ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
কাতার সরকারের ব্যবস্থাপনায় জার্মানি থেকে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স আসছে ঢাকায় শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দিতে ভারত ইতিবাচক সাড়া দেয়নি বিসিএসের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে মুক্তিযুদ্ধকে ‘প্রতিরোধ যুদ্ধ’ এবং পাকিস্তানি বাহিনীকে ‘দখলদার বাহিনী’ নিয়ে তুৃমুল সমালোচনা নেটিজেনের এভারকেয়ার থেকে মায়ের বাসায় জোবাইদা রহমান ভাঙ্গায় বাস-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের ৩ জনসহ মোট ৪ যাত্রী নিহত বেগম খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি পিছিয়ে যাচ্ছে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সারা দেশে বিশেষ দোয়া জুবাইদা রহমান দেশে পৌঁছানোর পর শুরু হবে বিএনপি চেয়ারপারসনের বিদেশ যাত্রার প্রক্রিয়া জোবাইদা রহমান যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন, সরাসরি যাবেন হাসপাতালে এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

মুসলিম নারীদের গণধর্ষণে গর্ববোধ করত চীনা পুলিশরা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৬:৪০:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • ৩৬৩ Time View

শিনজিয়াংয়ের বন্দীশিবির (ছবি: সংগৃহীত)

চীনের শিনজিয়াং প্রদেশের উইঘুর মুসলিম নারীদের গণধর্ষণের বিষয়ে নতুন তথ্য উঠে এসেছে। শিনজিয়াংয়ের বন্দীশিবিরে শিক্ষকতা করতেন এমন একজন নারী সিএনএনকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

কেলবিনুর সিদিক নামে ওই নারী জানান, শিনজিয়াংয়ে চীনা সরকারের বন্দীশিবিররে প্রথম দিন তিনি দেখেন দুই সৈন্য অল্প বয়সী উইঘুর এক নারী একটি স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাচ্ছে।

সিদিক বলেন, ঐ নারীর মধ্যে কোন প্রাণের স্পন্দন ছিল না। তিনি শ্বাস নিচ্ছিলেন না। শিনজিয়াংয়ের দুইটি বন্দীশিবিরে ২০১৭ সালে কয়েক মাস শিক্ষকতা করেন সিদিক। ওই ক্যাম্পে কাজ করা এক নারী পুলিশ পরবর্তীতে সিদিককে জানান, ওই নারীর প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় এবং এতে মারা যান। তবে কী কারণে রক্তক্ষরণ হয় সে সম্পর্কে কিছু জানাননি। সিদিকেই শুধু চীনের বন্দীশিবিরে নারীদের ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেননি। দেশটির বন্দীশিবিরে আটক ছিলেন এমন বহুজন এই বিষয়ে অভিযোগ করেছেন।

সিদিক আরও বলেন, ঐ নারী পুলিশ তাকে আরও জানান তার পুরুষ সহকর্মীরা ধর্ষণের ব্যাপারে গর্ব করতো। তারা যখন রাতে মদপান করতো তারা একে অপরকে বর্ণনা করতো তারা কিভাবে উইঘুর মেয়েদের ধর্ষণ করে এবং নির্যাতন চালায়।

একসময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন সিদিক এরপর জোরপূর্বক তাকে বন্দীশিবিরে শিক্ষকতা করতে পাঠানো হয়। ছবি: সংগৃহীত। এছাড়া সিদিক জানান, ২০১৭ সালে বন্দীশিবিরে ক্লাস নেওয়ার সময় দেখন প্রায় শিক্ষার্থী ১০০ নারী এবং পুরুষকে হাতকড়া পড়া অবস্থায়। বর্তমানে নেদারল্যান্ডে বসবাস করছেন সিদিক। সেখান থেকেই সিএনএনকে এসব তথ্য জানান।

এছাড়া সম্প্রতি বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, শিনজিয়াং প্রদেশে ১০ লাখের বেশি উইঘুর মুসলিমদের কথিত ‘পুনঃশিক্ষণ’ শিবিরে বন্দী করে রাখা হয়েছে। সেখানে মুসলিম নারীরা ধারাবাহিক ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন এবং নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। বিবিসির এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর উদ্বিগ্ন প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন।

Tag :
জনপ্রিয়

কাতার সরকারের ব্যবস্থাপনায় জার্মানি থেকে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স আসছে ঢাকায়

মুসলিম নারীদের গণধর্ষণে গর্ববোধ করত চীনা পুলিশরা

Update Time : ০৬:৪০:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২১

চীনের শিনজিয়াং প্রদেশের উইঘুর মুসলিম নারীদের গণধর্ষণের বিষয়ে নতুন তথ্য উঠে এসেছে। শিনজিয়াংয়ের বন্দীশিবিরে শিক্ষকতা করতেন এমন একজন নারী সিএনএনকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

কেলবিনুর সিদিক নামে ওই নারী জানান, শিনজিয়াংয়ে চীনা সরকারের বন্দীশিবিররে প্রথম দিন তিনি দেখেন দুই সৈন্য অল্প বয়সী উইঘুর এক নারী একটি স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাচ্ছে।

সিদিক বলেন, ঐ নারীর মধ্যে কোন প্রাণের স্পন্দন ছিল না। তিনি শ্বাস নিচ্ছিলেন না। শিনজিয়াংয়ের দুইটি বন্দীশিবিরে ২০১৭ সালে কয়েক মাস শিক্ষকতা করেন সিদিক। ওই ক্যাম্পে কাজ করা এক নারী পুলিশ পরবর্তীতে সিদিককে জানান, ওই নারীর প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় এবং এতে মারা যান। তবে কী কারণে রক্তক্ষরণ হয় সে সম্পর্কে কিছু জানাননি। সিদিকেই শুধু চীনের বন্দীশিবিরে নারীদের ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেননি। দেশটির বন্দীশিবিরে আটক ছিলেন এমন বহুজন এই বিষয়ে অভিযোগ করেছেন।

সিদিক আরও বলেন, ঐ নারী পুলিশ তাকে আরও জানান তার পুরুষ সহকর্মীরা ধর্ষণের ব্যাপারে গর্ব করতো। তারা যখন রাতে মদপান করতো তারা একে অপরকে বর্ণনা করতো তারা কিভাবে উইঘুর মেয়েদের ধর্ষণ করে এবং নির্যাতন চালায়।

একসময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন সিদিক এরপর জোরপূর্বক তাকে বন্দীশিবিরে শিক্ষকতা করতে পাঠানো হয়। ছবি: সংগৃহীত। এছাড়া সিদিক জানান, ২০১৭ সালে বন্দীশিবিরে ক্লাস নেওয়ার সময় দেখন প্রায় শিক্ষার্থী ১০০ নারী এবং পুরুষকে হাতকড়া পড়া অবস্থায়। বর্তমানে নেদারল্যান্ডে বসবাস করছেন সিদিক। সেখান থেকেই সিএনএনকে এসব তথ্য জানান।

এছাড়া সম্প্রতি বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, শিনজিয়াং প্রদেশে ১০ লাখের বেশি উইঘুর মুসলিমদের কথিত ‘পুনঃশিক্ষণ’ শিবিরে বন্দী করে রাখা হয়েছে। সেখানে মুসলিম নারীরা ধারাবাহিক ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন এবং নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। বিবিসির এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর উদ্বিগ্ন প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন।