ঢাকা ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জ্বালানি তেল রপ্তানি বন্ধ করেছে চীন: এশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ সংকট আরও বাড়তে পারে জামায়াতের মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান ডিবি হেফাজতে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ গেলো আরও ৪ শিশুর ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার রোডম্যাপ জানাবেন শেখ হাসিনা বাল্টিক অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে ন্যাটোকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ১ অক্টোবর ২০২৬ ফরিদপুরে দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: শতভাগ সিসিটিভি ক্যামেরা নিশ্চিত করার নির্দেশ পুলিশ সুপারের মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হলেন ফাতিমা জাহরা

ভূমি ব্যবহারে প্রতি উপজেলায় মাস্টারপ্ল্যান করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রত্যেক উপজেলায় একটি মাস্টারপ্ল্যান (মহাপরিকল্পনা) তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (২৭ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা দেন। সকালে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের ব্রিফ করার সময় বলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলাকে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করতে নির্দেশনা দেন।

তিনি বলেন, আলোচনার চলার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তরফ থেকে একটি নির্দেশনা এসেছে, সেটি হলো যে ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের প্রত্যেক উপজেলার যেন একটি মাস্টারপ্ল্যান থাকে। উনি নির্দেশনা দিয়েছেন এখন স্থানীয় সরকার বিভাগ কাজ করবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, তারা এ লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছেন। সেক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, স্বল্পতম সময়ের মধ্যে যেন কাজটি সম্পন্ন হয়। এটা থাকলে আমাদের যে উন্নয়ন কাজ হচ্ছে, সেক্ষেত্রে ভূমি ব্যবহার খুবই যৌক্তিক হবে। যত্রতত্র যেন ঘরবাড়ি, শিল্প স্থাপন কিংবা অন্য কোনোভাবে ব্যবহার করা না হয়, সেদিকে নজর রাখতে বলছেন। এতে ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের একটা শৃঙ্খলা আসবে।

বার্ষিক প্রতিবেদন নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রতি অর্থবছর শেষে আমাদের রুলস অব বিজনেস অনুসারে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে সব মন্ত্রণালয় থেকে তথ্য নিয়ে বার্ষিক প্রতিবেদন তৈরি করতে হয়। সব মন্ত্রণালয় যেমন বার্ষিক প্রতিবেদন তৈরি করে, আবার সব মন্ত্রণালয়ের তথ্য নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করতে হয়। আজকে সেই প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে গেল একবছরে যেসব কাজ হয়েছে, তার একটি বিবরণ সেখানে আছে।

তিনি বলেন, সেটি উপস্থাপন করার পর আমরা দেখেছি, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে কিছু সংশোধনীর জন্য তারা অনুরোধে করেছে। আমরা বলেছি, সাত দিন সময় দেওয়া হয়েছে, এ সময়ের মধ্যে তাদের পক্ষ থেকে যদি কোনো সংশোধনী থাকে, সেটা দিতে পারবে। সেটি পাওয়ার এক সপ্তাহ পরে আমরা পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন মন্ত্রিসভায় পাঠিয়ে দেব।

Tag :

জ্বালানি তেল রপ্তানি বন্ধ করেছে চীন: এশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ সংকট আরও বাড়তে পারে

ভূমি ব্যবহারে প্রতি উপজেলায় মাস্টারপ্ল্যান করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

Update Time : ০৬:৩২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৩

ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রত্যেক উপজেলায় একটি মাস্টারপ্ল্যান (মহাপরিকল্পনা) তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (২৭ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা দেন। সকালে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের ব্রিফ করার সময় বলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলাকে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করতে নির্দেশনা দেন।

তিনি বলেন, আলোচনার চলার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তরফ থেকে একটি নির্দেশনা এসেছে, সেটি হলো যে ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের প্রত্যেক উপজেলার যেন একটি মাস্টারপ্ল্যান থাকে। উনি নির্দেশনা দিয়েছেন এখন স্থানীয় সরকার বিভাগ কাজ করবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, তারা এ লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছেন। সেক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, স্বল্পতম সময়ের মধ্যে যেন কাজটি সম্পন্ন হয়। এটা থাকলে আমাদের যে উন্নয়ন কাজ হচ্ছে, সেক্ষেত্রে ভূমি ব্যবহার খুবই যৌক্তিক হবে। যত্রতত্র যেন ঘরবাড়ি, শিল্প স্থাপন কিংবা অন্য কোনোভাবে ব্যবহার করা না হয়, সেদিকে নজর রাখতে বলছেন। এতে ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের একটা শৃঙ্খলা আসবে।

বার্ষিক প্রতিবেদন নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রতি অর্থবছর শেষে আমাদের রুলস অব বিজনেস অনুসারে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে সব মন্ত্রণালয় থেকে তথ্য নিয়ে বার্ষিক প্রতিবেদন তৈরি করতে হয়। সব মন্ত্রণালয় যেমন বার্ষিক প্রতিবেদন তৈরি করে, আবার সব মন্ত্রণালয়ের তথ্য নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করতে হয়। আজকে সেই প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে গেল একবছরে যেসব কাজ হয়েছে, তার একটি বিবরণ সেখানে আছে।

তিনি বলেন, সেটি উপস্থাপন করার পর আমরা দেখেছি, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে কিছু সংশোধনীর জন্য তারা অনুরোধে করেছে। আমরা বলেছি, সাত দিন সময় দেওয়া হয়েছে, এ সময়ের মধ্যে তাদের পক্ষ থেকে যদি কোনো সংশোধনী থাকে, সেটা দিতে পারবে। সেটি পাওয়ার এক সপ্তাহ পরে আমরা পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন মন্ত্রিসভায় পাঠিয়ে দেব।