ঢাকা ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জ্বালানি তেল রপ্তানি বন্ধ করেছে চীন: এশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ সংকট আরও বাড়তে পারে জামায়াতের মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান ডিবি হেফাজতে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ গেলো আরও ৪ শিশুর ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার রোডম্যাপ জানাবেন শেখ হাসিনা বাল্টিক অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে ন্যাটোকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ১ অক্টোবর ২০২৬ ফরিদপুরে দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: শতভাগ সিসিটিভি ক্যামেরা নিশ্চিত করার নির্দেশ পুলিশ সুপারের মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হলেন ফাতিমা জাহরা

হরতালে কঠোর থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর রোববার থেকে শুরু হওয়া দুদিনের হরতালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে। বিএনপি-জামায়াতসহ সমমনা রাজনৈতিক দল সরকারের পদত্যাগ ও তফশিল প্রত্যাখ্যান করে এ হরতাল আহ্বান করে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, বিরোধীদের দুদিনের এ হরতালকে কেন্দ্র করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় তারা জিরো টলারেন্স নীতিতে মাঠে থাকবেন। ইতোমধ্যে নিরাপত্তা ছক তৈরি করেছেন তারা। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সারা দেশে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটকে কঠোর অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হরতালে র‌্যাবও কৌশলী অবস্থানে থাকবে। পুলিশের পাশাপাশি এপিবিএন, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা মাঠে থাকবেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) অপারেশন্স মো. আনোয়ার হোসেন যুগান্তরকে বলেন, ‘২৮ অক্টোবরের আগ থেকেই আমরা মাঠে কাজ করছি, একইভাবে কার্যক্রম চলতে থাকবে। পুলিশের তৎপরতাও বাড়বে। যেখানে অপরাধের ঘটনা ঘটবে, সেখানেই পুলিশ যাবে।

এদিকে চলমান রাজনৈতিক সংকটে জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় কৌশলী অবস্থান নিয়েছে র‌্যাব। রোববার ও সোমবারের হরতালে টহল অভিযানের পাশাপাশি ছদ্মবেশেও রাজপথে অবস্থান করবেন বাহিনীর সদস্যরা।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, জনগণের জানমাল নিরাপত্তায় যত রকম ব্যবস্থা আছে আমরা তা নিশ্চিত করব। বাস, গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আমরা যাত্রীবেশেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবস্থান নেব। এর আগেও আমরা এভাবে ছদ্মবেশে অবস্থান নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, ছদ্মবেশে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান, সাদা পোশাকে ও যাত্রীবেশে গণপরিবহণে অবস্থানের র‌্যাবের এই কার্যক্রম চলমান থাকবে। হামলা হতে পারে এমন স্থানগুলো শনাক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে বাস মালিকদের সঙ্গে বসে সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

জানা যায়, রাজধানীবাসীর নিরাপত্তায় ঢাকা মহানগর পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রায় ৪০ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবেন। রাজধানীর ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট চিহ্নিত করে সেসব স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সাদা পোশাকে, ইউনিফর্মে, প্যাট্রল, মোবাইল- সবভাবেই অবস্থান করবে পুলিশ। বাসে অগ্নিকাণ্ড ঠেকাতে বাস মালিক ও যাত্রীদের সহায়তা চেয়েছে ডিএমপি।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ড. খ. মহিদ উদ্দিন শনিবার রাতে যুগান্তরকে বলেন, যারা পরিবহণ সেক্টরে আছেন, তাদের বলা হয়েছে যতটা সম্ভব নিজস্ব লোক যেন গাড়িতে রাখেন। আমাদের পক্ষ থেকে গাড়ির ভেতর ছবি তোলা থেকে শুরু করে যা যা করা দরকার, আমরা সেগুলো করব।

Tag :

জ্বালানি তেল রপ্তানি বন্ধ করেছে চীন: এশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ সংকট আরও বাড়তে পারে

হরতালে কঠোর থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

Update Time : ০৫:১৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৩

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর রোববার থেকে শুরু হওয়া দুদিনের হরতালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে। বিএনপি-জামায়াতসহ সমমনা রাজনৈতিক দল সরকারের পদত্যাগ ও তফশিল প্রত্যাখ্যান করে এ হরতাল আহ্বান করে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, বিরোধীদের দুদিনের এ হরতালকে কেন্দ্র করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় তারা জিরো টলারেন্স নীতিতে মাঠে থাকবেন। ইতোমধ্যে নিরাপত্তা ছক তৈরি করেছেন তারা। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সারা দেশে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটকে কঠোর অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হরতালে র‌্যাবও কৌশলী অবস্থানে থাকবে। পুলিশের পাশাপাশি এপিবিএন, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা মাঠে থাকবেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) অপারেশন্স মো. আনোয়ার হোসেন যুগান্তরকে বলেন, ‘২৮ অক্টোবরের আগ থেকেই আমরা মাঠে কাজ করছি, একইভাবে কার্যক্রম চলতে থাকবে। পুলিশের তৎপরতাও বাড়বে। যেখানে অপরাধের ঘটনা ঘটবে, সেখানেই পুলিশ যাবে।

এদিকে চলমান রাজনৈতিক সংকটে জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় কৌশলী অবস্থান নিয়েছে র‌্যাব। রোববার ও সোমবারের হরতালে টহল অভিযানের পাশাপাশি ছদ্মবেশেও রাজপথে অবস্থান করবেন বাহিনীর সদস্যরা।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, জনগণের জানমাল নিরাপত্তায় যত রকম ব্যবস্থা আছে আমরা তা নিশ্চিত করব। বাস, গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আমরা যাত্রীবেশেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবস্থান নেব। এর আগেও আমরা এভাবে ছদ্মবেশে অবস্থান নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, ছদ্মবেশে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান, সাদা পোশাকে ও যাত্রীবেশে গণপরিবহণে অবস্থানের র‌্যাবের এই কার্যক্রম চলমান থাকবে। হামলা হতে পারে এমন স্থানগুলো শনাক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে বাস মালিকদের সঙ্গে বসে সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

জানা যায়, রাজধানীবাসীর নিরাপত্তায় ঢাকা মহানগর পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রায় ৪০ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবেন। রাজধানীর ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট চিহ্নিত করে সেসব স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সাদা পোশাকে, ইউনিফর্মে, প্যাট্রল, মোবাইল- সবভাবেই অবস্থান করবে পুলিশ। বাসে অগ্নিকাণ্ড ঠেকাতে বাস মালিক ও যাত্রীদের সহায়তা চেয়েছে ডিএমপি।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ড. খ. মহিদ উদ্দিন শনিবার রাতে যুগান্তরকে বলেন, যারা পরিবহণ সেক্টরে আছেন, তাদের বলা হয়েছে যতটা সম্ভব নিজস্ব লোক যেন গাড়িতে রাখেন। আমাদের পক্ষ থেকে গাড়ির ভেতর ছবি তোলা থেকে শুরু করে যা যা করা দরকার, আমরা সেগুলো করব।