ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এপস্টেইনের কর্মকাণ্ড ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’: জাতিসংঘ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৫:০২:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১১১ Time View

যুক্তরাষ্ট্রে দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের মাধ্যমে সংঘটিত কর্মকাণ্ড ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের একটি দল এমন মন্তব্য করেছে।

বিচার বিভাগের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রকাশিত ৩৫ লাখ নথির প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ (ইউএনএইচআরসি)–নিযুক্ত স্বাধীন বিশেষজ্ঞ দল এসব বলেছেন। প্রকাশিত নথিগুলো হচ্ছে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে পরিচালিত ফৌজদারি তদন্তসংক্রান্ত।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রকাশিত রেকর্ডগুলোতে নারীদের ও কিশোরীদের প্রতি অমানবিক আচরণ, বর্ণবাদ ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির চিত্র উঠে এসেছে।

তাদের ভাষ্য মতে, নারী ও কিশোরীদের বিরুদ্ধে এসব অপরাধের ব্যাপকতা, প্রকৃতি, পদ্ধতিগত চরিত্র এবং আন্তঃরাষ্ট্রীয় বিস্তৃতি এতটাই গুরুতর যে, এর একটি অংশ যুক্তিসংগত মানবতাবিরোধী অপরাধের আইনি সীমা পূরণ করতে পারে।

ইউএনএইচআরসি প্যানেল এপস্টেইন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে। তাদের সহযোগীদের মধ্যে বৈশ্বিক রাজনীতি, ব্যাবসা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি অঙ্গনের প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও রয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাদের মতে, “‘এপস্টেইন ফাইলস’-এ থাকা সব অভিযোগই অত্যন্ত গুরুতর। এসব বিষয়ে স্বাধীন, পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন, পাশাপাশি কীভাবে এত দীর্ঘ সময় ধরে এসব অপরাধ সংঘটিত হতে পেরেছে, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।”

গত ৩০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র সরকার এপস্টেইন-সংক্রান্ত প্রায় ৩৫ লাখ পৃষ্ঠার নথি প্রকাশ করে। নভেম্বর মাসে স্বাক্ষরিত দ্বিদলীয় আইন ‘এপস্টেইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট’-এর অধীনে এসব নথি প্রকাশ বাধ্যতামূলক ছিল।

Tag :

এপস্টেইনের কর্মকাণ্ড ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’: জাতিসংঘ

Update Time : ০৫:০২:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের মাধ্যমে সংঘটিত কর্মকাণ্ড ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের একটি দল এমন মন্তব্য করেছে।

বিচার বিভাগের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রকাশিত ৩৫ লাখ নথির প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ (ইউএনএইচআরসি)–নিযুক্ত স্বাধীন বিশেষজ্ঞ দল এসব বলেছেন। প্রকাশিত নথিগুলো হচ্ছে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে পরিচালিত ফৌজদারি তদন্তসংক্রান্ত।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রকাশিত রেকর্ডগুলোতে নারীদের ও কিশোরীদের প্রতি অমানবিক আচরণ, বর্ণবাদ ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির চিত্র উঠে এসেছে।

তাদের ভাষ্য মতে, নারী ও কিশোরীদের বিরুদ্ধে এসব অপরাধের ব্যাপকতা, প্রকৃতি, পদ্ধতিগত চরিত্র এবং আন্তঃরাষ্ট্রীয় বিস্তৃতি এতটাই গুরুতর যে, এর একটি অংশ যুক্তিসংগত মানবতাবিরোধী অপরাধের আইনি সীমা পূরণ করতে পারে।

ইউএনএইচআরসি প্যানেল এপস্টেইন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে। তাদের সহযোগীদের মধ্যে বৈশ্বিক রাজনীতি, ব্যাবসা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি অঙ্গনের প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও রয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাদের মতে, “‘এপস্টেইন ফাইলস’-এ থাকা সব অভিযোগই অত্যন্ত গুরুতর। এসব বিষয়ে স্বাধীন, পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন, পাশাপাশি কীভাবে এত দীর্ঘ সময় ধরে এসব অপরাধ সংঘটিত হতে পেরেছে, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।”

গত ৩০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র সরকার এপস্টেইন-সংক্রান্ত প্রায় ৩৫ লাখ পৃষ্ঠার নথি প্রকাশ করে। নভেম্বর মাসে স্বাক্ষরিত দ্বিদলীয় আইন ‘এপস্টেইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট’-এর অধীনে এসব নথি প্রকাশ বাধ্যতামূলক ছিল।