ইরানের প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রকে সাত দিনের মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। এরপর যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করে সংঘাতের অবসান ঘটানোর পথ তৈরি হবে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে আরোপিত বিধিনিষেধও তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
ইরানের পরিকল্পনায় সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতির কথা রয়েছে। এছাড়া রোডম্যাপে গাজা ও লেবানন ও অন্তর্ভুক্ত। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের জব্দ করা অন্তত ১২ বিলিয়ন ডলার সম্পদ ছাড়তে, ইরানি তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে এবং নৌ অবরোধ তুলে নিতে বলা হয়েছে। পরিকল্পনার শেষ দিনে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার এবং একই সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনা শুরুর প্রস্তাব দিয়েছে তেহরান।
ইরানের এক নিরাপত্তা সূত্রও আল জাজিরাকে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র শর্ত ও প্রতিশ্রুতি পূরণ করলে কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
এদিকে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বলেছেন। এ সময় উত্তেজনা কমানো এবং সংলাপ শুরুর শর্ত নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
জেনেভা গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউটের আন্তর্জাতিক ইতিহাস ও রাজনীতির অধ্যাপক সাইরাস শায়েগ আল জাজিরাকে বলেন, কূটনৈতিক পরিস্থিতিতে এখনো বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। ইরান জুনের সমঝোতাকেই আলোচনার ভিত্তি হিসেবে ধরে রাখতে চাইছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র সেই কাঠামোয় ফিরে যাওয়ার বিষয়ে অনাগ্রহী।












মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।