ঢাকা ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউক্রেন নিয়ে ওয়াশিংটন এবং মস্কোর মধ্যে উত্তেজনা একেবারে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে

ঠান্ডা যুদ্ধের পর থেকে ইউক্রেন নিয়ে ওয়াশিংটন এবং মস্কোর মধ্যে উত্তেজনা একেবারে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি মহলের পক্ষে দাবি করা হয়েছে যে ইউক্রেন সীমান্তের কাছে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার ফৌজি জমায়েত করেছে রাশিয়া। শুধু তাই নয়, ‘লাইভ ফায়ার ড্রিলস’-এর জন্য (সামরিক মহড়া) ‘বন্ধু’ দেশ বেলারুশে ট্যাঙ্ক নিয়ে গিয়েছে মস্কো। পাঠানো হয়েছে একজোড়া পারমাণবিক বোমারু বিমান।

রাশিয়ার সেই ‘লাইভ ফায়ার ড্রিলস’-এর কয়েক ঘণ্টা পরই বাইডেনের যে সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে, তাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বের অন্যতম বড় সেনাবাহিনীর মোকাবিলা করছি। এটা অত্যন্ত আলাদা পরিস্থিতি এবং দ্রুত পরিস্থিতি সংকটজনক হয়ে উঠতে পারে।’ তবে বাইডেন জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো পরিস্থিতিতেই ইউক্রেনে বাহিনী পাঠাবেন না। তার কথায়, ‘সেটা বিশ্বযুদ্ধ হয়ে যাবে। আমেরিকান এবং রাশিয়ানরা যখন একে অপরকে গুলি করতে শুরু করেন, তখন আমরা সম্পূর্ণ ভিন্ন দুনিয়ায় চলে যাই।’

তারইমধ্যে ‘লাইভ ফায়ার ড্রিলস’-এর পর ন্যাটোর তরফে রাশিয়াকে কড়া বার্তা দেয়া হয়েছে। ন্যাটো জানিয়েছে, রাশিয়া যেভাবে ক্ষেপণাস্ত্র, অস্ত্রশস্ত্র এবং মেশিন গান থাকা জওয়ানদের মোতায়েন করছে, তা সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের তিন দশক পরে ইউরোপের জন্য ‘বিপজ্জনক’ পরিস্থিতি তৈরি করছে। সেই পরিস্থিতিতে যুদ্ধ এড়াতে তৎপরতা শুরু করেছে পশ্চিমী দেশগুলিও।

Tag :

ইউক্রেন নিয়ে ওয়াশিংটন এবং মস্কোর মধ্যে উত্তেজনা একেবারে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে

Update Time : ০৪:৩৬:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২২

ঠান্ডা যুদ্ধের পর থেকে ইউক্রেন নিয়ে ওয়াশিংটন এবং মস্কোর মধ্যে উত্তেজনা একেবারে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি মহলের পক্ষে দাবি করা হয়েছে যে ইউক্রেন সীমান্তের কাছে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার ফৌজি জমায়েত করেছে রাশিয়া। শুধু তাই নয়, ‘লাইভ ফায়ার ড্রিলস’-এর জন্য (সামরিক মহড়া) ‘বন্ধু’ দেশ বেলারুশে ট্যাঙ্ক নিয়ে গিয়েছে মস্কো। পাঠানো হয়েছে একজোড়া পারমাণবিক বোমারু বিমান।

রাশিয়ার সেই ‘লাইভ ফায়ার ড্রিলস’-এর কয়েক ঘণ্টা পরই বাইডেনের যে সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে, তাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বের অন্যতম বড় সেনাবাহিনীর মোকাবিলা করছি। এটা অত্যন্ত আলাদা পরিস্থিতি এবং দ্রুত পরিস্থিতি সংকটজনক হয়ে উঠতে পারে।’ তবে বাইডেন জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো পরিস্থিতিতেই ইউক্রেনে বাহিনী পাঠাবেন না। তার কথায়, ‘সেটা বিশ্বযুদ্ধ হয়ে যাবে। আমেরিকান এবং রাশিয়ানরা যখন একে অপরকে গুলি করতে শুরু করেন, তখন আমরা সম্পূর্ণ ভিন্ন দুনিয়ায় চলে যাই।’

তারইমধ্যে ‘লাইভ ফায়ার ড্রিলস’-এর পর ন্যাটোর তরফে রাশিয়াকে কড়া বার্তা দেয়া হয়েছে। ন্যাটো জানিয়েছে, রাশিয়া যেভাবে ক্ষেপণাস্ত্র, অস্ত্রশস্ত্র এবং মেশিন গান থাকা জওয়ানদের মোতায়েন করছে, তা সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের তিন দশক পরে ইউরোপের জন্য ‘বিপজ্জনক’ পরিস্থিতি তৈরি করছে। সেই পরিস্থিতিতে যুদ্ধ এড়াতে তৎপরতা শুরু করেছে পশ্চিমী দেশগুলিও।