ঢাকা ১২:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
প্রায় ১৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে কিউবার উত্তর-পশ্চিম উপকূলে আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ৮ জুন ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ৯ জুন ২০২৬ ‘ফেসবুক থেকে ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণে বাধ্য করতে আইন সংশোধন হচ্ছে’ ফরিদপুরে বিসিআইসি বাফার গুদামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন চৌধুরী নায়াব ইউসুফ নয়া দিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৪ দিনব্যাপী সীমান্ত সম্মেলন শুরু দেশে হাম ও উপসর্গ নিয়ে একদিনে ৮ শিশুর মৃত্যু প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে চার নতুন বিষয় হামে শিশু মৃত্যু: ইউনূস ও নূর জাহানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেননি আদালত

এ মাসের শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে পারব: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৭:৫১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ৩০৯ Time View

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এ মাসের শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে পারব। এজন্য সবাইকে খুব দ্রুত টিকা নিতে হবে।

রবিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমরা অনলাইনে শিক্ষা ব্যবস্থা করেছি, কিন্তু স্কুলে গিয়ে বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে ক্লাস করার যে আনন্দ সেটা থেকে বঞ্চিত ছিল শিক্ষার্থীরা। কিন্তু নতুন সংক্রমণ ওমিক্রন আসায় আবারও স্কুল বন্ধ করে দিতে হলো। আশা করি আমরা এটার খুব দ্রুত সমাধান করতে পারব।

শেখ হাসিনা বলেন, ১২ বছর বয়সীদের টিকা দিয়েছি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে টিকা কার্যক্রম যেন অব্যাহত থাকে। সবাইকে অনুরোধ ভ্যাকসিন নিয়ে নিবেন। ভ্যাকসিন নিয়ে নিলে আশা করি পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাবে না।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমরা বিনামূল্যে বই দেয়া শুরু করেছি। ২০২২ সালের ১ জানুয়ারিতেও করোনার মধ্যেও আমরা বই দিয়েছি। আমাদের প্রত্যেকটা ছেলেমেয়ে লেখাপড়া শিখুক এটা আমরা চাই। আমরা প্রত্যেকটা উপজেলায় সরকারি স্কুল করে দিয়েছি। মিড ডে মিলের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের আমরা বেশি পরিমাণ উপবৃত্তি দিচ্ছি।

তিনি বলেন, বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে, আমরা কারিগরি শিক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রেক্ষিতে যে কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে দেশ ও বিশ্বব্যাপি- সে সুযোগটা আমাদের নিতে হবে। সময় উপযোগী শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি গবেষণাকে গুরুত্ব দিতে হবে। গবেষণা করেছি বলেই বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

তিনি বলেন, প্রযুক্তি শিক্ষার জন্য আমরা সারাদেশেই মাল্টিমিডিয়া ক্লাস করে দিচ্ছি। কম্পিউটার ল্যাব করে দিচ্ছি। আমাদের সব কাজের লক্ষ্য হলো কর্মসংস্থান কীভাবে বাড়ানো যায়। মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়ন করা হয়েছে। ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে তাদের সনদের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কয়েকটি প্রজন্ম তো কিছুই জানতে পারেনি। আমরা বিজয়ের ইতিহাস না জানলে আমাদের মধ্যে আত্মমর্যাদাবোধ জন্মাবে না।

যুব সমাজ নিজেরা শুধু চাকরিমুখী হবে না। তারা উদ্যেক্তা হিসেবে গড়ে উঠবে। আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে আমরা বিশ্বের বুকেও মাথা উঁচু করে চলব- বলেন তিনি।

Tag :

প্রায় ১৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে কিউবার উত্তর-পশ্চিম উপকূলে

এ মাসের শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে পারব: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

Update Time : ০৭:৫১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এ মাসের শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে পারব। এজন্য সবাইকে খুব দ্রুত টিকা নিতে হবে।

রবিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমরা অনলাইনে শিক্ষা ব্যবস্থা করেছি, কিন্তু স্কুলে গিয়ে বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে ক্লাস করার যে আনন্দ সেটা থেকে বঞ্চিত ছিল শিক্ষার্থীরা। কিন্তু নতুন সংক্রমণ ওমিক্রন আসায় আবারও স্কুল বন্ধ করে দিতে হলো। আশা করি আমরা এটার খুব দ্রুত সমাধান করতে পারব।

শেখ হাসিনা বলেন, ১২ বছর বয়সীদের টিকা দিয়েছি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে টিকা কার্যক্রম যেন অব্যাহত থাকে। সবাইকে অনুরোধ ভ্যাকসিন নিয়ে নিবেন। ভ্যাকসিন নিয়ে নিলে আশা করি পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাবে না।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমরা বিনামূল্যে বই দেয়া শুরু করেছি। ২০২২ সালের ১ জানুয়ারিতেও করোনার মধ্যেও আমরা বই দিয়েছি। আমাদের প্রত্যেকটা ছেলেমেয়ে লেখাপড়া শিখুক এটা আমরা চাই। আমরা প্রত্যেকটা উপজেলায় সরকারি স্কুল করে দিয়েছি। মিড ডে মিলের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের আমরা বেশি পরিমাণ উপবৃত্তি দিচ্ছি।

তিনি বলেন, বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে, আমরা কারিগরি শিক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রেক্ষিতে যে কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে দেশ ও বিশ্বব্যাপি- সে সুযোগটা আমাদের নিতে হবে। সময় উপযোগী শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি গবেষণাকে গুরুত্ব দিতে হবে। গবেষণা করেছি বলেই বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

তিনি বলেন, প্রযুক্তি শিক্ষার জন্য আমরা সারাদেশেই মাল্টিমিডিয়া ক্লাস করে দিচ্ছি। কম্পিউটার ল্যাব করে দিচ্ছি। আমাদের সব কাজের লক্ষ্য হলো কর্মসংস্থান কীভাবে বাড়ানো যায়। মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়ন করা হয়েছে। ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে তাদের সনদের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কয়েকটি প্রজন্ম তো কিছুই জানতে পারেনি। আমরা বিজয়ের ইতিহাস না জানলে আমাদের মধ্যে আত্মমর্যাদাবোধ জন্মাবে না।

যুব সমাজ নিজেরা শুধু চাকরিমুখী হবে না। তারা উদ্যেক্তা হিসেবে গড়ে উঠবে। আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে আমরা বিশ্বের বুকেও মাথা উঁচু করে চলব- বলেন তিনি।