ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের অগ্রগতি প্রশংসার দাবিদার: সোনিয়া গান্ধী

ভারতের কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী জানিয়েছেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশের অগ্রগতি প্রশংসার দাবিদার। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রশংসনীয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণকে এক শুভেচ্ছা বার্তায় বুধবার (২৪ মার্চ) তিনি এ মন্তব্য করেন।

সোনিয়া গান্ধী বলেন, বঙ্গবন্ধু তার বাংলাদেশকে ভালোবেসে স্বর্ণশিখরে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। কংগ্রেসের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক এবং বন্ধুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ইন্দিরা গান্ধী সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছেন।

সোনিয়া গান্ধী বলেন, ৫০ বছর আগে বাংলাদেশের সাহসী জনগণ এ উপমহাদেশের ইতিহাস ও ভূগোলের রূপান্তর ঘটিয়েছিল। গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অর্জন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অত্যন্ত বিস্ময়কর এবং এটি বিশ্বের স্বীকৃতি পেয়েছে।

বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সবসময় ভারত বিশেষ সম্পর্ক বজায় রেখেছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি একটি বিশেষ সম্পর্ক। কারণ, ইন্দিরা গান্ধী ১৯৭১ সালে একটি ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি ও বঙ্গবন্ধু সম্মান ও গভীর বন্ধুত্বের সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। ১৯৭১ সাল ভারতের জন্য যেমন রূপান্তরের বছর ছিল, তেমনই এটি বাংলাদেশের জন্যও রূপান্তরের বছর ছিল।

কংগ্রেস নেত্রী বলেন, এর পরপরই শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ব মঞ্চে আবির্ভূত হন— ঐতিহ্য ও বহুপাক্ষিক উদারতাবাদকে রক্ষা করার জন্য।

সোনিয়া গান্ধী বলেন, আমি এমন একজন ব্যক্তি যে ১৯৭১ সালে ইন্দিরা গান্ধীর বাসায় থেকে আমার মৃত স্বামী রাজিব গান্ধীর সঙ্গে এই রূপান্তরকে সামনে থেকে দেখেছি।  আজকের এই আনন্দের দিনে অত্যন্ত খুশির সঙ্গে শেখ হাসিনা ও তার লাখো দেশবাসীর গর্বকে সবার সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছি।

Tag :

বাংলাদেশের অগ্রগতি প্রশংসার দাবিদার: সোনিয়া গান্ধী

Update Time : ০৪:৪০:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ মার্চ ২০২১

ভারতের কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী জানিয়েছেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশের অগ্রগতি প্রশংসার দাবিদার। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রশংসনীয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণকে এক শুভেচ্ছা বার্তায় বুধবার (২৪ মার্চ) তিনি এ মন্তব্য করেন।

সোনিয়া গান্ধী বলেন, বঙ্গবন্ধু তার বাংলাদেশকে ভালোবেসে স্বর্ণশিখরে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। কংগ্রেসের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক এবং বন্ধুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ইন্দিরা গান্ধী সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছেন।

সোনিয়া গান্ধী বলেন, ৫০ বছর আগে বাংলাদেশের সাহসী জনগণ এ উপমহাদেশের ইতিহাস ও ভূগোলের রূপান্তর ঘটিয়েছিল। গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অর্জন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অত্যন্ত বিস্ময়কর এবং এটি বিশ্বের স্বীকৃতি পেয়েছে।

বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সবসময় ভারত বিশেষ সম্পর্ক বজায় রেখেছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি একটি বিশেষ সম্পর্ক। কারণ, ইন্দিরা গান্ধী ১৯৭১ সালে একটি ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি ও বঙ্গবন্ধু সম্মান ও গভীর বন্ধুত্বের সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। ১৯৭১ সাল ভারতের জন্য যেমন রূপান্তরের বছর ছিল, তেমনই এটি বাংলাদেশের জন্যও রূপান্তরের বছর ছিল।

কংগ্রেস নেত্রী বলেন, এর পরপরই শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ব মঞ্চে আবির্ভূত হন— ঐতিহ্য ও বহুপাক্ষিক উদারতাবাদকে রক্ষা করার জন্য।

সোনিয়া গান্ধী বলেন, আমি এমন একজন ব্যক্তি যে ১৯৭১ সালে ইন্দিরা গান্ধীর বাসায় থেকে আমার মৃত স্বামী রাজিব গান্ধীর সঙ্গে এই রূপান্তরকে সামনে থেকে দেখেছি।  আজকের এই আনন্দের দিনে অত্যন্ত খুশির সঙ্গে শেখ হাসিনা ও তার লাখো দেশবাসীর গর্বকে সবার সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছি।