ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হামাসের টানেলের মাত্র ২০ শতাংশ ধ্বংস করতে পেরেছে দখলদার ইসরায়েলের বাহিনী

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৯:৪৪:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৪
  • ১৮৩ Time View

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় চার মাস হতে চললো ইসরায়েল ও হামাসের যুদ্ধ। সেখানে ইসরায়েল বাহিনী এখনও চালিয়ে যাচ্ছে ইতিহাসের বর্বরতম হামলা। সেই হামলায় প্রায় পুরো গাজা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলেও হামাসের টানেলের মাত্র ২০ শতাংশ ধ্বংস করতে পেরেছে দখলদার বাহিনীটি। অর্থ্যাৎ, এখনও ৮০ শতাংশ হামাসের টানেল অক্ষত রয়েছে।

রোববার মার্কিন ও ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে গাজায় ইসরায়েলের তীব্র হামলার সত্ত্বেও হামাসের সুড়ঙ্গের জটিল নেটওয়ার্কের ২০ শতাংশও ক্ষতি হয়নি। এর ৮০ শতাংশ এখনও অক্ষত রয়েছে। আমেরিকান ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলেছেন, ইসরায়েলি হামলা সত্ত্বেও হামাসের কয়েকশ কিলোমিটার সুড়ঙ্গের বেশিরভাগ অংশ এখনও সুরক্ষিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের জন্য হামাসের সিনিয়র নেতাদের বন্দী এবং ইসরায়েলি বন্দীদের উদ্ধারের জন্য টানেল নিষ্ক্রিয় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা হামাস টানেলের সঠিক তথ্য জানেন না। তারা অনুমান করেন যে, টানেল সিস্টেমের ২০ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বা অকার্যকর হয়ে গেছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, বেশিরভাগ ক্ষতিগ্রস্ত বা অব্যবহৃত টানেল উত্তর গাজা উপত্যকায় অবস্থিত। এখন ইসরায়েলকে হামাস নির্মূল বা জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার যেকোনো একটি বিষয় ভাবতে হতে পারে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, বেশিরভাগ ক্ষতিগ্রস্ত বা অব্যবহৃত টানেল উত্তর গাজা উপত্যকায় অবস্থিত। এখন ইসরায়েলকে হামাস নির্মূল বা জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার যেকোনো একটি বিষয় ভাবতে হতে পারে।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস। এই হামলায় ১ হাজার ১৪০ জনের মতো নিহত হন। আটক করে গাজায় নিয়ে আসা হয় প্রায় ২৪০ জনকে।

জবাবে ৭ অক্টোবর থেকেই গাজায় নির্বিচার হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, উপত্যকাটিতে ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ২৬ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের বেশির ভাগই শিশু ও নারী।

Tag :

হামাসের টানেলের মাত্র ২০ শতাংশ ধ্বংস করতে পেরেছে দখলদার ইসরায়েলের বাহিনী

Update Time : ০৯:৪৪:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৪

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় চার মাস হতে চললো ইসরায়েল ও হামাসের যুদ্ধ। সেখানে ইসরায়েল বাহিনী এখনও চালিয়ে যাচ্ছে ইতিহাসের বর্বরতম হামলা। সেই হামলায় প্রায় পুরো গাজা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলেও হামাসের টানেলের মাত্র ২০ শতাংশ ধ্বংস করতে পেরেছে দখলদার বাহিনীটি। অর্থ্যাৎ, এখনও ৮০ শতাংশ হামাসের টানেল অক্ষত রয়েছে।

রোববার মার্কিন ও ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে গাজায় ইসরায়েলের তীব্র হামলার সত্ত্বেও হামাসের সুড়ঙ্গের জটিল নেটওয়ার্কের ২০ শতাংশও ক্ষতি হয়নি। এর ৮০ শতাংশ এখনও অক্ষত রয়েছে। আমেরিকান ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলেছেন, ইসরায়েলি হামলা সত্ত্বেও হামাসের কয়েকশ কিলোমিটার সুড়ঙ্গের বেশিরভাগ অংশ এখনও সুরক্ষিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের জন্য হামাসের সিনিয়র নেতাদের বন্দী এবং ইসরায়েলি বন্দীদের উদ্ধারের জন্য টানেল নিষ্ক্রিয় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা হামাস টানেলের সঠিক তথ্য জানেন না। তারা অনুমান করেন যে, টানেল সিস্টেমের ২০ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বা অকার্যকর হয়ে গেছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, বেশিরভাগ ক্ষতিগ্রস্ত বা অব্যবহৃত টানেল উত্তর গাজা উপত্যকায় অবস্থিত। এখন ইসরায়েলকে হামাস নির্মূল বা জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার যেকোনো একটি বিষয় ভাবতে হতে পারে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, বেশিরভাগ ক্ষতিগ্রস্ত বা অব্যবহৃত টানেল উত্তর গাজা উপত্যকায় অবস্থিত। এখন ইসরায়েলকে হামাস নির্মূল বা জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার যেকোনো একটি বিষয় ভাবতে হতে পারে।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস। এই হামলায় ১ হাজার ১৪০ জনের মতো নিহত হন। আটক করে গাজায় নিয়ে আসা হয় প্রায় ২৪০ জনকে।

জবাবে ৭ অক্টোবর থেকেই গাজায় নির্বিচার হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, উপত্যকাটিতে ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ২৬ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের বেশির ভাগই শিশু ও নারী।