অধিকাংশ পশ্চিমা কূটনীতিক কাবুল ছেড়েছেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে আলজাজিরা এই তথ্য দিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি এখন নিশ্চিন্তে বলতে পারি অধিকাংশ পশ্চিমা কূটনীতিক এখন আর কাবুলে নেই।’
তবে কিছু সাপোর্ট স্টাফ এখনো রয়ে গেছেন বলে জানান তিনি।
রবিবার তালেবান যোদ্ধারা কাবুলে প্রবেশ শুরু করলে স্টাফদের বিমানবন্দরে সরিয়ে নিতে কাবুলের কূটনীতিক জোনে দিনভর হেলিকপ্টারের ব্যস্ততা দেখা যায়।
এদিকে এদিন রাতে ৬০টি দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে কূটনীতিকদের নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগ দিতে তালেবানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
অন্যদিকে আফগানিস্তানে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্কের ডাক দিয়েছে তালেবান।
আলজাজিরাকে দোহায় তালেবানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের এক মুখপাত্র এ কথা জানিয়েছেন।
মোহাম্মদ নাঈম বলেন, ‘আমরা যা চেয়েছি তা অর্জন করেছি- আমাদের দেশের মুক্তি এবং নাগরিকদের স্বাধীনতা।’
তিনি বলেন, ‘কাউকে লক্ষ্যবস্তু করতে আমরা আমাদের ভূমি কাউকে ব্যবহার করতে দেব না এবং আমরা কারও ক্ষতি চাই না।’
কাবুল মার্কিন দূতাবাস থেকে পতাকা নামানো হলো:
এদকি তালেবান আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল নিয়ন্ত্রণের পর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি পাল্টানো শুরু হয়েছে। রাতারাতিই কাবুলে অবস্থিত দূতাবাস থেকে মার্কিন পতাকা নামানো হয়েছে। খবর বিবিসির।
আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের কাজ প্রায় শেষ করে ফেলেছে ২০ বছর ধরে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া মার্কিন প্রশাসন।
এএফপির খবরে বলা হয়েছে, দূতাবাসের সব কর্মী প্রায়ই চলেই গেছেন। তবে কয়েকজনকে হামিদ কারজাই ইন্টারন্যাশনাল এয়াপোর্টে দেখা গেছে যারা ফিরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ৬ হাজার সেনা পুরো কার্যক্রম পরিচালনায় কাজ করছে। সবশেষ সেখানে আরও এক হাজার সেনা পাঠানো হয়। এক কমকর্তা জানিয়েছেন, তালেবান দ্রুত ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করলেও মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের কাজে তেমন কোন পরিবর্তন আসেনি।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 























