ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একটি বড় বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কা করছে আইএমএফ

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঋণদাতা সংস্থা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) আগামী ২০২৬ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির সম্ভাব্য যে হার নির্ধারণ করেছিল, বাস্তবে তা অনেক কম হওয়ায় একটি বড় বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কা করছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভায় এ আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।

তিনি বলেন, চলতি বছরের শুরুতে আমরা আগামী ২০২৬ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিলাম, বাস্তব বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে তা এ পর্যন্ত তিন বার কমাতে হয়েছে। বিভিন্ন দেশ মহামারির প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেয়ার পর চলতি বছরের শুরুতে আমাদের আশা ছিল, আগামী ২০২৩ সালের মধ্যে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির হার হবে অন্তত ৩ দশমিক ২ শতাংশ। কিন্তু গত কয়েক মাসের বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আমরা এই লক্ষ্যমাত্রা তিনবার সংশোধন করেছি। এখন আমরা ধারণা করছি, আগামী বছরের শুরুতে প্রবৃদ্ধির হার থাকবে ২ দশমিক ৯ শতাংশ।

বিশ্ব অর্থনীতিতে ইতোমধ্যে মন্দাভাব শুরু হয়েছে এবং দিন দিন তার ঝুঁকি বাড়ছে। আমরা দেখছি, একদিকে ডলারের মূল্য বাড়ছে, আবার অন্যদিকে জ্বালানি তেলের বাজারে ইতোমধ্যে মন্দা শুরু হয়ে গেছে। তেলের দাম কমতে থাকলেও ডলারের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় অনেক দেশ তেল কিনতে পারছে না।

আগামী ২০২৬ সালের মধ্যে বৈশ্বিক উৎপাদন কমবে প্রায় ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ এবং এই ঘাটতি খুব দ্রুত পূরণ সম্ভব হবে বলে মনে হচ্ছে না বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেছে আইএমএফের এই কর্মকর্তা।

Tag :

একটি বড় বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কা করছে আইএমএফ

Update Time : ০২:৩৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঋণদাতা সংস্থা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) আগামী ২০২৬ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির সম্ভাব্য যে হার নির্ধারণ করেছিল, বাস্তবে তা অনেক কম হওয়ায় একটি বড় বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কা করছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভায় এ আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।

তিনি বলেন, চলতি বছরের শুরুতে আমরা আগামী ২০২৬ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিলাম, বাস্তব বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে তা এ পর্যন্ত তিন বার কমাতে হয়েছে। বিভিন্ন দেশ মহামারির প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেয়ার পর চলতি বছরের শুরুতে আমাদের আশা ছিল, আগামী ২০২৩ সালের মধ্যে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির হার হবে অন্তত ৩ দশমিক ২ শতাংশ। কিন্তু গত কয়েক মাসের বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আমরা এই লক্ষ্যমাত্রা তিনবার সংশোধন করেছি। এখন আমরা ধারণা করছি, আগামী বছরের শুরুতে প্রবৃদ্ধির হার থাকবে ২ দশমিক ৯ শতাংশ।

বিশ্ব অর্থনীতিতে ইতোমধ্যে মন্দাভাব শুরু হয়েছে এবং দিন দিন তার ঝুঁকি বাড়ছে। আমরা দেখছি, একদিকে ডলারের মূল্য বাড়ছে, আবার অন্যদিকে জ্বালানি তেলের বাজারে ইতোমধ্যে মন্দা শুরু হয়ে গেছে। তেলের দাম কমতে থাকলেও ডলারের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় অনেক দেশ তেল কিনতে পারছে না।

আগামী ২০২৬ সালের মধ্যে বৈশ্বিক উৎপাদন কমবে প্রায় ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ এবং এই ঘাটতি খুব দ্রুত পূরণ সম্ভব হবে বলে মনে হচ্ছে না বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেছে আইএমএফের এই কর্মকর্তা।