ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে নামতে পারে ব্রাজিল মরক্কো ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় দুঃসংবাদ আদ্-দ্বীন থেকে রেফার্ড রোগীদের তাৎক্ষণিক ও যথাযথ চিকিৎসা দিতে ৬ হাসপাতালকে নির্দেশ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা নিজেদের প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জিতেছে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপের তৃতীয় ও শেষ পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো ম্যাচে ‘অপরাজিত’ স্বাদ পেয়েছে কানাডা জমকালো উৎসব, আলো আর বিশ্বমানের তারকাদের সুরের মূর্ছনায় সম্পন্ন হলো কানাডা পর্বের রাজকীয় উদ্বোধন এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ১২ জুন ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৩ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের নারীদের গড় আয়ু ৭৫ এবং পুরুষদের ৭১ বছর

বাংলাদেশে পুরুষের চেয়ে নারীর গড় আয়ু চার বছর বেশি বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ)। সংস্থাটির হিসেবে বাংলাদেশের নারীদের প্রত্যাশিত গড় আয়ু ৭৫ বছর। আর পুরুষের গড় আয়ু ৭১ বছর।

ইউএনএফপিএ এর নিয়মিত বার্ষিক প্রকাশনা ‘বিশ্ব জনসংখ্যা পরিস্থিতি ২০২১’-এ এই তথ্য দিয়েছে। গত সপ্তাহে ইউএনএফপিএ এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে নারীর শরীরের ওপর নারীর অধিকারকে কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৬৩ লাখ। দেশে বছরে ১ দশমিক ১ শতাংশ হারে জনসংখ্যা বাড়ছে। একজন বিবাহিত নারী প্রজনন বয়সে (১৫ থেকে ৪৯ বছর) গড়ে দুটি সন্তানের জন্ম দিচ্ছেন। দেশের মোট জনসংখ্যার ৫ দশমিক ৩ শতাংশের বয়স ৬৫ বছর বা তার বেশি।

জাতিসংঘের জনসংখ্যাবিষয়ক এই প্রতিষ্ঠান বলছে, একজন নারীর তাঁর নিজের শরীরের ওপর কতটা নিয়ন্ত্রণ আছে, তার ওপর নির্ভর করে জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে তার কতটা নিয়ন্ত্রণ থাকবে। বিশ্বব্যাপী নারীর শরীরের ওপর নারীর অধিকারের বিষয়টি অগ্রাহ্য করার নানা ধরন লক্ষ করা যায়।

প্রতিবেদনে বাংলাদেশের নারীশিক্ষা ও অধিকার বিষয়ে পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলা হয়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার উপযুক্ত বয়সী শিশুদের ৯৫ শতাংশ বিদ্যালয়ে যায়। আর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার উপযুক্ত বয়সীদের মধ্যে এই হার ৬২ শতাংশ। তবে ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগে ৫৯ শতাংশ কিশোরীর বিয়ে হয়ে যায়। স্বামীর হাতে নির্যাতনের শিকার হন ২৯ শতাংশ নারী।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের কোনো দেশ সামগ্রিকভাবে নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিত করতে পারেনি। অনেক দেশে সাংবিধানিক নিশ্চয়তা থাকার পরও পুরুষ যত আইনি অধিকার ভোগ করেন, তার ৭৫ শতাংশ ভোগ করতে পারেন নারী। সমতা নিশ্চিত হলে নারী ও মেয়েদের প্রতি সহিংস ঘটনা ঘটত না, বেতন বৈষম্য হতো না, নেতৃত্বে বৈষম্য দেখা যেত না, শারীরিক স্বাধীনতায় ঘাটতি থাকত না।

তবে প্রতিবেদনে বাংলাদেশবিষয়ক যে পরিসংখ্যান ও তথ্য দেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে সাধারণভাবে ব্যবহৃত পরিসংখ্যানের অমিল আছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বলছে, দেশে নারীর গড় আয়ু ৭৪ দশমিক ২ বছর। আর পুরুষের ৭১ দশমিক ১ বছর। অন্যদিকে বাংলাদেশে জনমিতি ও স্বাস্থ্য জরিপ বলছে, বাংলাদেশে মোট প্রজননহার (টিএফআর) ২ দশমিক ৩। তবে এই প্রতিবেদন বলছে, টিএফআর ২।

