বিজিবি মহাপরিচালক। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরাও ছিলেন এই দলে।

অন্যদিকে বিএসএফ মহাপরিচালক রাকেশ আস্থানার নেতৃত্বে ভারতের ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দল এ সম্মেলনে অংশ নেয়।

এ সম্মেলনে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট রাখার পাশাপাশি আস্থা বাড়ানোর পদক্ষেপ নেয়া, সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে উন্নয়নমূলক কাজ না করা এবং সীমান্তে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখতে একমত হয় দুই পক্ষ।

উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে, বাংলাদেশের মানুষ সর্বদা এর প্রশংসা করে বলে মন্তব্য করেন বিজিবি মহাপরিচালক। তিনি বলেন, মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে সীমান্তে অপরাধীদের হত্যার বদলে প্রচলিত আইনে বিচারে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানান তিনি।

সীমান্তে মানবাধিকারকে সমুন্নত রাখার পাশাপাশি অপরাধীদের ‘হত্যার পরিবর্তে নিজ নিজ দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় আনার’ জন্য বিজিবি মহাপরিচালক ‘সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান’ জানান বলে উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

সেখানে বলা হয়, “সীমান্তে হত্যার ঘটনা অদূর ভবিষ্যতে উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে বলে বিএসএফ মহাপরিচালক আশ্বাস প্রদান করেন।”

বিজিবি মহাপরিচালক মাদক, অস্ত্র, গবাদি পশু, জাল মুদ্রা, স্বর্ণ চোরাচালানের মত আন্তঃসীমান্ত অপরাধ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং এসব অপরাধ দমনে বিএসএফের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

More News Of This Category
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102