ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
হামে শিশু মৃত্যু: ইউনূস ও নূর জাহানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেননি আদালত হামে শিশু মৃত্যু: ড. ইউনূস-নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ইরান থেকে নতুন করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের ভূখণ্ডের দিকে শনাক্ত: : আইডিএফ রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার ও তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম একলাফে ব্যারেলপ্রতি তিন ডলারেরও বেশি বেড়ে গেছে তেহরানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব ধরনের ফ্লাইট স্থগিত করেছে ইরান জেরুজালেমসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় অনবরত বাজছে যুদ্ধকালীন সতর্কতা সাইরেন, আকাশসীমা বন্ধ তেহরানসহ দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহরে তীব্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল, যুদ্ধ ফের তীব্র হওয়ার শঙ্কা ভুটানে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশসহ এশিয়ার পাঁচটি দেশ ফিলিপাইনের ভূমিকম্পের জেরে প্রতিবেশী দেশ ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে সুনামি

রিমান্ড শেষে আদালতে তোলা হচ্ছে পি কে হালদারকে

বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে হাজার কোটি টাকা লুটকারী প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার এবং তার পরিবারকে কলকাতার নগর ও দায়রা আদালতে তোলা হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার তাদের আদালতে তোলার কথা রয়েছে।

গত শনিবার (১৪ মে) পি কে হালদার এবং তার পরিবারের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করে ইডি। ওই দিনই কলকাতার এই আদালতে তুলে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালতের বিশেষ কোড সোমবার (১৬ মে) পর্যন্ত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সে হিসেবে ১৬ মে রিমান্ড শেষ হয় তাদের।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, আজ পি কে হালদারসহ বাকিদের নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষার পরে বিশেষ আদালতে তোলা হবে। ‌

ভারতের আর্থিক দুর্নীতিবিষয়ক তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টর (ইডি) পিকে হালদারের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিংসহ একাধিক ধারায় মামলা করেছে।

ইতোমধ্যে তিন দিনের জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হয়েছে তিন দেশের তিনটি পাসপোর্ট বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন এবং বহু মোবাইলের সিম কার্ড।

গোয়েন্দাদের তদন্তে সহযোগিতা করছেন পিকে হালদার। তবে সোমবারই তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন গণমাধ্যমের সামনে।

এদিকে পি কে হালদারকে কোনো রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি সাহায্য করেছিলেন কি না- সে বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে ইতোমধ্যেই মাঠে নেমেছে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা।

গ্রেফতারকৃত পি কে হালদারের কাছ থেকে তথ্য পেয়েই এমন ৪০ জনের নামের তালিকা প্রস্তুত করেছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। সেই তালিকায় যেমন রয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রয়েছেন বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী। এ ছাড়া কয়েকজন জমির দালাল এবং ব্যাংক কর্মকর্তা রয়েছেন।

ইতোমধ্যে দুটি বেসরকারি ব্যাংকের সাথে কথা বলেছেন গোয়েন্দারা। ওই দুটি ব্যাংকের সন্দেহজনক লেনদেনের সন্ধান পেয়েছেন গোয়েন্দারা।

Tag :

হামে শিশু মৃত্যু: ইউনূস ও নূর জাহানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেননি আদালত

রিমান্ড শেষে আদালতে তোলা হচ্ছে পি কে হালদারকে

Update Time : ০৫:৪৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২

বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে হাজার কোটি টাকা লুটকারী প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার এবং তার পরিবারকে কলকাতার নগর ও দায়রা আদালতে তোলা হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার তাদের আদালতে তোলার কথা রয়েছে।

গত শনিবার (১৪ মে) পি কে হালদার এবং তার পরিবারের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করে ইডি। ওই দিনই কলকাতার এই আদালতে তুলে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালতের বিশেষ কোড সোমবার (১৬ মে) পর্যন্ত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সে হিসেবে ১৬ মে রিমান্ড শেষ হয় তাদের।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, আজ পি কে হালদারসহ বাকিদের নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষার পরে বিশেষ আদালতে তোলা হবে। ‌

ভারতের আর্থিক দুর্নীতিবিষয়ক তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টর (ইডি) পিকে হালদারের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিংসহ একাধিক ধারায় মামলা করেছে।

ইতোমধ্যে তিন দিনের জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হয়েছে তিন দেশের তিনটি পাসপোর্ট বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন এবং বহু মোবাইলের সিম কার্ড।

গোয়েন্দাদের তদন্তে সহযোগিতা করছেন পিকে হালদার। তবে সোমবারই তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন গণমাধ্যমের সামনে।

এদিকে পি কে হালদারকে কোনো রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি সাহায্য করেছিলেন কি না- সে বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে ইতোমধ্যেই মাঠে নেমেছে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা।

গ্রেফতারকৃত পি কে হালদারের কাছ থেকে তথ্য পেয়েই এমন ৪০ জনের নামের তালিকা প্রস্তুত করেছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। সেই তালিকায় যেমন রয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রয়েছেন বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী। এ ছাড়া কয়েকজন জমির দালাল এবং ব্যাংক কর্মকর্তা রয়েছেন।

ইতোমধ্যে দুটি বেসরকারি ব্যাংকের সাথে কথা বলেছেন গোয়েন্দারা। ওই দুটি ব্যাংকের সন্দেহজনক লেনদেনের সন্ধান পেয়েছেন গোয়েন্দারা।