অল্প রানে আটকে গেলেও শেষ পর্যন্ত লড়াই করলো দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু পেরে ওঠেনি অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে। শেষ ওভারের উত্তেজনায় ৫ উইকেটের জয় পায় অজিরা। দারুণ জয় দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন করেছে অ্যারন ফিঞ্চ শিবির।
থিতু হতে থাকা ডেভিড ওয়ার্নারও পারেনি বড় ইনিংস খেলতে। ১৫ বলে ১৪ রান করে তিনি রাবাদার শিকার। দলীয় ৩৮ রানে পড়ে তৃতীয় উইকেট। ১৭ বলে ১১ রান করে মাহারাজের শিকার মিচেল মার্শ।
এমন অবস্থা থেকে দলটে টেনে তোলার চেষ্টা করেন স্টিভেন স্মিথ ও হার্ড হিটার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। এই জুটি দলকে টেনে নিয়ে যান ৮০ রান পর্যন্ত। ৩৪ বলে ৩৫ রান করে ফেরেন স্টিভেন স্মিথ। পরের ওভারে বিদায় নেন ম্যাক্সওয়েলও। ২১ বলে ১৮ রান করে শামসির বলে বোল্ড হন তিনি।
এরপর দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান স্টয়নিস-ওয়েড জুটি। শেষ ওভারেও থাকে নাটকীয়তা। ৬ বলে দরকার ৮ রান। প্রিটোরিয়াসকে দ্বিতীয় ও চতুর্থ বলে দুই চার হাকিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে জয় এনে দেন স্টয়নিস। ১৬ বলে ২৪ রানে স্টয়নিস ও ১০ বলে ১৫ রানে ওয়েড থাকেন অপরাজিত।
এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই খাবি খেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। অস্ট্রেলিয়ার বোলিং তোপে ঠিকমতো দাড়াতে পারেনি কোন ব্যাটসম্যানই। একটু ব্যতিক্রম ছিলেন শুধু এইডেন মারক্রাম। বাকিদের মধ্যে কেউ ছুতে পারেনি বিশের ঘরের রান।
৪৬ রানে চার উইকেট হারানো দক্ষিণ আফ্রিকা ১০০ পার করতে পারবে, এমনটি কল্পনা করেনি কেউ। শেষ অবধি মারক্রাম, মিলার, ক্যাগিসো রাবাদার ব্যাটে শতরান অতিক্রম করে দলটি। ৩৬ বলে সর্বোচ্চ ৪০ রানের ইনিংস খেলেন মারক্রাম। তার ইনিংসে ছিল তিনটি চার ও একটি ছক্কার মার। অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা ওপেনিংয়ে নেমে সাত বলে ১২ রান করে হয়ে যান বোল্ড ম্যাক্সওয়েলের ঘূর্ণিতে।
শেষের দিকে ২৩ বলে ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন পেসার রাবাদা। ২০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ দাড়ায় ৯ উইকেটে ১১৮ রান। বল হাতে অস্ট্রেলিয়ার সব বোলারই পেয়েছেন উইকেটের দেখা। মিশেল স্টার্ক, অ্যাডাম জাম্পা, জশ হ্যাজলউড দুটি করে উইকেট নেন। গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও প্যাট কামিন্স নেন একটি করে উইকেট।
অনলাইন ডেস্ক 