Tag :

মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে নামতে পারে ব্রাজিল

বাংলাদেশের নারীদের গড় আয়ু ৭৫ এবং পুরুষদের ৭১ বছর

Update Time : ০৮:৩৩:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১

বাংলাদেশে পুরুষের চেয়ে নারীর গড় আয়ু চার বছর বেশি বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ)। সংস্থাটির হিসেবে বাংলাদেশের নারীদের প্রত্যাশিত গড় আয়ু ৭৫ বছর। আর পুরুষের গড় আয়ু ৭১ বছর।

ইউএনএফপিএ এর নিয়মিত বার্ষিক প্রকাশনা ‘বিশ্ব জনসংখ্যা পরিস্থিতি ২০২১’-এ এই তথ্য দিয়েছে। গত সপ্তাহে ইউএনএফপিএ এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে নারীর শরীরের ওপর নারীর অধিকারকে কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৬৩ লাখ। দেশে বছরে ১ দশমিক ১ শতাংশ হারে জনসংখ্যা বাড়ছে। একজন বিবাহিত নারী প্রজনন বয়সে (১৫ থেকে ৪৯ বছর) গড়ে দুটি সন্তানের জন্ম দিচ্ছেন। দেশের মোট জনসংখ্যার ৫ দশমিক ৩ শতাংশের বয়স ৬৫ বছর বা তার বেশি।

জাতিসংঘের জনসংখ্যাবিষয়ক এই প্রতিষ্ঠান বলছে, একজন নারীর তাঁর নিজের শরীরের ওপর কতটা নিয়ন্ত্রণ আছে, তার ওপর নির্ভর করে জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে তার কতটা নিয়ন্ত্রণ থাকবে। বিশ্বব্যাপী নারীর শরীরের ওপর নারীর অধিকারের বিষয়টি অগ্রাহ্য করার নানা ধরন লক্ষ করা যায়।

প্রতিবেদনে বাংলাদেশের নারীশিক্ষা ও অধিকার বিষয়ে পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলা হয়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার উপযুক্ত বয়সী শিশুদের ৯৫ শতাংশ বিদ্যালয়ে যায়। আর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার উপযুক্ত বয়সীদের মধ্যে এই হার ৬২ শতাংশ। তবে ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগে ৫৯ শতাংশ কিশোরীর বিয়ে হয়ে যায়। স্বামীর হাতে নির্যাতনের শিকার হন ২৯ শতাংশ নারী।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের কোনো দেশ সামগ্রিকভাবে নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিত করতে পারেনি। অনেক দেশে সাংবিধানিক নিশ্চয়তা থাকার পরও পুরুষ যত আইনি অধিকার ভোগ করেন, তার ৭৫ শতাংশ ভোগ করতে পারেন নারী। সমতা নিশ্চিত হলে নারী ও মেয়েদের প্রতি সহিংস ঘটনা ঘটত না, বেতন বৈষম্য হতো না, নেতৃত্বে বৈষম্য দেখা যেত না, শারীরিক স্বাধীনতায় ঘাটতি থাকত না।

তবে প্রতিবেদনে বাংলাদেশবিষয়ক যে পরিসংখ্যান ও তথ্য দেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে সাধারণভাবে ব্যবহৃত পরিসংখ্যানের অমিল আছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বলছে, দেশে নারীর গড় আয়ু ৭৪ দশমিক ২ বছর। আর পুরুষের ৭১ দশমিক ১ বছর। অন্যদিকে বাংলাদেশে জনমিতি ও স্বাস্থ্য জরিপ বলছে, বাংলাদেশে মোট প্রজননহার (টিএফআর) ২ দশমিক ৩। তবে এই প্রতিবেদন বলছে, টিএফআর ২।