ব্রাজিলের দক্ষিণ-পূর্বের উপকূলীয় অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের জেরে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে ৩৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় শতাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, সাও পাওলো রাজ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে- বন্যা ও ভূমিধসে ৫৬৬ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। হতাহতদের খোঁজে অভিযান চলছে। এ রাজ্যটির উপকূলীয় এলাকায় ছয়শ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে।
রয়টার্স বলছে, দুর্যোগের পর হতাহতদের খোঁজে উদ্ধারকর্মীরা সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোর মধ্যে পুনরায় সংযোগ চালু এবং রাস্তা পরিষ্কারের কাজও চলছে। এছাড়া যোগাযোগ বন্ধ হয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়া কিছু এলাকায় কার্নিভাল উদযাপনের জন্য ব্রাজিলে ভ্রমণকারী অনির্ধারিত সংখ্যক পর্যটক আটকা পড়েছেন বলেও খবর বের হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সাও পাওলোর উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে।
যদি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকে তাহলে সিভিল ডিফেন্স এবং ফায়ার ডিপার্টমেন্টের উদ্ধারকারী দলের উদ্ধার তৎপরতা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে এবং এতে করে প্রাণহানির সংখ্যা আরও বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা, অবকাঠামো পুনরুদ্ধার এবং পুনর্গঠন কাজ শুরু করার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে ব্রাজিলের ফেডারেল সরকার। অন্যদিকে সাও পাওলো প্রদেশ সেখানকার ছয়টি শহরের জন্য ১৮০ দিনের বিপর্যয়কর সময় ঘোষণা করেছে।
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুয়িজ ইনাসিও লুলা দ্য সিলভা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, সোমবার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করতে যাবেন তিনি।
আন্তজার্তিক ডেস্ক 



















