ঢাকা ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলমাবাদে পৌঁছেছে ইরানের একটি প্রতিনিধি দল জাতীয় সংসদে আজ শুক্রবার আরো ১০টি বিল পাস কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু, যেভাবে নিবন্ধন করবেন কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার বাংলার জয়যাত্রা জাহাজকে ঘুরিয়ে ফের নিরাপদে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ তেহরানের ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেন পুতিন বাজারে সোনালি মুরগির কেজি ৩৮০–৪২০ টাকা; তেলসহ নিত্যসামগ্রীর দাম বাড়তি আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ৯ এপ্রিল ২০২৬

সাংগু নদীতে ফুল ভাসিয়ে চাকমা-তঞ্চঙ্গ্যাদের বিঝু-বিষু উৎসব শুরু

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১১:২০:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪
  • ৩২৪ Time View
পুরাতন বছরকে বিদায় আর নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবানে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (১২ এপ্রিল) ভোরে বান্দরবানের সাংগু নদীতে ফুল বির্সজনের মাধ্যমে বান্দরবানে চাকমা সম্প্রদায়ের বিঝু ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের বিষু উৎসব শুরু হয়।
বাংলা বর্ষপঞ্জিকা অনুসারে বছরের শেষ দুদিন ও বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন চাকমারা ফুল বিঝু, মূল বিঝু ও গজ্জ্যাপজ্জ্যা এ তিন দিন বিঝু পালন করে থাকে। আগামী শনিবার (১৩ এপ্রিল) মূল অনুষ্ঠানে চাকমাদের ঘরে ঘরে হরেক রকমের মিশ্রনে পাজন রান্না করে পরিবেশন করা হবে। নতুন কাপড় পরিধান করে দলবেঁধে পুরো গ্রাম ঘুরে বেড়াবে তরুণ-তরুণীরা। তাছাড়া সাধ্য অনুসারে ঘরে ঘরে বিভিন্ন রকমের পিঠা তৈরি করে বন্ধু-বান্ধব, পাড়া-প্রতিবেশী,আত্মীয়-স্বজন এমনকি কারোর সঙ্গে অতীতে বৈরিতা বা ঝগড়া, মনোমালিন্য থাকলেও এদিন সবাই ভুলে গিয়ে একে অপরকে ক্ষমা করে দিয়ে নিজের বাড়িতে নিমন্ত্রণ করে পিঠাসহ হরেক রকম খাবার পরিবেশন করবে।
বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) সকালে বান্দরবানের সাংগু নদীতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের তরুণ-তরুণীরা পানিতে ফুল বিসর্জন দিয়ে শুরু করে উৎসবের। এ সময় বিভিন্ন পাড়া ও গ্রামের তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের তরুণ-তরুণীরা একত্রিত হয়ে পানিতে ফুল বির্সজন দিয়ে পুরাতন গ্লানি মুছে ফেলে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
এ সময় চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যা কিশোর-কিশোরী, নর-নারী ও শিশুরা নতুন কাপড় পরিধান করে ফুল নিয়ে জল দেবতাকে পূজা করে এবং পুরাতন সব দুঃখ মুছে ফেলে আগামীদিনের অনাবিল সুখ শান্তির কামনা করে।
তিন পার্বত্য জেলা বিশেষ করে বান্দরবান পার্বত্য জেলায় বাঙালি ছাড়াও ১১টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে, যা দেশের অন্য কোনো জেলায় নেই। ১১ জাতিসত্তার নানা বৈচিত্র্যময় জীবনধারা, সংস্কৃতির সম্মিলন উৎসবে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।
Tag :
জনপ্রিয়

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলমাবাদে পৌঁছেছে ইরানের একটি প্রতিনিধি দল

সাংগু নদীতে ফুল ভাসিয়ে চাকমা-তঞ্চঙ্গ্যাদের বিঝু-বিষু উৎসব শুরু

Update Time : ১১:২০:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪
পুরাতন বছরকে বিদায় আর নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবানে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (১২ এপ্রিল) ভোরে বান্দরবানের সাংগু নদীতে ফুল বির্সজনের মাধ্যমে বান্দরবানে চাকমা সম্প্রদায়ের বিঝু ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের বিষু উৎসব শুরু হয়।
বাংলা বর্ষপঞ্জিকা অনুসারে বছরের শেষ দুদিন ও বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন চাকমারা ফুল বিঝু, মূল বিঝু ও গজ্জ্যাপজ্জ্যা এ তিন দিন বিঝু পালন করে থাকে। আগামী শনিবার (১৩ এপ্রিল) মূল অনুষ্ঠানে চাকমাদের ঘরে ঘরে হরেক রকমের মিশ্রনে পাজন রান্না করে পরিবেশন করা হবে। নতুন কাপড় পরিধান করে দলবেঁধে পুরো গ্রাম ঘুরে বেড়াবে তরুণ-তরুণীরা। তাছাড়া সাধ্য অনুসারে ঘরে ঘরে বিভিন্ন রকমের পিঠা তৈরি করে বন্ধু-বান্ধব, পাড়া-প্রতিবেশী,আত্মীয়-স্বজন এমনকি কারোর সঙ্গে অতীতে বৈরিতা বা ঝগড়া, মনোমালিন্য থাকলেও এদিন সবাই ভুলে গিয়ে একে অপরকে ক্ষমা করে দিয়ে নিজের বাড়িতে নিমন্ত্রণ করে পিঠাসহ হরেক রকম খাবার পরিবেশন করবে।
বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) সকালে বান্দরবানের সাংগু নদীতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের তরুণ-তরুণীরা পানিতে ফুল বিসর্জন দিয়ে শুরু করে উৎসবের। এ সময় বিভিন্ন পাড়া ও গ্রামের তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের তরুণ-তরুণীরা একত্রিত হয়ে পানিতে ফুল বির্সজন দিয়ে পুরাতন গ্লানি মুছে ফেলে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
এ সময় চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যা কিশোর-কিশোরী, নর-নারী ও শিশুরা নতুন কাপড় পরিধান করে ফুল নিয়ে জল দেবতাকে পূজা করে এবং পুরাতন সব দুঃখ মুছে ফেলে আগামীদিনের অনাবিল সুখ শান্তির কামনা করে।
তিন পার্বত্য জেলা বিশেষ করে বান্দরবান পার্বত্য জেলায় বাঙালি ছাড়াও ১১টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে, যা দেশের অন্য কোনো জেলায় নেই। ১১ জাতিসত্তার নানা বৈচিত্র্যময় জীবনধারা, সংস্কৃতির সম্মিলন উৎসবে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।