ঢাকা ১১:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শুভসূচনা করেছে কলম্বিয়া ইনজুরি টাইমের ষষ্ঠ মিনিট আচমকা ম্যাচের ফল নির্ধারক গোল ঘানার, পানামার হৃদয় ভাঙা পর্তুগালের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হলো হতাশাজনক ড্র দিয়ে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে সই করলেন ট্রাম্প আমি-ই বস: জি-৭ সম্মেলনে ট্রাম্প আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৮ জুন ২০২৬ আলজেরিয়ার গোলপোস্টের নিচে দাঁড়িয়ে থাকা ‘মাস্কম্যান’ কিংবদন্তি জিনেদিন জিদানের ছেলে লুকা জিদান আজ মৌলভীবাজার সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেসি’র তাণ্ডব! লন্ডভন্ড আলজেরিয়া ওয়ার্ল্ড কাপের ওল টাইম টপ স্কোরার মিরোস্লাভ ক্লোসার রেকর্ড ভাঙার দ্বারপ্রান্তে মেসি

সৌদিতে ইরানের হামলায় ৫ মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

যুদ্ধ শুরুর পর ইরানের হামলায় সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত মার্কিন বিমান বাহিনীর পাঁচটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুইজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিধ্বস্ত হওয়া পাঁচটি উড়োজাহাজই সৌদির মার্কিন বিমানঘাঁটি প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসের এবং সবগুলোই রি-ফুয়েলিং বিমান।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে গত কয়েক দিনে বিধ্বস্ত হয়েছে এই বিমানগুলো, তবে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়নি। উড়োজাহাজগুলো মেরামত করে পুনরায় ব্যবহার করা সম্ভব। এই পাঁচ বিমান বিধ্বস্তের সময় কেউ নিহত কিংবা আহত হয়নি বলেও জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে বিধ্বস্ত হয়েছে মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি কেসি-১৩৫ রি-ফুয়েলিং যুদ্ধবিমান। চালক ও সহ-চালকসহ বিমানটিতে মোট ছয়জন ক্রু ছিলেন। তাদের মধ্যে চারজন নিহত হয়েছেন, বাকি দু’জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

উল্লেখ্য, আকাশে উড্ডয়নরত অবস্থায় যুদ্ধবিমানে জ্বালানি সরবরাহের জন্য রি-ফুয়েলিং বিমান ব্যবহার করা হয়। গত শতকের পঞ্চাশের দশক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী নিয়মিত রি-ফুয়েলিং উড়োজাহাজ ব্যবহার করছে এবং এই উড়োজাহাজ মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একইসময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরাইলও।

হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয় দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান, যা এখনও চলছে।—সূত্র: রয়টার্স

Tag :

উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শুভসূচনা করেছে কলম্বিয়া

সৌদিতে ইরানের হামলায় ৫ মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

Update Time : ০৩:৩৭:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

যুদ্ধ শুরুর পর ইরানের হামলায় সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত মার্কিন বিমান বাহিনীর পাঁচটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুইজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিধ্বস্ত হওয়া পাঁচটি উড়োজাহাজই সৌদির মার্কিন বিমানঘাঁটি প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসের এবং সবগুলোই রি-ফুয়েলিং বিমান।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে গত কয়েক দিনে বিধ্বস্ত হয়েছে এই বিমানগুলো, তবে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়নি। উড়োজাহাজগুলো মেরামত করে পুনরায় ব্যবহার করা সম্ভব। এই পাঁচ বিমান বিধ্বস্তের সময় কেউ নিহত কিংবা আহত হয়নি বলেও জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে বিধ্বস্ত হয়েছে মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি কেসি-১৩৫ রি-ফুয়েলিং যুদ্ধবিমান। চালক ও সহ-চালকসহ বিমানটিতে মোট ছয়জন ক্রু ছিলেন। তাদের মধ্যে চারজন নিহত হয়েছেন, বাকি দু’জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

উল্লেখ্য, আকাশে উড্ডয়নরত অবস্থায় যুদ্ধবিমানে জ্বালানি সরবরাহের জন্য রি-ফুয়েলিং বিমান ব্যবহার করা হয়। গত শতকের পঞ্চাশের দশক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী নিয়মিত রি-ফুয়েলিং উড়োজাহাজ ব্যবহার করছে এবং এই উড়োজাহাজ মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একইসময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরাইলও।

হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয় দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান, যা এখনও চলছে।—সূত্র: রয়টার্স