এবারের ভোটে বিজেপি এক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও এনডিএ জোট সরকার গঠনের প্রয়োজনীয় আসন পেয়েছে। শুক্রবার নরেন্দ্র মোদিকে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচনের পর শুরু হয় শপথ অনুষ্ঠানের তোড়জোড়।
শপথ অনুষ্ঠান রাঙাতে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু হয়। অনুষ্ঠানে দাওয়াত করা হয়েছে আট হাজার অতিথি। আর জমকালো অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে করতে গোটা নয়াদিল্লি মুড়ে ফেলা হয়েছে কয়েকস্তরের নিরাপত্তার চাদরে, যেমনটি করা হয়েছিল জি-৭ কোটের বৈঠকের আগে। রাষ্ট্রপতি ভবনে পাঁচ কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ান ছাড়াও এনএসজি কমান্ডো, ড্রোন এবং স্নাইপার নিয়ে বহুস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান চলার সময় যেকোনো অপরাধমূলক বা সন্ত্রাসী হুমকি রোধ করতে দিল্লিতে নো-ফ্লাই জোন ঘোষণা করা হয়েছে। সংসদীয় নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর শুক্রবার (৭ জুন) বিজেপি প্রধান জেপি নাড্ডা রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দেন। এরপর রাষ্ট্রপতি মুর্মু নরেন্দ্র মোদীকে প্রধানমন্ত্রী মনোনীত করেন। এদিন মোদী ছাড়াও শপথ নেবেন এনডিএর নতুন সরকারের মন্ত্রী পরিষদও। আন্তর্জাতিক অঙ্গন ছাড়াও দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন পেশাজীবীসহ আট হাজার স্বনামধন্য মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। মোদীর শপথে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়কেও। অনুষ্ঠানে তিনি যাবেন বলে কংগ্রেস থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে মোদীর শপথ বয়কট করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাহুল গান্ধীও থাকবেন না শপথে। চেন্নাই রেলওয়ে বিভাগের বন্দে ভারত লোকো পাইলট ঐশ্বরিয়া এস মেনন এবং এশিয়ার প্রথম মহিলা লোকো পাইলট সুরেখা যাদবকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এদিকে শপথগ্রহণের দিন সকালে রাজঘাটে ভারতের জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিসৌধের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছেন নরেন্দ্র মোদি। এরপর শ্রদ্ধা জানান সাবেক প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর স্মৃতিসৌধে।












মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।