স্কোর: অস্ট্রেলিয়া ১৭৩/২ (১৮.৫ ওভার), নিউ জিল্যান্ড ১৭২/৪ (২০ ওভার)
ফল: অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে জয়ী।
ওয়ানডের সবচেয়ে সফলতম দল। বিশ্বকাপ জেতা হয়েছে পাঁচ পাঁচবার। অথচ তাদেরই নেই একটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ! আগের ছয় আসরে একবারই সুযোগ এসেছিল। সেবার হাত ফসকে বেরিয়ে যায় শিরোপা। এবার আর কোনো ভুল নয়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপার অপেক্ষা ফুরালো অস্ট্রেলিয়ার।
নিউ জিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সপ্তম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতল অস্ট্রেলিয়া। দুবাইয়ে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ৪ উইকেটে ১৭২ রানের পুঁজি পেয়েছিল নিউ জিল্যান্ড। কেন উইলিয়ামসনের অতিমানবীয় ৪৮ বলে ৮৫ রানের ইনিংসটি ছিল চোখ ধাঁধানো। কিন্তু ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শের পাল্টা জবাবে ম্যাচটা অস্ট্রেলিয়া শেষ করে ৭৭ বল আগে।
ওয়ার্নার ৫৩ রানে বিদায় নিলেও মার্শ ৭৭ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন। মার্শের সঙ্গে ৬৬ রানের জুটি গড়ার পথে ২৮ রান করেন ম্যাক্সওয়েল।
ফাইনালের মঞ্চে অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নামে অস্ট্রেলিয়া। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড দল নামে এক পরিবর্তন নিয়ে। চোটে পড়ায় ডেভন কনওয়ের জায়গায় দলে ঢুকেন টিম সাইফার্ট।
টুর্নামেন্ট সেরা ওয়ার্নার
বিশ্বকাপের আগে সময়টা ভালো যাচ্ছিল না ডেভিড ওয়ার্নারের। আইপিএলে তার পারফরম্যান্স ছিল হতশ্রী। কিন্তু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জাতীয় দলের গায়ে জড়ানোর পরপরই রূপ পাল্টে যায় ওয়ার্নারের। অস্ট্রেলিয়াকে শিরোপা জেতাতে বড় ভূমিকা রাখায় তার হাতে উঠেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের মুকুট। ৭ ম্যাচে ২৮৯ রান করেছেন অসি ওপেনার।
ম্যাচ সেরা মিচেল মার্শ
প্রথম বলেই ছক্কা। ১৭৩ রান তাড়া করতে নেমে মিচেল মার্শের ব্যাটিংয়ের শুরুটা ছিল এমনই। যেভাবে শুরু করেছিলেন শেষ করার সুযোগ পাননি। তবে সতীর্থ ম্যাক্সওয়েলের চার বেশ উপভোগ করেছেন। কারণ ততক্ষণে নিশ্চিত হয়ে যায় শিরোপা। ৭৭ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলে অস্ট্রেলিয়ার শিরোপার নায়ক মিচেল মার্শ। ৫০ বলে ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ম্যাচসেরা ইনিংসটি সাজান মার্শ।
বিশ্বকাপের রোল অব অনার
২০০৭ ভারত
২০০৯ পাকিস্তান
২০১০ ইংল্যান্ড
২০১২ ওয়েস্ট ইন্ডিজ
২০১৪ শ্রীলঙ্কা
২০১৬ ওয়েস্ট ইন্ডিজ
২০২১ অস্ট্রেলিয়া
অনলাইন ডেস্ক 























