ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মার্কিন সেনাদের ওপর ইরানের ভয়াবহ হামলা

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থিত মার্কিন সেনা ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইরান।

শনিবার (২৮ মার্চ) ইরানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, এই হামলায় লক্ষ্য ৫০০ মার্কিন সেনা। হামলার পর আহত সেনা ও কমান্ডারদের অ্যাম্বুলেন্সে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফতরের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাকারি জানান, ‘শক্তিশালী হামলার’ মুখে মার্কিন বাহিনী তাদের ঘাঁটি ছেড়ে দুবাইয়ের দুটি স্থানে আশ্রয় নেয়। প্রথম আশ্রয়স্থলে ৪০০-এর বেশি এবং দ্বিতীয় স্থানটিতে ১০০-এর বেশি সেনা সদস্য অবস্থান করছিলেন।

উভয় স্থানেই ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্স ও নৌবাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। মুখপাত্র দাবি করেন, এই হামলায় ‘অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে’ এবং হামলার পর কয়েক ঘণ্টা ধরে অ্যাম্বুলেন্সে করে মার্কিন সেনা ও কমান্ডারদের সরিয়ে নেওয়া হয়।

ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মার্কিন সামরিক কমান্ডারদের সতর্ক করে জানানো হচ্ছে, এই অঞ্চল ‘মার্কিন সেনাদের কবরস্থানে’ পরিণত হবে। আত্মসমর্পণই এখন তাদের সামনে একমাত্র বিকল্প।

এ ছাড়া পারস্য উপসাগরের জলসীমায় আইআরজিসি অন্তত ছয়টি মার্কিন কৌশলগত নৌযানকে লক্ষ্যবস্তু করেছে বলেও এই বার্তায় জানানো হয়। এসব হামলায় বহু মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। এক্ষেত্রেও হতাহতের সংখ্যা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানানো হয়নি।

Tag :

মার্কিন সেনাদের ওপর ইরানের ভয়াবহ হামলা

Update Time : ০৩:৪২:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থিত মার্কিন সেনা ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইরান।

শনিবার (২৮ মার্চ) ইরানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, এই হামলায় লক্ষ্য ৫০০ মার্কিন সেনা। হামলার পর আহত সেনা ও কমান্ডারদের অ্যাম্বুলেন্সে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফতরের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাকারি জানান, ‘শক্তিশালী হামলার’ মুখে মার্কিন বাহিনী তাদের ঘাঁটি ছেড়ে দুবাইয়ের দুটি স্থানে আশ্রয় নেয়। প্রথম আশ্রয়স্থলে ৪০০-এর বেশি এবং দ্বিতীয় স্থানটিতে ১০০-এর বেশি সেনা সদস্য অবস্থান করছিলেন।

উভয় স্থানেই ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্স ও নৌবাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। মুখপাত্র দাবি করেন, এই হামলায় ‘অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে’ এবং হামলার পর কয়েক ঘণ্টা ধরে অ্যাম্বুলেন্সে করে মার্কিন সেনা ও কমান্ডারদের সরিয়ে নেওয়া হয়।

ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মার্কিন সামরিক কমান্ডারদের সতর্ক করে জানানো হচ্ছে, এই অঞ্চল ‘মার্কিন সেনাদের কবরস্থানে’ পরিণত হবে। আত্মসমর্পণই এখন তাদের সামনে একমাত্র বিকল্প।

এ ছাড়া পারস্য উপসাগরের জলসীমায় আইআরজিসি অন্তত ছয়টি মার্কিন কৌশলগত নৌযানকে লক্ষ্যবস্তু করেছে বলেও এই বার্তায় জানানো হয়। এসব হামলায় বহু মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। এক্ষেত্রেও হতাহতের সংখ্যা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানানো হয়নি।