ঢাকা ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করুন মোবাইল দিয়েই গাজী নজরুলকে বহিষ্কার করেছে জামায়াত ফরিদপুরে যাত্রা শুরু করল ‘পেয়ালা ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ ফরিদপুরে নারীর মানসিক স্বাস্থ্য: সচেতনতা, সহমর্মিতা ও করণীয় বিষয়ক নন্দিতা সুরক্ষার কর্মশালা অনুষ্ঠিত মেসিকে নিয়ে আবারও নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করলেন আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় তিন ধাপ উন্নতি করেছে বাংলাদেশ আমূল বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের পাসপোর্ট একনেকে ৮ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১৪ হাজার কোটি টাকা হামে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮০০ ছাড়ালো ভিডিও বার্তায় কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন রাহুল গান্ধী

ভারতের ১৩ শহরে টিকা যাচ্ছে সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে

ভারতের পুনের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে কোভিশিল্ড টিকার প্রথম ব্যাচ দেশটির বিভিন্ন গন্তব্যে যাচ্ছে। মঙ্গলবার ভোরে সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে টিকার প্রথম ব্যাচ নিয়ে বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছাড়ে ট্রাক।

আগামী ১৬ জানুয়ারি ভারতে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। ভারতব্যাপী করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরুর চারদিন আগে সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে কোভিশিল্ড টিকার প্রথম ব্যাচের চালান বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠানো হচ্ছে। খবর এনডিটিভির

স্থানীয় সময় ভোর ৫টার দিকে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত তিনটি ট্রাক কোভিশিল্ড টিকার প্রথম ব্যাচ নিয়ে সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় ত্যাগ করে।

এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ট্রাকগুলোয় কোভিশিল্ড টিকার মোট ৪৭৮টি বাক্স রয়েছে। প্রতিটি বাক্সের ওজন ৩২ কেজি।

ট্রাকগুলো সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় থেকে পুনে বিমানবন্দরের উদ্দেশে যায়। পুনে বিমানবন্দর থেকে উড়োজাহাজে করে টিকাগুলো দিল্লিসহ ভারতের ১৩টি শহরে পাঠানো হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের ২০২১ সালে সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে ডোজ প্রতি ২০০ টাকা দিয়ে করোনা টিকা কেনার কথা রয়েছে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রাজেনেকার যৌথ উদ্ভাবিত করোনার টিকা ভারতে কোভিশিল্ড নামে উৎপাদন করছে স্থানীয় প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউট।

আগামী ছয় থেকে আট মাসের মধ্যে ৩০ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে ভারত সরকার, যা শুরু হবে আগামী ১৬ জানুয়ারি থেকে।

এর মধ্যে স্বাস্থ্যকর্মীসহ করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যারা সামনের সারিতে আছেন, এমন তিন কোটি কর্মী টিকা পাবেন সবার আগে। এরপর পাবে ২৭ কোটি মানুষ, যাদের বয়স ৫০ এর বেশি বা দুরারোগ্য ব্যাধির কারণে যারা ঝুঁকির মুখে রয়েছেন।

সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনাভাইরাসের টিকার এক কোটি ১০ লাখ ডোজ কিনতে ইতোমধ্যে চুক্তি করেছে ভারত সরকার। প্রতি ডোজ টিকার জন্য তাদের দিতে হবে ২০০ রুপি (২.৭২ ডলার) করে।

এছাড়া ভারতীয় কোম্পানি ভারত বায়োটেকের সঙ্গেও করোনাভাইরাসের টিকার জন্য চুক্তি করেছে দেশটির সরকার। এখন পর্যন্ত এ দুটি কোম্পানির করোনাভাইরাসের টিকাই ভারতের নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পেয়েছে।

বিশ্বের সর্বাধিক টিকা উৎপাদনকারী সেরাম ইনস্টিটিউট বিতরণের জন্য এরইমধ্যে ৫ কোটি ডোজ টিকা মজুদ করেছে।

বর্তমানে প্রতি মাসে ৬ থেকে ৭ কোটি ডোজ করোনাভাইরাসের টিকার যোগান দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে তাদের, যা বাড়িয়ে আগামী মার্চ থেকে মাসে ১০ কোটি ডোজে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছে সেরাম ইনস্টিটিউট।

Tag :
জনপ্রিয়

হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করুন মোবাইল দিয়েই

ভারতের ১৩ শহরে টিকা যাচ্ছে সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে

Update Time : ০৯:৫০:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী ২০২১

ভারতের পুনের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে কোভিশিল্ড টিকার প্রথম ব্যাচ দেশটির বিভিন্ন গন্তব্যে যাচ্ছে। মঙ্গলবার ভোরে সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে টিকার প্রথম ব্যাচ নিয়ে বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছাড়ে ট্রাক।

আগামী ১৬ জানুয়ারি ভারতে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। ভারতব্যাপী করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরুর চারদিন আগে সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে কোভিশিল্ড টিকার প্রথম ব্যাচের চালান বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠানো হচ্ছে। খবর এনডিটিভির

স্থানীয় সময় ভোর ৫টার দিকে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত তিনটি ট্রাক কোভিশিল্ড টিকার প্রথম ব্যাচ নিয়ে সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় ত্যাগ করে।

এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ট্রাকগুলোয় কোভিশিল্ড টিকার মোট ৪৭৮টি বাক্স রয়েছে। প্রতিটি বাক্সের ওজন ৩২ কেজি।

ট্রাকগুলো সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় থেকে পুনে বিমানবন্দরের উদ্দেশে যায়। পুনে বিমানবন্দর থেকে উড়োজাহাজে করে টিকাগুলো দিল্লিসহ ভারতের ১৩টি শহরে পাঠানো হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের ২০২১ সালে সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে ডোজ প্রতি ২০০ টাকা দিয়ে করোনা টিকা কেনার কথা রয়েছে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রাজেনেকার যৌথ উদ্ভাবিত করোনার টিকা ভারতে কোভিশিল্ড নামে উৎপাদন করছে স্থানীয় প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউট।

আগামী ছয় থেকে আট মাসের মধ্যে ৩০ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে ভারত সরকার, যা শুরু হবে আগামী ১৬ জানুয়ারি থেকে।

এর মধ্যে স্বাস্থ্যকর্মীসহ করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যারা সামনের সারিতে আছেন, এমন তিন কোটি কর্মী টিকা পাবেন সবার আগে। এরপর পাবে ২৭ কোটি মানুষ, যাদের বয়স ৫০ এর বেশি বা দুরারোগ্য ব্যাধির কারণে যারা ঝুঁকির মুখে রয়েছেন।

সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনাভাইরাসের টিকার এক কোটি ১০ লাখ ডোজ কিনতে ইতোমধ্যে চুক্তি করেছে ভারত সরকার। প্রতি ডোজ টিকার জন্য তাদের দিতে হবে ২০০ রুপি (২.৭২ ডলার) করে।

এছাড়া ভারতীয় কোম্পানি ভারত বায়োটেকের সঙ্গেও করোনাভাইরাসের টিকার জন্য চুক্তি করেছে দেশটির সরকার। এখন পর্যন্ত এ দুটি কোম্পানির করোনাভাইরাসের টিকাই ভারতের নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পেয়েছে।

বিশ্বের সর্বাধিক টিকা উৎপাদনকারী সেরাম ইনস্টিটিউট বিতরণের জন্য এরইমধ্যে ৫ কোটি ডোজ টিকা মজুদ করেছে।

বর্তমানে প্রতি মাসে ৬ থেকে ৭ কোটি ডোজ করোনাভাইরাসের টিকার যোগান দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে তাদের, যা বাড়িয়ে আগামী মার্চ থেকে মাসে ১০ কোটি ডোজে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছে সেরাম ইনস্টিটিউট।