ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেরিতে মানুষের চাপে ৬ জনের মৃত্যু, অসুস্থ অর্ধশতাধিক

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ মে ২০২১
  • ৩৫৮ Time View

ঈদে ঘরমুখো মানুষের স্রোতে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে দুই ফেরি থেকে হুড়োহুড়ি করে নামার সময় অতিরিক্তি মানুষের চাপে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। অসুস্থ হয়েছে আরও অন্তত অর্ধশতাধিক।

 

বুধবার (১২ মে) শিমুলিয়া থেকে বাংলাবাজার যাওয়ার পথে শাহ পরান ও এনায়েতপুরী নামের দুইটি ফেরিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এরমধ্যে শাহ পরানে একজন ও এনায়েতপুরীতে পাঁচজন মারা যান।

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিরাজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার বেলা ১১টার দিকে তিন নম্বর ফেরিঘাটে শাহ পরান নামের রোরো ফেরিটি ভিড়লে নামার সময় যাত্রীদের চাপে আনছার মাদবর নামের এক কিশোর যাত্রীদের চাপে অসুস্থ হয়ে ফেরির পন্টুনেই মারা যায়। তার বাড়ি শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার কালিকা প্রসাদ গ্রামে।

অন্যদিকে এনায়েতপুরী ফেরিতে দুপুর দেড়টার দিকে বাংলাবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফেরি ছাড়ার সময় পন্টুনে কিছু যাত্রী দাঁড়ানো ছিলেন। পন্টুন উঠানোর সময় এটি খাড়া হয়ে গেলে তারা অন্য যাত্রীদের মধ্যে পড়ে যান। এসময় হুড়োহুড়ি ও গরমে তারা মারা যান বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফেরিটি বাংলাবাজারে পৌঁছালে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিকভাবে এই পাঁচজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

করোনা নিয়ন্ত্রণে গণপরিবহন বন্ধ। জেলাভিত্তিক গণপরিবহন চালু করে দিলেও বন্ধ রাখা হয়েছে দূরপাল্লার বাস, ট্রেন চলাচল ও নৌপথ। যার কারণে ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো মানুষ বিচ্ছিন্নভাবে রাজধানী ছাড়লেও ফেরিঘাটগুলোতে লাখো মানুষের স্রোতে পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে। এর আগে গত দু দিনে হুড়োহুড়ি করে ফেরিতে ওঠানামা করতে গিয়ে নদীতে পড়ে গেছে দুটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস।

Tag :
জনপ্রিয়

ফেরিতে মানুষের চাপে ৬ জনের মৃত্যু, অসুস্থ অর্ধশতাধিক

Update Time : ১০:০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ মে ২০২১

ঈদে ঘরমুখো মানুষের স্রোতে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে দুই ফেরি থেকে হুড়োহুড়ি করে নামার সময় অতিরিক্তি মানুষের চাপে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। অসুস্থ হয়েছে আরও অন্তত অর্ধশতাধিক।

 

বুধবার (১২ মে) শিমুলিয়া থেকে বাংলাবাজার যাওয়ার পথে শাহ পরান ও এনায়েতপুরী নামের দুইটি ফেরিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এরমধ্যে শাহ পরানে একজন ও এনায়েতপুরীতে পাঁচজন মারা যান।

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিরাজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার বেলা ১১টার দিকে তিন নম্বর ফেরিঘাটে শাহ পরান নামের রোরো ফেরিটি ভিড়লে নামার সময় যাত্রীদের চাপে আনছার মাদবর নামের এক কিশোর যাত্রীদের চাপে অসুস্থ হয়ে ফেরির পন্টুনেই মারা যায়। তার বাড়ি শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার কালিকা প্রসাদ গ্রামে।

অন্যদিকে এনায়েতপুরী ফেরিতে দুপুর দেড়টার দিকে বাংলাবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফেরি ছাড়ার সময় পন্টুনে কিছু যাত্রী দাঁড়ানো ছিলেন। পন্টুন উঠানোর সময় এটি খাড়া হয়ে গেলে তারা অন্য যাত্রীদের মধ্যে পড়ে যান। এসময় হুড়োহুড়ি ও গরমে তারা মারা যান বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফেরিটি বাংলাবাজারে পৌঁছালে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিকভাবে এই পাঁচজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

করোনা নিয়ন্ত্রণে গণপরিবহন বন্ধ। জেলাভিত্তিক গণপরিবহন চালু করে দিলেও বন্ধ রাখা হয়েছে দূরপাল্লার বাস, ট্রেন চলাচল ও নৌপথ। যার কারণে ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো মানুষ বিচ্ছিন্নভাবে রাজধানী ছাড়লেও ফেরিঘাটগুলোতে লাখো মানুষের স্রোতে পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে। এর আগে গত দু দিনে হুড়োহুড়ি করে ফেরিতে ওঠানামা করতে গিয়ে নদীতে পড়ে গেছে দুটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস।