ঢাকা ১২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ইরান থেকে নতুন করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের ভূখণ্ডের দিকে শনাক্ত: : আইডিএফ রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার ও তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম একলাফে ব্যারেলপ্রতি তিন ডলারেরও বেশি বেড়ে গেছে তেহরানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব ধরনের ফ্লাইট স্থগিত করেছে ইরান জেরুজালেমসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় অনবরত বাজছে যুদ্ধকালীন সতর্কতা সাইরেন, আকাশসীমা বন্ধ তেহরানসহ দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহরে তীব্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল, যুদ্ধ ফের তীব্র হওয়ার শঙ্কা ভুটানে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশসহ এশিয়ার পাঁচটি দেশ ফিলিপাইনের ভূমিকম্পের জেরে প্রতিবেশী দেশ ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে সুনামি ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে আঘাত হেনেছে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ৭ জুন ২০২৬

সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা যাবে না :আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৬:০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২১
  • ৩৯৩ Time View

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা যাবে না। তার বিরুদ্ধে সমন জারি করতে হবে। মামলার পর সাংবাদিক আদালতে জামিন আবেদনের সুযোগ পাবেন।

ওভারসিজ করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ওকাব) আয়োজিত ‘মিট দ্য ওকাব’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন । আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ওকাব।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কিছুটা অপব্যবহার ও কিছুটা দুর্ব্যবহার হয়েছে বলে স্বীকার করেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, এর কারণে একটা ধারণা জন্মেছে যে এই আইন বাক ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রোধের উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে এর কোনোটাকেই বন্ধ বা বাদ দেওয়ার জন্য এই আইন করা হয়নি।

ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা দুজনে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীন যদি কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়, তাৎক্ষণিক সেই মামলা আদালতে গ্রহণ করে আদালত এর প্রসিডিউর শুরু করবেন না। আরেকটা আইন আছে আইসিটি অ্যাক্ট ২০০৬, সেখানে একটি সেল আছে, যারা তদন্ত করতে পারে যে মামলা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হয় কিনা। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে যে মামলা হবে, তাৎক্ষণিকভাবে সেটা সেই সেলে যাবে। সেই সেলের তদন্তের পর যদি সাব্যস্ত হয় এই যে হ্যাঁ, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যে অপরাধে নালিশ করা হয়েছে, তাতে সেই অপরাধের ইনগ্রেডিয়েন্টস (উপাদান) এই নালিশের মধ্যে আছে, তাইলেই মামলাটা নেওয়া হবে।

অফিস আদেশ জারি করার বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, এ নির্দেশনা আমরা নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে দিতে পারি না। যেটা করা হচ্ছে, তা হলো পুলিশ যেখানে গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা রাখে, সেখানে ইন্টারনালি প্রতিটি থানাতে এ রকম জানানো হয়েছে বলে আমার কাছে খবর আছে।

এক সাংবাদিক এ সময় প্রশ্ন করেন, এ জন্যই কি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পরিবর্তে রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা করা হয়েছিল? জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ যদি ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে অপরাধ না করেন, তাঁর বিরুদ্ধে কি এই আইনে মামলা হবে? রোজিনা নিশ্চয় ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের অপরাধ করেননি। সে জন্যই ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট তাঁর ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হয়নি।’

সেই সাংবাদিক আবার প্রশ্ন করেন, কিন্তু আমরা তো প্রথমে শুনেছিলাম, রোজিনা ইসলাম ছবি তুলছিলেন। সেটা ডিজিটাল ফরমেটে এসেছে। এ কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পরে শোনা যায়, আইন মন্ত্রণালয়ের একটি প্রেসস্ক্রিপশনের কারণে তাঁর বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে না করে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা করা হয়েছে।

Tag :

ইরান থেকে নতুন করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের ভূখণ্ডের দিকে শনাক্ত: : আইডিএফ

সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা যাবে না :আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী

Update Time : ০৬:০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২১

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা যাবে না। তার বিরুদ্ধে সমন জারি করতে হবে। মামলার পর সাংবাদিক আদালতে জামিন আবেদনের সুযোগ পাবেন।

ওভারসিজ করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ওকাব) আয়োজিত ‘মিট দ্য ওকাব’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন । আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ওকাব।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কিছুটা অপব্যবহার ও কিছুটা দুর্ব্যবহার হয়েছে বলে স্বীকার করেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, এর কারণে একটা ধারণা জন্মেছে যে এই আইন বাক ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রোধের উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে এর কোনোটাকেই বন্ধ বা বাদ দেওয়ার জন্য এই আইন করা হয়নি।

ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা দুজনে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীন যদি কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়, তাৎক্ষণিক সেই মামলা আদালতে গ্রহণ করে আদালত এর প্রসিডিউর শুরু করবেন না। আরেকটা আইন আছে আইসিটি অ্যাক্ট ২০০৬, সেখানে একটি সেল আছে, যারা তদন্ত করতে পারে যে মামলা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হয় কিনা। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে যে মামলা হবে, তাৎক্ষণিকভাবে সেটা সেই সেলে যাবে। সেই সেলের তদন্তের পর যদি সাব্যস্ত হয় এই যে হ্যাঁ, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যে অপরাধে নালিশ করা হয়েছে, তাতে সেই অপরাধের ইনগ্রেডিয়েন্টস (উপাদান) এই নালিশের মধ্যে আছে, তাইলেই মামলাটা নেওয়া হবে।

অফিস আদেশ জারি করার বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, এ নির্দেশনা আমরা নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে দিতে পারি না। যেটা করা হচ্ছে, তা হলো পুলিশ যেখানে গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা রাখে, সেখানে ইন্টারনালি প্রতিটি থানাতে এ রকম জানানো হয়েছে বলে আমার কাছে খবর আছে।

এক সাংবাদিক এ সময় প্রশ্ন করেন, এ জন্যই কি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পরিবর্তে রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা করা হয়েছিল? জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ যদি ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে অপরাধ না করেন, তাঁর বিরুদ্ধে কি এই আইনে মামলা হবে? রোজিনা নিশ্চয় ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের অপরাধ করেননি। সে জন্যই ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট তাঁর ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হয়নি।’

সেই সাংবাদিক আবার প্রশ্ন করেন, কিন্তু আমরা তো প্রথমে শুনেছিলাম, রোজিনা ইসলাম ছবি তুলছিলেন। সেটা ডিজিটাল ফরমেটে এসেছে। এ কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পরে শোনা যায়, আইন মন্ত্রণালয়ের একটি প্রেসস্ক্রিপশনের কারণে তাঁর বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে না করে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা করা হয়েছে।