ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ফরিদপুরে ব্যবসায়ী ইউসুফ হত্যা: আড়াই মাসেও রহস্য উদ্ঘাটন কিংবা গ্রেফতার নেই, ২০২৭ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল ফরিদপুরে মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষের কক্ষে যৌন উত্তেজক ঔষধ ও সরঞ্জাম, অপসারনের দাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।। মানববন্ধন ওবিক্ষোভ ইরান যতদিন ইচ্ছা ততদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে: আইআরজিসি উপদেষ্টা ওয়াশিংটন ইরান নিয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেবে এবং এর ফলাফল আসবে ‘সহজ অথবা কঠিন’: ট্রাম্প মদিনার বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় হামলার নিন্দা বাংলাদেশের সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় আগুন, আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ৪ অক্টোবর ২০২৬ ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৬০৮

আবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে

আবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছে। বৃহস্পতিবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪০৩ কোটি ডলার।
তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রের।
সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (২৫ মে) দিনের শুরুতে রিজার্ভ দাঁড়ায় ২ হাজার ৯৯৩ কোটি ডলার। এরপর ব্যাংকগুলোর কাছে বিক্রি করা হয় ৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার। ফলে দিন শেষে রিজার্ভ কমে ২ হাজার ৪০৩ কোটি ডলারে দাঁড়ায়।
বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা রাজি হননি।
চলতি মে মাসের শুরুতে ডলার একবার ৩০ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ডলারের নিচে নামে। এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) মার্চ-এপ্রিল সময়ের আমদানি বিল বাবদ ১১৮ কোটি ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ কমে ৩০ বিলিয়নের নিচে নামে। এরপর বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ ছাড় হয়ে এলে খানিক বেড়ে ৩০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। এরপর বাণিজ্যিক ব্যাংকের আমদানি ব্যয় মেটাতে ডলার বিক্রি করা হলে আবারও ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামে আসে রিজার্ভ।
কোভিড মহামারি শুরু হলে ২০২০ সালে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দ্রুত বাড়তে থাকে। সে সময় আমদানি কমে যাওয়া ও মানুষের বিদেশ ভ্রমণ কমে গেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ দ্রুত বাড়তে থাকে। ২০২১ সালের শেষার্ধে রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যায়। কোভিড মহামারি পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার আগে পর্যন্ত এ অবস্থা অব্যাহত থাকে। কিন্তু অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার শুরু হলে আমদানি বৃদ্ধি পায়, মানুষের বিদেশ ভ্রমণ শুরু হয়। এসবের ফলে কমতে থাকে রিজার্ভ।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে রিজার্ভ পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হতে থাকে। যত বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বাড়তে থাকে, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পায়, আর সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমতে থাকে রিজার্ভ। আমদানি ব্যয় মেটাতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ডলার বিক্রি করার কারণে রিজার্ভে টান পড়ে। বিপরীতে যে হারে ডলারের যোগান বৃদ্ধির কথা ছিল, সেটা হয়নি।
এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের পদক্ষেপগুলো কাজে আসেনি। সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) দ্বারস্থ হয়। আইএমএফ ঋণের প্রথম কিস্তি সরবারহ করে। কিন্তু তাতেও রিজার্ভের ঝুঁকি সীমা ধরে রাখা যাচ্ছে না।
Tag :
জনপ্রিয়

ফরিদপুরে ব্যবসায়ী ইউসুফ হত্যা: আড়াই মাসেও রহস্য উদ্ঘাটন কিংবা গ্রেফতার নেই,

আবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে

Update Time : ০২:৪৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মে ২০২৩
আবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছে। বৃহস্পতিবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪০৩ কোটি ডলার।
তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রের।
সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (২৫ মে) দিনের শুরুতে রিজার্ভ দাঁড়ায় ২ হাজার ৯৯৩ কোটি ডলার। এরপর ব্যাংকগুলোর কাছে বিক্রি করা হয় ৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার। ফলে দিন শেষে রিজার্ভ কমে ২ হাজার ৪০৩ কোটি ডলারে দাঁড়ায়।
বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা রাজি হননি।
চলতি মে মাসের শুরুতে ডলার একবার ৩০ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ডলারের নিচে নামে। এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) মার্চ-এপ্রিল সময়ের আমদানি বিল বাবদ ১১৮ কোটি ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ কমে ৩০ বিলিয়নের নিচে নামে। এরপর বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ ছাড় হয়ে এলে খানিক বেড়ে ৩০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। এরপর বাণিজ্যিক ব্যাংকের আমদানি ব্যয় মেটাতে ডলার বিক্রি করা হলে আবারও ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামে আসে রিজার্ভ।
কোভিড মহামারি শুরু হলে ২০২০ সালে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দ্রুত বাড়তে থাকে। সে সময় আমদানি কমে যাওয়া ও মানুষের বিদেশ ভ্রমণ কমে গেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ দ্রুত বাড়তে থাকে। ২০২১ সালের শেষার্ধে রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যায়। কোভিড মহামারি পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার আগে পর্যন্ত এ অবস্থা অব্যাহত থাকে। কিন্তু অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার শুরু হলে আমদানি বৃদ্ধি পায়, মানুষের বিদেশ ভ্রমণ শুরু হয়। এসবের ফলে কমতে থাকে রিজার্ভ।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে রিজার্ভ পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হতে থাকে। যত বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বাড়তে থাকে, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পায়, আর সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমতে থাকে রিজার্ভ। আমদানি ব্যয় মেটাতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ডলার বিক্রি করার কারণে রিজার্ভে টান পড়ে। বিপরীতে যে হারে ডলারের যোগান বৃদ্ধির কথা ছিল, সেটা হয়নি।
এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের পদক্ষেপগুলো কাজে আসেনি। সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) দ্বারস্থ হয়। আইএমএফ ঋণের প্রথম কিস্তি সরবারহ করে। কিন্তু তাতেও রিজার্ভের ঝুঁকি সীমা ধরে রাখা যাচ্ছে না।