মঙ্গলবার, ০৬ জুন ২০২৩, ০৩:১০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কয়েকটি জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২ থেকে ৪৫ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে নানামুখী ষড়যন্ত্রের কারণে আগামী নির্বাচনটি একটি চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রাথমিক শাখার ক্লাসও আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্ধ ঢাকার প্রবেশমুখসহ সাভারের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসানোর পাশাপাশি সতর্ক অবস্থানে পুলিশ কয়লার অভাবে আজ থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ হচ্ছে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ইউক্রেনের ২৫০ জন সেনাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে রাশিয়া বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ বিশ্বের এ অস্বাভাবিক পরিস্থিতি আর কতদিন চলবে তা কেউ বলতে পারে না সোমবার থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ জন মারা গেছেন

রাজধানীর খুচরা ও পাইকারিতে পেঁয়াজ ও আদার দাম আরো বেড়েছে

অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : শুক্রবার, ২৬ মে, ২০২৩
  • ৪২ Time View

রাজধানীর খুচরা ও পাইকারিতে পেঁয়াজ ও আদার দাম আরো বেড়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে আরো পাঁচ-দশ টাকা বেড়ে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮৫ টাকায়। চীনা আদার আমদানি বন্ধ থাকায় কেজিতে আরো ৩০ থেকে ৫০ টাকা বেড়ে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভারত, মিয়ানমার ও ভিয়েতনাম থেকে আসা কেরালা জাতের আদা বিক্রি হচ্ছে কেজি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা।

এদিকে রাজধানীর বাজারগুলোতে সরবরাহ বাড়ায় বেশ কিছু সবজি কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা এবং কাঁচা মরিচ কেজিতে ৪০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। ফার্মের ডিম গত সপ্তাহে ডজনে পাঁচ থেকে ১০ বেড়ে ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়। এখনো এই দামেই ডিম বিক্রি হচ্ছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, শ্যামবাজার, রামপুরা, সেগুনবাগিচা ও বাড্ডা কাঁচাবাজার ঘুরে এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরায় ভালোমানের পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা। রসুনের দামে পরিবর্তন নেই। আমদানি ও দেশি রসুন কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকায়। চীনা আদার আমদানি বন্ধ থাকায় দাম কেজিতে আরো ৩০ থেকে ৫০ টাকা বেড়েছে।

এখন বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি। বাজারে কেরালা জাতের পর্যাপ্ত আদা আছে। তার পরও দাম বাড়তি, কেজি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি। গত সপ্তাহে খুচরায় কেজি বিক্রি হয় ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা।

পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় বেশির ভাগ সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি না হলে পেঁয়াজের দাম কমার সুযোগ নেই। বরং আরো বাড়বে।

দেশীয় কৃষকের উৎপাদিত পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে গত ১৬ মার্চ থেকে হিলিসহ দেশের সব বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। এ কারণে বর্তমানে চাহিদার পুরোটা মেটানো হচ্ছে দেশি পেঁয়াজ দিয়ে। পাইকারি বাজারে পাবনা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও কুষ্টিয়া থেকে পেঁয়াজ আসছে। দেশের প্রধান পেঁয়াজ উৎপাদনকারী এসব জেলাগুলো কৃষকরাই এখন ৬০ টাকার নিচে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন না।

আমাদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, পাবনায় গত বুধবার কৃষকরা পাইকারদের কাছে পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন ৬৫ থেকে ৬৭ টাকা কেজি দরে। ফরিদপুর ও রাজবাড়ীতে কৃষক পর্যায়ে বিক্রি হয়েছে ৬০ থেকে ৬২ টাকায়।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও শ্যামবাজারে গতকাল পাইকারি পর্যায়ে ভালোমানের পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হয়েছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়। খুচরা ব্যবসায়ীরা বিক্রি করছেন ৮০ থেকে ৮৫ টাকা।

সবজির বাজার : 

বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়ায় সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কিছুটা কমেছে। দাম কমে কাঁচা মরিচ কেজি ১২০, বেগুন ৫০ থেকে ৭০, পটোল ৬০, টমেটো ৫০, শসা ৪০ থেকে ৬০ টাকা, ঢেঁড়শ ৫০, করলা ৬০ থেকে ৭০, বরবটি ৭০ থেকে ৮০, পেঁপে ৬০ থেকে ৭০, চালকুমড়া প্রতিটি ৫০ থেকে ৬০, মুলা কেজি ৪০, কাঁকরোল ৭০ থেকে ৮০, ঝিঙা ও চিচিঙ্গা ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর সেগুনবাগিচার কাঁচাবাজারে কথা হয় বেসরকারি এক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নাঈম ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘গত সপ্তাহের তুলনায় সবজির দাম কেজিতে কিছুটা কমলেও এখনো তুলনামূলকভাবে বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সবজির দাম আরো কমা দরকার।’

রাজধানীর উত্তর বাড্ডার সবজি ব্যবসায়ী মো. মেহেদী গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এখন কারওয়ান বাজারে সবজির আমদানি বেড়েছে, যার কারণে বেশির ভাগ সবজির দাম কমে গেছে। সবচেয়ে বেশি কমেছে কাঁচা মরিচের দাম।’

মুরগির বাজার : 

রাজধানীর বাজারগুলোতে মুরগির দাম কিছুটা কমে এখন ব্রয়লার মুরগি কেজি ২০০ টাকা ও সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেটের ব্রয়লার হাউসের ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বেশ কয়েক দিন ধরেই মুরগির দাম কমতির দিকে। এখন খুচরায় ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৯০ থেকে ২০০ টাকায়। সোনালি মুরগি প্রকারভেদে কেজি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে মুরগির চহিদা কমার কারণে পাইকারিতে মুরগির দর কম। ফলে খুচরা পর্যায়েও কম দামে বিক্রি হচ্ছে।’

More News Of This Category
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102