ঢাকা ০৬:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
আমি সেই নামটা বলতে চাইছি না, বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে: হাদি হত্যা প্রসঙ্গে মমতা ভাঙ্গায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, নিহত ৫ ফরিদপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাবা-মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম কমেছে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ছে, ১ জুন থেকেই কার্যকর ভোলায় তোফায়েল আহমেদের জানাজায় মানুষের ঢল এসএসসি পরীক্ষার সূচি আবারও পরিবর্তন হতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আদালতে ন্যায় বিচার চাইলেন রামিসার বাবা ফরিদপুরে ট্রাকের পেছনে প্রাইভেটকারের ধাক্কা: নিহত বেড়ে ৫

বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে আর কীভাবে হবে?

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৫:৩৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১১৫ Time View

নতুন সংসদ সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হলো। তবে এই সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি কে হবেন বা কবে হবেন তা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।

শেখ হাসিনা সরকারের আমলেই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন মোঃ সাহাবুদ্দিন। গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবি ওঠে ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে। তবে এ নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছিল বিএনপি। শেষ পর্যন্ত তার কাছেই তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন নির্বাচিত সরকার শপথ গ্রহণ করেছে।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন দায়িত্ব আসেন। তার মেয়াদ রয়েছে ২০২৮ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত। ফলে ওই পদে থাকা অবস্থায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করার আইনগত সুযোগ নেই।

তবে তিন কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের সুযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে সংবিধান বিশ্লেষক জাহেদ ইকবাল বলেন, ‘শারীরিক অসুস্থতা, মানসিক কারণ কিংবা গুরুতর কোনো অসদাচরণজনিত কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হতে পারে।’

মেয়াদ শেষ, পদত্যাগ কিংবা অভিসংশনজনিত কারণে রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হলে এই নির্বাচনের আয়োজন করে থাকে নির্বাচন কমিশন।

নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা সিইসি ‘নির্বাচনী কর্তা’ হিসেবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনা করেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হলে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।

তবে পদে থাকা নিয়ে গত ডিসেম্বর মাসে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছিলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর তিনি সরে যেতে চান। কারণ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তিনি ‘অপমাণিত বোধ করছেন’।

সেখানে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি সরে যেতে চাই, আমি সরে যেতে আগ্রহী। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাওয়া উচিত। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদে থাকায় আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।’

বিশ্লেষকদের অনেকে ধারণা করছেন, সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ নেওয়া বিএনপি সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রপতি পদে পরিবর্তন আসবে। নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন তা নিয়ে নানা আলোচনাও চলছে।

মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। এরপরই নতুন সংসদে নতুন স্পিকার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতি যদি পদত্যাগপত্র জমা দেন তাহলে অভিশংসনের প্রয়োজন হবে না। তবে রাষ্ট্রপতি আগেই সরে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করায় এক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হবে না বলেই বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

Tag :

আমি সেই নামটা বলতে চাইছি না, বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে: হাদি হত্যা প্রসঙ্গে মমতা

বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে আর কীভাবে হবে?

Update Time : ০৫:৩৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নতুন সংসদ সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হলো। তবে এই সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি কে হবেন বা কবে হবেন তা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।

শেখ হাসিনা সরকারের আমলেই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন মোঃ সাহাবুদ্দিন। গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবি ওঠে ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে। তবে এ নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছিল বিএনপি। শেষ পর্যন্ত তার কাছেই তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন নির্বাচিত সরকার শপথ গ্রহণ করেছে।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন দায়িত্ব আসেন। তার মেয়াদ রয়েছে ২০২৮ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত। ফলে ওই পদে থাকা অবস্থায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করার আইনগত সুযোগ নেই।

তবে তিন কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের সুযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে সংবিধান বিশ্লেষক জাহেদ ইকবাল বলেন, ‘শারীরিক অসুস্থতা, মানসিক কারণ কিংবা গুরুতর কোনো অসদাচরণজনিত কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হতে পারে।’

মেয়াদ শেষ, পদত্যাগ কিংবা অভিসংশনজনিত কারণে রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হলে এই নির্বাচনের আয়োজন করে থাকে নির্বাচন কমিশন।

নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা সিইসি ‘নির্বাচনী কর্তা’ হিসেবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনা করেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হলে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।

তবে পদে থাকা নিয়ে গত ডিসেম্বর মাসে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছিলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর তিনি সরে যেতে চান। কারণ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তিনি ‘অপমাণিত বোধ করছেন’।

সেখানে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি সরে যেতে চাই, আমি সরে যেতে আগ্রহী। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাওয়া উচিত। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদে থাকায় আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।’

বিশ্লেষকদের অনেকে ধারণা করছেন, সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ নেওয়া বিএনপি সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রপতি পদে পরিবর্তন আসবে। নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন তা নিয়ে নানা আলোচনাও চলছে।

মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। এরপরই নতুন সংসদে নতুন স্পিকার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতি যদি পদত্যাগপত্র জমা দেন তাহলে অভিশংসনের প্রয়োজন হবে না। তবে রাষ্ট্রপতি আগেই সরে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করায় এক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হবে না বলেই বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা