ঢাকা ০৯:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে চার নতুন বিষয় হামে শিশু মৃত্যু: ইউনূস ও নূর জাহানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেননি আদালত হামে শিশু মৃত্যু: ড. ইউনূস-নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ইরান থেকে নতুন করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের ভূখণ্ডের দিকে শনাক্ত: : আইডিএফ রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার ও তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম একলাফে ব্যারেলপ্রতি তিন ডলারেরও বেশি বেড়ে গেছে তেহরানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব ধরনের ফ্লাইট স্থগিত করেছে ইরান জেরুজালেমসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় অনবরত বাজছে যুদ্ধকালীন সতর্কতা সাইরেন, আকাশসীমা বন্ধ তেহরানসহ দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহরে তীব্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল, যুদ্ধ ফের তীব্র হওয়ার শঙ্কা ভুটানে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশসহ এশিয়ার পাঁচটি দেশ

অপহরণের মাধ্যমে হত্যাচেষ্টা ষড়যন্ত্র মামলায় সাক্ষ্য দিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। ফাইল ছবি

অপহরণের মাধ্যমে হত্যাচেষ্টা ষড়যন্ত্র মামলায় সাংবাদিক শফিক রেহমানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আধা ঘণ্টাব্যাপী সাক্ষ্য দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।
রবিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুর ৩টা ২০ মিনিটে সিএমএম আদালতে এসে পৌঁছান তিনি।
এরপর বেলা সাড়ে তিনটার আগে সাক্ষ্য দিতে শুরু করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। আধা ঘণ্টাব্যাপী সাক্ষ্য দেওয়া শেষে বেলা ৩টা ৫৮ মিনিটে এজলাস থেকে নেমে যান তিনি। বিকেল ৪টার পরপর তিনি আদালত এলাকা ত্যাগ করেন।
সজীব ওয়াজেদ জয়ের আদালতে আগমন উপলক্ষে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয় ঢাকার সিএমএম আদালতে।
এ মামলায় বিচার শুরুর পর ইতোমধ্যে ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ৯ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
মামলার অপর আসামিরা হলেন—দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সহ-সভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ মামুন, তার ছেলে রিজভী আহাম্মেদ ওরফে সিজার এবং যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান ভূঁইয়া।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরের আগে যে কোনো সময় থেকে এ পর্যন্ত বিএনপির সাংস্কৃতিক সংগঠন জাসাসের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ মামুনসহ বিএনপি ও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটভুক্ত অন্যান্য দলের উচ্চপর্যায়ের নেতারা রাজধানীর পল্টনের জাসাস কার্যালয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার আসামিরা একত্রিত হয়ে যোগসাজশে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে যুক্তরাষ্ট্রে অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন।
ওই ঘটনায় ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফজলুর রহমান ২০১৫ সালের ৩ আগস্ট বাদী হয়ে পল্টন মডেল থানায় মামলাটি করেন। ২০১৮ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিক শফিক রেহমানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ।
Tag :

প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে চার নতুন বিষয়

অপহরণের মাধ্যমে হত্যাচেষ্টা ষড়যন্ত্র মামলায় সাক্ষ্য দিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়

Update Time : ১২:৩৫:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২২
অপহরণের মাধ্যমে হত্যাচেষ্টা ষড়যন্ত্র মামলায় সাংবাদিক শফিক রেহমানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আধা ঘণ্টাব্যাপী সাক্ষ্য দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।
রবিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুর ৩টা ২০ মিনিটে সিএমএম আদালতে এসে পৌঁছান তিনি।
এরপর বেলা সাড়ে তিনটার আগে সাক্ষ্য দিতে শুরু করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। আধা ঘণ্টাব্যাপী সাক্ষ্য দেওয়া শেষে বেলা ৩টা ৫৮ মিনিটে এজলাস থেকে নেমে যান তিনি। বিকেল ৪টার পরপর তিনি আদালত এলাকা ত্যাগ করেন।
সজীব ওয়াজেদ জয়ের আদালতে আগমন উপলক্ষে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয় ঢাকার সিএমএম আদালতে।
এ মামলায় বিচার শুরুর পর ইতোমধ্যে ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ৯ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
মামলার অপর আসামিরা হলেন—দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সহ-সভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ মামুন, তার ছেলে রিজভী আহাম্মেদ ওরফে সিজার এবং যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান ভূঁইয়া।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরের আগে যে কোনো সময় থেকে এ পর্যন্ত বিএনপির সাংস্কৃতিক সংগঠন জাসাসের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ মামুনসহ বিএনপি ও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটভুক্ত অন্যান্য দলের উচ্চপর্যায়ের নেতারা রাজধানীর পল্টনের জাসাস কার্যালয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার আসামিরা একত্রিত হয়ে যোগসাজশে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে যুক্তরাষ্ট্রে অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন।
ওই ঘটনায় ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফজলুর রহমান ২০১৫ সালের ৩ আগস্ট বাদী হয়ে পল্টন মডেল থানায় মামলাটি করেন। ২০১৮ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিক শফিক রেহমানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ।