ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনায় ভারতে একদিনে সাড়ে ৩ লাখ সংক্রমণ, মৃত্যু ২৭৬১

করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) দ্বিতীয় ঢেউয়ে দৃশ্যত ভারতের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ইতোমধ্যে ভেঙে পড়েছে। এরই মধ্যে অব্যাহত রয়েছে দৈনিক রেকর্ড সংক্রমণ ও মৃত্যু।

ওয়ার্ল্ডো মিটারের রবিবার সকালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৩ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মার গেছেন আরও ২ হাজার ৭৬১ জন।

এ নিয়ে ভারতে করোনার মোট সংক্রমণ ১ কোটি ৬৯ লাখ সাড়ে ৫১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।           এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১ লাখ ৯২ হাজার ৩১০ জন। করোনার বৈশ্বিক সংক্রমণে ভারতের অবস্থান দ্বিতীয় আর মৃত্যুতে চতুর্থ।

আনন্দবাজার জানায়, ব্রিটেনের অভিজ্ঞতা দেখে গত নভেম্বরেই বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, ভারতে করোনা সংক্রমণের আরও মারাত্মক দ্বিতীয় ঢেউ আসতে চলেছে।

বিরোধীদের অভিযোগ, ওই সতর্কবার্তা সত্ত্বেও পরিকাঠামোগত উন্নতির দিকে কেন্দ্রীয় সরকার মনোযোগ না-দেওয়ার খেসারত এখন দিতে হচ্ছে ভারতকে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গত নভেম্বরে নিজেদের রিপোর্টে কেন্দ্রীয় সরকারকে একাধিক সুপারিশ করেছিল। হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেনযুক্ত শয্যা, আইসিইউ শয্যা, ভেন্টিলেটরের সংখ্যা বাড়ানোর ওপরে জোর দেওয়া হয়েছিল।

কংগ্রেস নেতা রণদীপ সুরজেওয়ালার অভিযোগ, এ সবের কিছুই মানেনি কেন্দ্রীয় সরকার। ফলে অক্সিজেনের অভাবে এখন মানুষকে মরতে হচ্ছে।

Tag :

করোনায় ভারতে একদিনে সাড়ে ৩ লাখ সংক্রমণ, মৃত্যু ২৭৬১

Update Time : ০৪:৪৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২১

করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) দ্বিতীয় ঢেউয়ে দৃশ্যত ভারতের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ইতোমধ্যে ভেঙে পড়েছে। এরই মধ্যে অব্যাহত রয়েছে দৈনিক রেকর্ড সংক্রমণ ও মৃত্যু।

ওয়ার্ল্ডো মিটারের রবিবার সকালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৩ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মার গেছেন আরও ২ হাজার ৭৬১ জন।

এ নিয়ে ভারতে করোনার মোট সংক্রমণ ১ কোটি ৬৯ লাখ সাড়ে ৫১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।           এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১ লাখ ৯২ হাজার ৩১০ জন। করোনার বৈশ্বিক সংক্রমণে ভারতের অবস্থান দ্বিতীয় আর মৃত্যুতে চতুর্থ।

আনন্দবাজার জানায়, ব্রিটেনের অভিজ্ঞতা দেখে গত নভেম্বরেই বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, ভারতে করোনা সংক্রমণের আরও মারাত্মক দ্বিতীয় ঢেউ আসতে চলেছে।

বিরোধীদের অভিযোগ, ওই সতর্কবার্তা সত্ত্বেও পরিকাঠামোগত উন্নতির দিকে কেন্দ্রীয় সরকার মনোযোগ না-দেওয়ার খেসারত এখন দিতে হচ্ছে ভারতকে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গত নভেম্বরে নিজেদের রিপোর্টে কেন্দ্রীয় সরকারকে একাধিক সুপারিশ করেছিল। হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেনযুক্ত শয্যা, আইসিইউ শয্যা, ভেন্টিলেটরের সংখ্যা বাড়ানোর ওপরে জোর দেওয়া হয়েছিল।

কংগ্রেস নেতা রণদীপ সুরজেওয়ালার অভিযোগ, এ সবের কিছুই মানেনি কেন্দ্রীয় সরকার। ফলে অক্সিজেনের অভাবে এখন মানুষকে মরতে হচ্ছে।