ঢাকা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সিরিক দ্বীপে হামলার জবাবে মার্কিন ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে আইআরজিসি এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ৩১ মে ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ১ জুন ২০২৬ দেশের বাজারে জুন মাসের জন্য তিন ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল সরকার ত্রিমুখী কার্যক্ষমতাসম্পন্ন ক্যানসারের নতুন ইনজেকশন রোগীর টিউমার পুরোপুরিই নির্মূল করতে সক্ষম দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, হেসেখেলে চললে দেশের ক্ষতি হবে: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের সংবাদ সম্মেলন সোমবার দেশে গত এক দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু ৩ মাস সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, ১ জুন থেকে কার্যকর আজ রোববার বাংলাদেশের আকাশে এক বিরল পূর্ণিমা বা ব্লু মুন দেখা যাবে

করোনাভাইরাসে দেশে এক দিনে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, মোট মৃত্যু ৮৪৯৬, আক্রান্ত বাড়ছেই

বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ৭ জনের মৃত্যু হওয়ায় সব মিলিয়ে দেশে মৃতের মোট সংখ্যা ৮ হাজার ৪৯৬ জনে পৌঁছাল।

আর গত এক দিনে আরও ১ হাজার ১৮ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ ৫৩ হাজার ১০৫ জন হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১ হাজার ২৬৪ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত এক দিনে। তাতে এ পর্যন্ত সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ ৬ হাজার ৬১৩ জন হয়েছে।

সংক্রমণ বাড়তে থাকায় দৈনিক শনাক্ত রোগীর হারও বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মঙ্গলবার জানিয়েছে, গত একদিনে পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ছিল ৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

গত ১৯ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে নেমে আসার পর এক পর্যায়ে তা ৩ শতাংশের নিচেও নেমেছিল। তবে মার্চের শুরু থেকে সংক্রমণ বাড়তে থাকায় শনাক্তের হারও বাড়তে থাকে। মঙ্গলবার তা আবার ৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়।

বাংলাদেশে গতবছর ৮ মার্চ করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ার এক বছর পর এ বছর ৭ মার্চ শনাক্ত রোগীর সাড়ে পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে গত বছরের ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ২৩ জানুয়ারি তা আট হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে গত বছরের ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু।

বিশ্বে শনাক্ত কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ইতোমধ্যে ১১ কোটি ৭৫ লাখ পেরিয়েছে, মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২৬ লাখ ১০ হাজার।
জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বিশ্বে শনাক্তের দিক থেকে ৩৩তম স্থানে আছে বাংলাদেশ, আর মৃতের সংখ্যায় রয়েছে ৩৯তম অবস্থানে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১১৮টি আরটি-পিসিআর ল্যাব, ২৯টি জিন-এক্সপার্ট ল্যাব ও ৭২টি র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ল্যাবে অর্থাৎ সর্বমোট ২১৯টি ল্যাবে ১৭ হাজার ৩২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৪১ লাখ ৯৭ হাজার ৯৭০টি নমুনা।

২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ১৮ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ১৮ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩২ লাখ ১৮ হাজার ৮৮টি। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হয়েছে ৯ লাখ ৭৯ হাজার ৮৮২টি।

গত এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী। তাদের সবাই হাসপাতালে মারা গেছেন।

তাদের তিনজনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। তিনজনর বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এবং ১ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ছিল।

মৃতদের মধ্যে ৪ জন ঢাকা বিভাগের, ২ জন চট্টগ্রাম বিভাগের এবং ১ জন বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

দেশে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ৮ হাজার ৪৯৬ জনের মধ্যে ৬ হাজার ৪২৪ জনই পুরুষ এবং ২ হাজার ৭২ জন নারী।

Tag :

সিরিক দ্বীপে হামলার জবাবে মার্কিন ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে আইআরজিসি

করোনাভাইরাসে দেশে এক দিনে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, মোট মৃত্যু ৮৪৯৬, আক্রান্ত বাড়ছেই

Update Time : ১১:৩০:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ মার্চ ২০২১

বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ৭ জনের মৃত্যু হওয়ায় সব মিলিয়ে দেশে মৃতের মোট সংখ্যা ৮ হাজার ৪৯৬ জনে পৌঁছাল।

আর গত এক দিনে আরও ১ হাজার ১৮ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ ৫৩ হাজার ১০৫ জন হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১ হাজার ২৬৪ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত এক দিনে। তাতে এ পর্যন্ত সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ ৬ হাজার ৬১৩ জন হয়েছে।

সংক্রমণ বাড়তে থাকায় দৈনিক শনাক্ত রোগীর হারও বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মঙ্গলবার জানিয়েছে, গত একদিনে পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ছিল ৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

গত ১৯ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে নেমে আসার পর এক পর্যায়ে তা ৩ শতাংশের নিচেও নেমেছিল। তবে মার্চের শুরু থেকে সংক্রমণ বাড়তে থাকায় শনাক্তের হারও বাড়তে থাকে। মঙ্গলবার তা আবার ৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়।

বাংলাদেশে গতবছর ৮ মার্চ করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ার এক বছর পর এ বছর ৭ মার্চ শনাক্ত রোগীর সাড়ে পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে গত বছরের ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ২৩ জানুয়ারি তা আট হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে গত বছরের ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু।

বিশ্বে শনাক্ত কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ইতোমধ্যে ১১ কোটি ৭৫ লাখ পেরিয়েছে, মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২৬ লাখ ১০ হাজার।
জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বিশ্বে শনাক্তের দিক থেকে ৩৩তম স্থানে আছে বাংলাদেশ, আর মৃতের সংখ্যায় রয়েছে ৩৯তম অবস্থানে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১১৮টি আরটি-পিসিআর ল্যাব, ২৯টি জিন-এক্সপার্ট ল্যাব ও ৭২টি র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ল্যাবে অর্থাৎ সর্বমোট ২১৯টি ল্যাবে ১৭ হাজার ৩২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৪১ লাখ ৯৭ হাজার ৯৭০টি নমুনা।

২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ১৮ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ১৮ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩২ লাখ ১৮ হাজার ৮৮টি। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হয়েছে ৯ লাখ ৭৯ হাজার ৮৮২টি।

গত এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী। তাদের সবাই হাসপাতালে মারা গেছেন।

তাদের তিনজনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। তিনজনর বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এবং ১ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ছিল।

মৃতদের মধ্যে ৪ জন ঢাকা বিভাগের, ২ জন চট্টগ্রাম বিভাগের এবং ১ জন বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

দেশে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ৮ হাজার ৪৯৬ জনের মধ্যে ৬ হাজার ৪২৪ জনই পুরুষ এবং ২ হাজার ৭২ জন নারী।