ঢাকা ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞাপন দিয়েও হামাসের ধর্ষণের প্রমাণ পাচ্ছে না ইসরাইলিরা

ইসরাইলিরা বেশ জোরেসোরে প্রচার করছিল যে গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন ৭ অক্টোবরের অভিযানের সময় যৌন হামলা করেছিল। কিন্তু এত দিন পরও ইসরাইলি পুলিশ ধর্ষণের শিকার কাউকে পায়নি বা কোনো প্রত্যক্ষদর্শীও পায়নি। ইসরাইলর হারেৎজ পত্রিকায় এ খবর প্রকাশিত হয়েছে।

পত্রিকাটি জানায়, দক্ষিণ ইসরাইলে ৭ অক্টোবরের অভিযানের সময় হামাসের করা যৌন হামলার কয়েকটি সাক্ষ্য পুলিশ যোগাড় করেছে। কিন্তু তারা কোনো শিকার কাউকে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করতে পারেনি বা কেউ তা দেখেছে, তা জানতে পারেনি।

পত্রিকাটি জানায়, নিউ ইয়র্ক টাইমসসহ যেসব ইসরাইলি ও বিদেশী মিডিয়া কথিত ওই যৌন হামলার খবর প্রকাশ করেছে, সেগুলো আসলে ‘এস’ (S) নামে অভিহিত এক ইসরাইলি তরুণীর সাক্ষীর ভিত্তিতে করা হয়েছে। তার সাক্ষ্যের একটি সম্পাদিত ভিডিও ক্লিপ জাতিসঙ্ঘে জমা দেয়া হয়েছে।

হারেৎজ জানায়, ইসরাইলি নারীদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের যৌন অপরাধের প্রমাণ নিয়ে এসব জটিলতার কারণে ইসরাইলি পুলিশ তদন্তকারীরা এখন তাদের সাথে যোগাযোগ করা এবং সাক্ষী দেয়ার জন্য প্রকাশ্যে আবেদন জানাচ্ছে।

হারেৎজ জানায়, ইসরাইলি নারীদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের যৌন অপরাধের প্রমাণ নিয়ে এসব জটিলতার কারণে ইসরাইলি পুলিশ তদন্তকারীরা এখন তাদের সাথে যোগাযোগ করা এবং সাক্ষী দেয়ার জন্য প্রকাশ্যে আবেদন জানাচ্ছে।

৭ অক্টোবরের কথিত যৌন অপরাধের তদন্তের দায়িত্বে নিয়োজিত এডি আদরি হারেৎজকে বলেন, পুলিশ মনে করে, হামলার শিকার নারীরা এখনো জীবিত আছে।

Tag :

বিজ্ঞাপন দিয়েও হামাসের ধর্ষণের প্রমাণ পাচ্ছে না ইসরাইলিরা

Update Time : ০৫:৫২:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৪

ইসরাইলিরা বেশ জোরেসোরে প্রচার করছিল যে গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন ৭ অক্টোবরের অভিযানের সময় যৌন হামলা করেছিল। কিন্তু এত দিন পরও ইসরাইলি পুলিশ ধর্ষণের শিকার কাউকে পায়নি বা কোনো প্রত্যক্ষদর্শীও পায়নি। ইসরাইলর হারেৎজ পত্রিকায় এ খবর প্রকাশিত হয়েছে।

পত্রিকাটি জানায়, দক্ষিণ ইসরাইলে ৭ অক্টোবরের অভিযানের সময় হামাসের করা যৌন হামলার কয়েকটি সাক্ষ্য পুলিশ যোগাড় করেছে। কিন্তু তারা কোনো শিকার কাউকে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করতে পারেনি বা কেউ তা দেখেছে, তা জানতে পারেনি।

পত্রিকাটি জানায়, নিউ ইয়র্ক টাইমসসহ যেসব ইসরাইলি ও বিদেশী মিডিয়া কথিত ওই যৌন হামলার খবর প্রকাশ করেছে, সেগুলো আসলে ‘এস’ (S) নামে অভিহিত এক ইসরাইলি তরুণীর সাক্ষীর ভিত্তিতে করা হয়েছে। তার সাক্ষ্যের একটি সম্পাদিত ভিডিও ক্লিপ জাতিসঙ্ঘে জমা দেয়া হয়েছে।

হারেৎজ জানায়, ইসরাইলি নারীদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের যৌন অপরাধের প্রমাণ নিয়ে এসব জটিলতার কারণে ইসরাইলি পুলিশ তদন্তকারীরা এখন তাদের সাথে যোগাযোগ করা এবং সাক্ষী দেয়ার জন্য প্রকাশ্যে আবেদন জানাচ্ছে।

হারেৎজ জানায়, ইসরাইলি নারীদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের যৌন অপরাধের প্রমাণ নিয়ে এসব জটিলতার কারণে ইসরাইলি পুলিশ তদন্তকারীরা এখন তাদের সাথে যোগাযোগ করা এবং সাক্ষী দেয়ার জন্য প্রকাশ্যে আবেদন জানাচ্ছে।

৭ অক্টোবরের কথিত যৌন অপরাধের তদন্তের দায়িত্বে নিয়োজিত এডি আদরি হারেৎজকে বলেন, পুলিশ মনে করে, হামলার শিকার নারীরা এখনো জীবিত আছে।