ঢাকা ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের এ স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের খবর বেশ ফলাও করে প্রচার করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৯:২৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৪১ Time View

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর বাংলাদেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে তাকে বহনকারী বিমানটি।

তারেক রহমানের এ স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের খবর বেশ ফলাও করে প্রচার করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি লিখেছে, “বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা শীর্ষ নেতা ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরেছেন।”

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা তাদের শিরোনামে লিখেছে, “১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে বিরোধী দলীয় নেতা তারেক রহমান বাংলাদেশে ফিরেছেন।”

মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য স্ট্রেইট টাইমস লিখেছে, “প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য শীর্ষ নেতা হিসেবে বিবেচিত বাংলাদেশের নেতা নির্বাচনের আগে দেশে ফিরেছেন।”

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে তারেক রহমানের ফেরার খবরের পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্লেষণ চলছে। তারা দাবি করছে, তারেক রহমানের বাংলাদেশে ফেরা ভারতের জন্য ভালো খবর। দ্য উইক তাদের শিরোনামে লিখেছে, “তারেক রহমানের ফেরা কি ভারতের জন্য ভালো খবর?” এরপর তারা এ নিয়ে নিজেদের বিশ্লেষণ দাঁড় করিয়েছে।

ইন্ডিয়া টুডে তাদের শিরোনামে লিখেছে, “খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান দেশে ফিরেছেন। কেন এটি ভারতের জন্য ভালো খরব?” তারাও তাদের মতো করে খবরের বিশ্লেষণ করেছে।

এদিকে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় করে রাখতে এবং রাজকীয় সংবর্ধনা দিতে রাজধানীর ৩০০ ফিট (পূর্বাচল) এলাকায় তৈরি করা হয়েছে এক সুবিশাল মঞ্চ। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই মঞ্চ এলাকায় লাখ লাখ নেতাকর্মীর সমাগম ঘটেছে।

Tag :

তারেক রহমানের এ স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের খবর বেশ ফলাও করে প্রচার করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো

Update Time : ০৯:২৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর বাংলাদেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে তাকে বহনকারী বিমানটি।

তারেক রহমানের এ স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের খবর বেশ ফলাও করে প্রচার করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি লিখেছে, “বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা শীর্ষ নেতা ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরেছেন।”

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা তাদের শিরোনামে লিখেছে, “১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে বিরোধী দলীয় নেতা তারেক রহমান বাংলাদেশে ফিরেছেন।”

মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য স্ট্রেইট টাইমস লিখেছে, “প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য শীর্ষ নেতা হিসেবে বিবেচিত বাংলাদেশের নেতা নির্বাচনের আগে দেশে ফিরেছেন।”

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে তারেক রহমানের ফেরার খবরের পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্লেষণ চলছে। তারা দাবি করছে, তারেক রহমানের বাংলাদেশে ফেরা ভারতের জন্য ভালো খবর। দ্য উইক তাদের শিরোনামে লিখেছে, “তারেক রহমানের ফেরা কি ভারতের জন্য ভালো খবর?” এরপর তারা এ নিয়ে নিজেদের বিশ্লেষণ দাঁড় করিয়েছে।

ইন্ডিয়া টুডে তাদের শিরোনামে লিখেছে, “খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান দেশে ফিরেছেন। কেন এটি ভারতের জন্য ভালো খরব?” তারাও তাদের মতো করে খবরের বিশ্লেষণ করেছে।

এদিকে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় করে রাখতে এবং রাজকীয় সংবর্ধনা দিতে রাজধানীর ৩০০ ফিট (পূর্বাচল) এলাকায় তৈরি করা হয়েছে এক সুবিশাল মঞ্চ। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই মঞ্চ এলাকায় লাখ লাখ নেতাকর্মীর সমাগম ঘটেছে।