ঢাকা ০৫:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
খুচরা বাজারে সব ধরনের চালের দামই আবার বেড়েছে, কমেছে ডিম ও মুরগির বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ১৮ জুন ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৮ জুন ২০২৬ ফরিদপুরে পশ্চিমাঞ্চল বিদ্যুৎ বিতরণ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন-সিবিএ -এর শিল্প বিরোধ উত্থাপন সভা জিয়া সৈনিক দলের কেন্দ্রীয় নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে ফরিদপুরে মানববন্ধন বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি’র ফরিদপুর জেলা ও বিভাগীয় সম্মেলন -কে ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে সাবেক মন্ত্রী ও সংবিধান রচয়িতা গৌর চন্দ্র বালার ২১ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তির পরও হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে ইংল্যান্ডের দারুণ শুরু

আবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে

আবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছে। বৃহস্পতিবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪০৩ কোটি ডলার।
তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রের।
সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (২৫ মে) দিনের শুরুতে রিজার্ভ দাঁড়ায় ২ হাজার ৯৯৩ কোটি ডলার। এরপর ব্যাংকগুলোর কাছে বিক্রি করা হয় ৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার। ফলে দিন শেষে রিজার্ভ কমে ২ হাজার ৪০৩ কোটি ডলারে দাঁড়ায়।
বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা রাজি হননি।
চলতি মে মাসের শুরুতে ডলার একবার ৩০ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ডলারের নিচে নামে। এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) মার্চ-এপ্রিল সময়ের আমদানি বিল বাবদ ১১৮ কোটি ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ কমে ৩০ বিলিয়নের নিচে নামে। এরপর বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ ছাড় হয়ে এলে খানিক বেড়ে ৩০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। এরপর বাণিজ্যিক ব্যাংকের আমদানি ব্যয় মেটাতে ডলার বিক্রি করা হলে আবারও ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামে আসে রিজার্ভ।
কোভিড মহামারি শুরু হলে ২০২০ সালে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দ্রুত বাড়তে থাকে। সে সময় আমদানি কমে যাওয়া ও মানুষের বিদেশ ভ্রমণ কমে গেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ দ্রুত বাড়তে থাকে। ২০২১ সালের শেষার্ধে রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যায়। কোভিড মহামারি পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার আগে পর্যন্ত এ অবস্থা অব্যাহত থাকে। কিন্তু অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার শুরু হলে আমদানি বৃদ্ধি পায়, মানুষের বিদেশ ভ্রমণ শুরু হয়। এসবের ফলে কমতে থাকে রিজার্ভ।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে রিজার্ভ পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হতে থাকে। যত বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বাড়তে থাকে, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পায়, আর সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমতে থাকে রিজার্ভ। আমদানি ব্যয় মেটাতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ডলার বিক্রি করার কারণে রিজার্ভে টান পড়ে। বিপরীতে যে হারে ডলারের যোগান বৃদ্ধির কথা ছিল, সেটা হয়নি।
এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের পদক্ষেপগুলো কাজে আসেনি। সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) দ্বারস্থ হয়। আইএমএফ ঋণের প্রথম কিস্তি সরবারহ করে। কিন্তু তাতেও রিজার্ভের ঝুঁকি সীমা ধরে রাখা যাচ্ছে না।
Tag :

খুচরা বাজারে সব ধরনের চালের দামই আবার বেড়েছে, কমেছে ডিম ও মুরগির

আবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে

Update Time : ০২:৪৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মে ২০২৩
আবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছে। বৃহস্পতিবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪০৩ কোটি ডলার।
তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রের।
সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (২৫ মে) দিনের শুরুতে রিজার্ভ দাঁড়ায় ২ হাজার ৯৯৩ কোটি ডলার। এরপর ব্যাংকগুলোর কাছে বিক্রি করা হয় ৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার। ফলে দিন শেষে রিজার্ভ কমে ২ হাজার ৪০৩ কোটি ডলারে দাঁড়ায়।
বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা রাজি হননি।
চলতি মে মাসের শুরুতে ডলার একবার ৩০ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ডলারের নিচে নামে। এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) মার্চ-এপ্রিল সময়ের আমদানি বিল বাবদ ১১৮ কোটি ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ কমে ৩০ বিলিয়নের নিচে নামে। এরপর বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ ছাড় হয়ে এলে খানিক বেড়ে ৩০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। এরপর বাণিজ্যিক ব্যাংকের আমদানি ব্যয় মেটাতে ডলার বিক্রি করা হলে আবারও ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামে আসে রিজার্ভ।
কোভিড মহামারি শুরু হলে ২০২০ সালে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দ্রুত বাড়তে থাকে। সে সময় আমদানি কমে যাওয়া ও মানুষের বিদেশ ভ্রমণ কমে গেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ দ্রুত বাড়তে থাকে। ২০২১ সালের শেষার্ধে রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যায়। কোভিড মহামারি পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার আগে পর্যন্ত এ অবস্থা অব্যাহত থাকে। কিন্তু অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার শুরু হলে আমদানি বৃদ্ধি পায়, মানুষের বিদেশ ভ্রমণ শুরু হয়। এসবের ফলে কমতে থাকে রিজার্ভ।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে রিজার্ভ পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হতে থাকে। যত বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বাড়তে থাকে, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পায়, আর সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমতে থাকে রিজার্ভ। আমদানি ব্যয় মেটাতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ডলার বিক্রি করার কারণে রিজার্ভে টান পড়ে। বিপরীতে যে হারে ডলারের যোগান বৃদ্ধির কথা ছিল, সেটা হয়নি।
এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের পদক্ষেপগুলো কাজে আসেনি। সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) দ্বারস্থ হয়। আইএমএফ ঋণের প্রথম কিস্তি সরবারহ করে। কিন্তু তাতেও রিজার্ভের ঝুঁকি সীমা ধরে রাখা যাচ্ছে না।