ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে রাশিয়ার একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১১ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানী কিয়েভসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়।
ইউক্রেনের জরুরি পরিষেবার তরফে জানা গেছে, রাশিয়ার সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১১ জন নিহত ও আরও ১১ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে, ইউক্রেনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, একদিনে কিয়েভ ও বাখমুতসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। তাদের বাহিনী রাশিয়ার ছোড়া ৫৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ৪৭টি ধ্বংস করেছে।
জেনারেল ভ্যালেরি জালুঝনি টেলিগ্রামে এক পোস্টে বলেছেন, মস্কো অন্যান্য মডেলের সঙ্গে কে-৪৭ কিনজহাল হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহার করেছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ২০টি রাজধানী কিয়েভের আশপাশে গুলি করে ভূপাতিত করা হয়।
‘রাশিয়া ইউক্রেনীয়দের ওপর মানসিক চাপ প্রয়োগ করছে। একইসঙ্গে অবকাঠামো ধ্বংস করছে। তবে আমরা ভাঙব না’- জালুঝনি যোগ করেন।
এদিকে কয়েক মাস ধরে অনিশ্চয়তার পর অবশেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি ইউক্রেনে ট্যাংক পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। কিয়েভের আশা প্রতিরোধ যুদ্ধে গেম-চেঞ্জার হিসেবে কাজ করবে এই রসদ সরবরাহ।
ধারণা করা হচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন কমপক্ষে ৩০টি এম-১ আব্রামস ট্যাংক পাঠাবে। অন্যদিকে, ইউক্রেনকে লেপার্ড-২ ট্যাংক দেওয়ার বিষয়ে রাজি হয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ। জার্মানি ইউক্রেনকে কমপক্ষে ১৪টি লেপার্ড-২ ট্যাংক সরবরাহ করবে বলে জানা যাচ্ছে।
এসব ঘোষণা আসার পরপরই মিসাইল হামলা জোরদার করলো ক্রেমলিন।
সূত্র: এএফপি, এনডিটিভি
আন্তজার্তিক ডেস্ক 



















