ঢাকা ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
খুচরা বাজারে সব ধরনের চালের দামই আবার বেড়েছে, কমেছে ডিম ও মুরগির বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ১৮ জুন ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৮ জুন ২০২৬ ফরিদপুরে পশ্চিমাঞ্চল বিদ্যুৎ বিতরণ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন-সিবিএ -এর শিল্প বিরোধ উত্থাপন সভা জিয়া সৈনিক দলের কেন্দ্রীয় নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে ফরিদপুরে মানববন্ধন বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি’র ফরিদপুর জেলা ও বিভাগীয় সম্মেলন -কে ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে সাবেক মন্ত্রী ও সংবিধান রচয়িতা গৌর চন্দ্র বালার ২১ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তির পরও হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে ইংল্যান্ডের দারুণ শুরু

ট্রাম্পকে শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নতুন মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পারমাণবিক অস্ত্র ইস্যুতে আলোচনার জন্য প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রাষ্ট্রীয় টিভিতে সম্প্রচারিত এক বক্তব্যে পুতিন বলেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট এবং তার দলের সদস্যদের রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ পুনরুদ্ধারের ইচ্ছার বিষয়ে বক্তব্য শুনতে পাই।

তিনি ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রশংসা করে বলেন, আমরা অবশ্যই এই মনোভাবকে স্বাগত জানাই এবং যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে অফিসে যোগদানের জন্য অভিনন্দন জানাই।

রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, রাশিয়া নতুন প্রশাসনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ইস্যুগুলোর বিষয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত, যার মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র এবং ইউক্রেনের সংঘাত।

ইউক্রেন যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে ট্রাম্পের মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাশিয়ার অধিগ্রহণ ও দাবি গ্রহণ করতে হবে।

পুতিন আরও বলেছেন, ইউক্রেনের পরিস্থিতির সমাধানের জন্য লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি সংক্ষিপ্ত যুদ্ধবিরতি নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদী শান্তি, যা ওই অঞ্চলে বসবাসকারী সব মানুষ ও জাতির বৈধ স্বার্থের প্রতি সম্মান বজায় রাখবে।

তিনি উল্লেখ করেন, মস্কো পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং আরও বিস্তৃত নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত।

যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যকার নতুন কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস চুক্তির (নিউ স্টার্ট) মেয়াদ ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়ে যাবে। এটি বিশ্বের দুই বৃহত্তম পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের শেষ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই চুক্তি দুই দেশের কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা সীমাবদ্ধ করে এবং স্থল ও সাবমেরিন-ভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমা সরবরাহের বিষয়েও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে।

সূত্র: রয়টার্স

Tag :

খুচরা বাজারে সব ধরনের চালের দামই আবার বেড়েছে, কমেছে ডিম ও মুরগির

ট্রাম্পকে শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন

Update Time : ০৬:১৯:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নতুন মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পারমাণবিক অস্ত্র ইস্যুতে আলোচনার জন্য প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রাষ্ট্রীয় টিভিতে সম্প্রচারিত এক বক্তব্যে পুতিন বলেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট এবং তার দলের সদস্যদের রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ পুনরুদ্ধারের ইচ্ছার বিষয়ে বক্তব্য শুনতে পাই।

তিনি ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রশংসা করে বলেন, আমরা অবশ্যই এই মনোভাবকে স্বাগত জানাই এবং যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে অফিসে যোগদানের জন্য অভিনন্দন জানাই।

রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, রাশিয়া নতুন প্রশাসনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ইস্যুগুলোর বিষয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত, যার মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র এবং ইউক্রেনের সংঘাত।

ইউক্রেন যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে ট্রাম্পের মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাশিয়ার অধিগ্রহণ ও দাবি গ্রহণ করতে হবে।

পুতিন আরও বলেছেন, ইউক্রেনের পরিস্থিতির সমাধানের জন্য লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি সংক্ষিপ্ত যুদ্ধবিরতি নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদী শান্তি, যা ওই অঞ্চলে বসবাসকারী সব মানুষ ও জাতির বৈধ স্বার্থের প্রতি সম্মান বজায় রাখবে।

তিনি উল্লেখ করেন, মস্কো পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং আরও বিস্তৃত নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত।

যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যকার নতুন কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস চুক্তির (নিউ স্টার্ট) মেয়াদ ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়ে যাবে। এটি বিশ্বের দুই বৃহত্তম পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের শেষ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই চুক্তি দুই দেশের কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা সীমাবদ্ধ করে এবং স্থল ও সাবমেরিন-ভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমা সরবরাহের বিষয়েও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে।

সূত্র: রয়টার্স