ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইতালিসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশে ঈদ উদযাপন

ইতালিতে ধর্মীয় ভাবগার্ম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ইতালিসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশে ঈদ উদযাপন করেন প্রবাসী বাংলাদেশিসহ অন্য দেশের মুসলমানরা।

ঈদ জামাতে জেরুজালেম ও গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের নৃশংসতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। ইহুদিবাদীদের বর্বরতার প্রতিবাদে আগামী শুক্রবার এক বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেন মুসল্লিরা।

জাভিক আহমেদ লিপু (মাঝে) প্রবাসী বাংলাদেশিসহ অন্যান্যরা ঈদুল ফিতরের নামাজে

রোমের ব্যস্ততম এলাকা লারগো প্রেনেসতে ঈদের প্রথম জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দ্বিতীয় জামাত হয় সাড়ে আটটায়। পরে তৃতীয় জামত হয় সাড়ে নয়টায়।

এছাড়াও ইতালির বিভিন্ন স্থানে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। করোনায় ইতালি সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ উদযাপন করেন সবাই। করোনা পরিস্থিতিতে এ বছর একটু ভিন্ন ভাবে মুসলমানদের এ ধর্মীয় উৎসব পালন করা হয়।

বাংলাদেশ সমিতির এক নং যুগ্নসাধরণ সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন মোল্লা বলেন, কোভিড-১৯ কারণে সব কিছু সীমিত হয়ে গেছে। তবুও খোলা মাঠে ঈদের জামাত পড়তে পেরে অনেক ভালো লেগেছে। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।

তবে এ বছর কোভিড-১৯ এর কারণে প্রবাসীদের মনে আগের মত তেমন আনন্দ দেখা যায়নি।

নামাজের পর বিধিনিষেধ থাকায় কেউ কোলাকুলি ও মুসাফা করেননি। সবাই ইতালি সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে এক মিটার দূরত্ব বজায় রেখে নামাজ আদায় করেন। জামাতে ছিল প্রশাসনের কড়া নিরপত্তা, ফলে সবাইকে একটু বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়েছে।

Tag :

ইতালিসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশে ঈদ উদযাপন

Update Time : ০৯:৪৬:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১

ইতালিতে ধর্মীয় ভাবগার্ম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ইতালিসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশে ঈদ উদযাপন করেন প্রবাসী বাংলাদেশিসহ অন্য দেশের মুসলমানরা।

ঈদ জামাতে জেরুজালেম ও গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের নৃশংসতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। ইহুদিবাদীদের বর্বরতার প্রতিবাদে আগামী শুক্রবার এক বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেন মুসল্লিরা।

জাভিক আহমেদ লিপু (মাঝে) প্রবাসী বাংলাদেশিসহ অন্যান্যরা ঈদুল ফিতরের নামাজে

রোমের ব্যস্ততম এলাকা লারগো প্রেনেসতে ঈদের প্রথম জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দ্বিতীয় জামাত হয় সাড়ে আটটায়। পরে তৃতীয় জামত হয় সাড়ে নয়টায়।

এছাড়াও ইতালির বিভিন্ন স্থানে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। করোনায় ইতালি সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ উদযাপন করেন সবাই। করোনা পরিস্থিতিতে এ বছর একটু ভিন্ন ভাবে মুসলমানদের এ ধর্মীয় উৎসব পালন করা হয়।

বাংলাদেশ সমিতির এক নং যুগ্নসাধরণ সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন মোল্লা বলেন, কোভিড-১৯ কারণে সব কিছু সীমিত হয়ে গেছে। তবুও খোলা মাঠে ঈদের জামাত পড়তে পেরে অনেক ভালো লেগেছে। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।

তবে এ বছর কোভিড-১৯ এর কারণে প্রবাসীদের মনে আগের মত তেমন আনন্দ দেখা যায়নি।

নামাজের পর বিধিনিষেধ থাকায় কেউ কোলাকুলি ও মুসাফা করেননি। সবাই ইতালি সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে এক মিটার দূরত্ব বজায় রেখে নামাজ আদায় করেন। জামাতে ছিল প্রশাসনের কড়া নিরপত্তা, ফলে সবাইকে একটু বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়েছে।