ঢাকা ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করুন মোবাইল দিয়েই গাজী নজরুলকে বহিষ্কার করেছে জামায়াত ফরিদপুরে যাত্রা শুরু করল ‘পেয়ালা ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ ফরিদপুরে নারীর মানসিক স্বাস্থ্য: সচেতনতা, সহমর্মিতা ও করণীয় বিষয়ক নন্দিতা সুরক্ষার কর্মশালা অনুষ্ঠিত মেসিকে নিয়ে আবারও নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করলেন আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় তিন ধাপ উন্নতি করেছে বাংলাদেশ আমূল বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের পাসপোর্ট একনেকে ৮ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১৪ হাজার কোটি টাকা হামে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮০০ ছাড়ালো ভিডিও বার্তায় কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন রাহুল গান্ধী

যুক্তরাজ্যে লকডাউনের পরেও করোনার নতুন ধরনটি ব্যাপক ছড়িয়েছে

এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, গত নভেম্বরে দেশটিতে লকডাউন চলাকালেও ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ে ভাইরাসটির নতুন ধরন। এমন পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে আরো কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের জন্য চাপে পড়েছেন দেশটির মন্ত্রীরা। সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস এ খবর জানিয়েছে।

এদিকে, লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের এক গবেষণায় দেখা গেছে, করোনার নতুন ধরনের রিপ্রোডাকশন নম্বর বা আর-নম্বর শূন্য দশমিক ৪ থেকে শূন্য দশমিক ৭ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। আর-নম্বরের ওপর নির্ভর করে সংক্রমণের হার। আর-নম্বর যত বেশি হবে সংক্রমণের হার ততো বাড়বে। সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

যুক্তরাজ্যের করোনাভাইরাসের নতুন ধরনটির সর্বশেষ আর-নম্বর ১ দশমিক ১ থেকে ১ দশমিক ৩ পর্যন্ত ধারণা করা হচ্ছে। করোনা সংক্রমণের হার কমাতে হলে এই আর নম্বর ১-এর নিচে রাখা প্রয়োজন।

গবেষণার বরাত দিয়ে ইম্পেরিয়াল কলেজের অধ্যাপক অ্যাক্সেল গ্যান্ডি জানিয়েছেন, ভাইরাসটির ধরনের পার্থক্য অনেক বেশি। মহামারি শুরুর পর থেকে এটিই সবচেয়ে আশঙ্কাজনক পরিবর্তন।

এদিকে যুক্তরাজ্যে করোনার সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। এর মধ্যেই গত বৃহস্পতিবার একদিনে দেশটিতে করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা নতুন উচ্চতায় গিয়ে পৌঁছেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, ভাইরাসটি আগের তুলনায় ২০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে, বিশেষ করে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। তবে অধ্যাপক গ্যান্ডি বলছেন, ভাইরাসটি সব বয়সীদের মধ্যেই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জিম নেইস্মিথ জানিয়েছেন, নতুন এই অনুসন্ধান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, আমাদের খুব দ্রুত আরো কঠোর লকডাউন প্রয়োজন।

অধ্যাপক জিম আরো জানান, এই অনুসন্ধানের মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে যে, আমরা এখন পর্যন্ত যেভাবে বিধি-নিষেধ আরোপ করেছি, এ ভাবে চললে আর-নম্বর ১ এর নিচে নামানোর ক্ষেত্রে ব্যর্থ হতে হবে।

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের সর্বশেষ পরিসংখ্যান জানার অন্যতম ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল শুক্রবার যুক্তরাজ্যে মোট ৫৩ হাজার ২৮৫ জনের করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার দেশটিতে ৫৫ হাজার ৮৯২ জনের করোনা শনাক্ত করা হয়।

Tag :
জনপ্রিয়

হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করুন মোবাইল দিয়েই

যুক্তরাজ্যে লকডাউনের পরেও করোনার নতুন ধরনটি ব্যাপক ছড়িয়েছে

Update Time : ০৯:১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ জানুয়ারী ২০২১

এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, গত নভেম্বরে দেশটিতে লকডাউন চলাকালেও ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ে ভাইরাসটির নতুন ধরন। এমন পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে আরো কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের জন্য চাপে পড়েছেন দেশটির মন্ত্রীরা। সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস এ খবর জানিয়েছে।

এদিকে, লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের এক গবেষণায় দেখা গেছে, করোনার নতুন ধরনের রিপ্রোডাকশন নম্বর বা আর-নম্বর শূন্য দশমিক ৪ থেকে শূন্য দশমিক ৭ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। আর-নম্বরের ওপর নির্ভর করে সংক্রমণের হার। আর-নম্বর যত বেশি হবে সংক্রমণের হার ততো বাড়বে। সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

যুক্তরাজ্যের করোনাভাইরাসের নতুন ধরনটির সর্বশেষ আর-নম্বর ১ দশমিক ১ থেকে ১ দশমিক ৩ পর্যন্ত ধারণা করা হচ্ছে। করোনা সংক্রমণের হার কমাতে হলে এই আর নম্বর ১-এর নিচে রাখা প্রয়োজন।

গবেষণার বরাত দিয়ে ইম্পেরিয়াল কলেজের অধ্যাপক অ্যাক্সেল গ্যান্ডি জানিয়েছেন, ভাইরাসটির ধরনের পার্থক্য অনেক বেশি। মহামারি শুরুর পর থেকে এটিই সবচেয়ে আশঙ্কাজনক পরিবর্তন।

এদিকে যুক্তরাজ্যে করোনার সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। এর মধ্যেই গত বৃহস্পতিবার একদিনে দেশটিতে করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা নতুন উচ্চতায় গিয়ে পৌঁছেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, ভাইরাসটি আগের তুলনায় ২০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে, বিশেষ করে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। তবে অধ্যাপক গ্যান্ডি বলছেন, ভাইরাসটি সব বয়সীদের মধ্যেই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জিম নেইস্মিথ জানিয়েছেন, নতুন এই অনুসন্ধান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, আমাদের খুব দ্রুত আরো কঠোর লকডাউন প্রয়োজন।

অধ্যাপক জিম আরো জানান, এই অনুসন্ধানের মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে যে, আমরা এখন পর্যন্ত যেভাবে বিধি-নিষেধ আরোপ করেছি, এ ভাবে চললে আর-নম্বর ১ এর নিচে নামানোর ক্ষেত্রে ব্যর্থ হতে হবে।

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের সর্বশেষ পরিসংখ্যান জানার অন্যতম ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল শুক্রবার যুক্তরাজ্যে মোট ৫৩ হাজার ২৮৫ জনের করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার দেশটিতে ৫৫ হাজার ৮৯২ জনের করোনা শনাক্ত করা হয়।