ঢাকা ০৪:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রথমে ডেল্টা, এরপর ওমিক্রন, এরপর নতুন কোনো ভ্যারিয়েন্ট আসতে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বর্তমানে দেশে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে এলেও একেবারে চলে যায়নি। তাই এখনও সবাইকে সচেতন থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
রবিবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রথমে ডেল্টা, এরপর ওমিক্রন, এরপর নতুন কোনো ভাইরাস (ভ্যারিয়েন্ট) আসতে পারে। এ জন্য আমাদের আগে থেকেই প্রস্তুত থাকতে হবে।
তিনি বলেন, করোনা মোকাবিলায় চিকিৎসকরাই সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ছিল। তাদের মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় এই করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়েছে। করোনা নিয়ন্ত্রণে আমাদের চিকিৎসকরা মৃত্যুকে ভয় না করে রোগীর সেবা নিশ্চিত করেছেন। অন্যান্য বাহিনীও তাদের জায়গা থেকে সহযোগিতা করেছেন। গোটা জাতি একসঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়ায় মহামারি আটকানো সম্ভব হয়েছে। ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করেছে। যে কারণে সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার অনেক কম হয়েছে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. সাইফুল হাসান বাদলসহ চিকিৎসাখাতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
Tag :
জনপ্রিয়

প্রথমে ডেল্টা, এরপর ওমিক্রন, এরপর নতুন কোনো ভ্যারিয়েন্ট আসতে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Update Time : ০৬:০০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ মার্চ ২০২২
বর্তমানে দেশে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে এলেও একেবারে চলে যায়নি। তাই এখনও সবাইকে সচেতন থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
রবিবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রথমে ডেল্টা, এরপর ওমিক্রন, এরপর নতুন কোনো ভাইরাস (ভ্যারিয়েন্ট) আসতে পারে। এ জন্য আমাদের আগে থেকেই প্রস্তুত থাকতে হবে।
তিনি বলেন, করোনা মোকাবিলায় চিকিৎসকরাই সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ছিল। তাদের মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় এই করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়েছে। করোনা নিয়ন্ত্রণে আমাদের চিকিৎসকরা মৃত্যুকে ভয় না করে রোগীর সেবা নিশ্চিত করেছেন। অন্যান্য বাহিনীও তাদের জায়গা থেকে সহযোগিতা করেছেন। গোটা জাতি একসঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়ায় মহামারি আটকানো সম্ভব হয়েছে। ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করেছে। যে কারণে সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার অনেক কম হয়েছে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. সাইফুল হাসান বাদলসহ চিকিৎসাখাতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।