ঢাকা ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে তাদের টার্গেটে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে

ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দখলকৃত ইসরায়েলি ভূখণ্ডে কৌশলগত কেন্দ্রগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দ্বিতীয় বিবৃতি প্রদান করেছে। এতে তারা জানিয়েছে, ইরানের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে তার। এতে তার সফলও হয়েছে। প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে তাদের টার্গেটে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। খবর ইরনার।

বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, সাদেক-২ কোডনামের এই অভিযানে দখলকৃত এলাকার কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের সামরিক বাহিনীর সহায়তায় হামলা চালানো হয়। বিশেষত ইসরায়েলের বিমানবাহিনী এবং রাডার ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়। এছাড়া, ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ নেতা শহীদ ড. ইসমাইল হানিয়া, হিজবুল্লাহর নেতা শহীদ হাসান নাসরাল্লাহসহ সামরিক নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনাকারী কেন্দ্রগুলোতেও হামলা চালানো হয়েছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সর্বোচ্চ উন্নত প্রযুক্তি থাকা সত্ত্বেও, ৯০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র সঠিকভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানে। এর ফলে ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের গোয়েন্দা ও সামরিক সক্ষমতার কারণে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, এই হামলা আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে বৈধ আত্মরক্ষার অধিকার হিসেবে পরিচালিত হয়েছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, শত্রুরা যদি কোনো বোকামি করে, তাহলে এর প্রতিক্রিয়া হবে কঠোর এবং ধ্বংসাত্মক।

Tag :

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পুরো পর্ষদ বাতিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক

ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে তাদের টার্গেটে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে

Update Time : ০৬:১২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০২৪

ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দখলকৃত ইসরায়েলি ভূখণ্ডে কৌশলগত কেন্দ্রগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দ্বিতীয় বিবৃতি প্রদান করেছে। এতে তারা জানিয়েছে, ইরানের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে তার। এতে তার সফলও হয়েছে। প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে তাদের টার্গেটে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। খবর ইরনার।

বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, সাদেক-২ কোডনামের এই অভিযানে দখলকৃত এলাকার কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের সামরিক বাহিনীর সহায়তায় হামলা চালানো হয়। বিশেষত ইসরায়েলের বিমানবাহিনী এবং রাডার ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়। এছাড়া, ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ নেতা শহীদ ড. ইসমাইল হানিয়া, হিজবুল্লাহর নেতা শহীদ হাসান নাসরাল্লাহসহ সামরিক নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনাকারী কেন্দ্রগুলোতেও হামলা চালানো হয়েছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সর্বোচ্চ উন্নত প্রযুক্তি থাকা সত্ত্বেও, ৯০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র সঠিকভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানে। এর ফলে ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের গোয়েন্দা ও সামরিক সক্ষমতার কারণে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, এই হামলা আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে বৈধ আত্মরক্ষার অধিকার হিসেবে পরিচালিত হয়েছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, শত্রুরা যদি কোনো বোকামি করে, তাহলে এর প্রতিক্রিয়া হবে কঠোর এবং ধ্বংসাত্মক।