ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের ভাষণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বেড়ে গেছে জ্বালানি তেলের দাম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিশ্ববাজারে  বেড়ে গেছে জ্বালানি তেলের দাম। প্রত্যাশিত স্বস্তির পরিবর্তে তার বক্তব্যে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে আন্তর্জাতিক তেলবাজারে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের ভাষণের পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে প্রায় ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ১০৬ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের বক্তব্যে এমন কোনো সুনির্দিষ্ট আশ্বাস ছিল না যা কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে চলমান অচলাবস্থা নিরসন করতে পারে। এটিই বিশ্ববিজারে তেলের দাম বাড়ার একটি বড় কারণ হতে পারে।

বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পারস্য উপসাগরের সংকীর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন হয়। বর্তমানে ইরান এই জলপথটি কার্যত অবরুদ্ধ করে রাখায় বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার ভাষণে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, যেসব দেশের মধ্যপ্রাচ্যের তেলের প্রয়োজন রয়েছে, এই জলপথ সচল রাখার দায়িত্ব তাদেরই নিতে হবে।

ইরানের এই অবরোধের ফলে জ্বালানি তেলের বাজার এখন চরম অস্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। বর্তমান দাম ইরান-সংকট শুরুর আগের তুলনায় অনেক বেশি, এবং সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি

Tag :

ট্রাম্পের ভাষণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বেড়ে গেছে জ্বালানি তেলের দাম

Update Time : ০৩:২৯:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিশ্ববাজারে  বেড়ে গেছে জ্বালানি তেলের দাম। প্রত্যাশিত স্বস্তির পরিবর্তে তার বক্তব্যে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে আন্তর্জাতিক তেলবাজারে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের ভাষণের পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে প্রায় ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ১০৬ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের বক্তব্যে এমন কোনো সুনির্দিষ্ট আশ্বাস ছিল না যা কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে চলমান অচলাবস্থা নিরসন করতে পারে। এটিই বিশ্ববিজারে তেলের দাম বাড়ার একটি বড় কারণ হতে পারে।

বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পারস্য উপসাগরের সংকীর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন হয়। বর্তমানে ইরান এই জলপথটি কার্যত অবরুদ্ধ করে রাখায় বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার ভাষণে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, যেসব দেশের মধ্যপ্রাচ্যের তেলের প্রয়োজন রয়েছে, এই জলপথ সচল রাখার দায়িত্ব তাদেরই নিতে হবে।

ইরানের এই অবরোধের ফলে জ্বালানি তেলের বাজার এখন চরম অস্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। বর্তমান দাম ইরান-সংকট শুরুর আগের তুলনায় অনেক বেশি, এবং সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি