ঢাকা ০২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনায় ভারতে দৈনিক সংক্রমণ তিন লাখ পার

কভিডের জেরে ভারতে দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু একটানা বেড়ে চলেছে। সপ্তাহ দু-এক ধরে ক্রমাগত এই বৃদ্ধির জেরে দৈনিক সংক্রমণ সোয়া ৩ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মৃত্যু হয়েছে ২৩০০-র কাছাকাছি।

দেশটির গণমাধ্যম জানায়, বৃহস্পতিবার দৈনিক সংক্রমণ প্রথমবার ৩ লাখের গণ্ডি পার হয়। শুক্রবার নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৩২ হাজার ৭৩০ জন। এ নিয়ে ভারতে মোট আক্রান্ত হলেন ১ কোটি ৬২ লাখ ৬৩ হাজার ৬৯৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টা করোনা প্রাণ কেড়েছে ২ হাজার ২৬৩ জনের। মোট প্রাণহানি ১ লাখ ৮৬ হাজার ৯২০ জনের। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের নিরিখে বিশ্বে দ্বিতীয় এবং মৃত্যুর হিসেবে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত।

রোজ এই বিপুল সংখ্যায় আক্রান্ত হওয়ার জেরে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সক্রিয় রোগী বেড়েছে ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৮৮ জন। এখন ভারতে মোট সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২৪ লাখ ২৮ হাজার ৬১৬ জন। এই সংখ্যা গত বছরের সর্বোচ্চ সক্রিয় রোগীর সংখ্যার প্রায় দ্বিগুণ।

এই সংখ্যক সক্রিয় করোনা রোগীর জেরে স্বাস্থ্য পরিষেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতালগুলো। অধিকাংশ হাসপাতালে শয্যা ও অক্সিজেনের অভাব প্রকট। জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী কভিড নিরাময় কেন্দ্র বানিয়ে গোটা পরিস্থিতির মোকাবিলার চেষ্টা করছে বিভিন্ন রাজ্যের প্রশাসন।

Tag :

করোনায় ভারতে দৈনিক সংক্রমণ তিন লাখ পার

Update Time : ০৫:৪৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১

কভিডের জেরে ভারতে দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু একটানা বেড়ে চলেছে। সপ্তাহ দু-এক ধরে ক্রমাগত এই বৃদ্ধির জেরে দৈনিক সংক্রমণ সোয়া ৩ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মৃত্যু হয়েছে ২৩০০-র কাছাকাছি।

দেশটির গণমাধ্যম জানায়, বৃহস্পতিবার দৈনিক সংক্রমণ প্রথমবার ৩ লাখের গণ্ডি পার হয়। শুক্রবার নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৩২ হাজার ৭৩০ জন। এ নিয়ে ভারতে মোট আক্রান্ত হলেন ১ কোটি ৬২ লাখ ৬৩ হাজার ৬৯৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টা করোনা প্রাণ কেড়েছে ২ হাজার ২৬৩ জনের। মোট প্রাণহানি ১ লাখ ৮৬ হাজার ৯২০ জনের। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের নিরিখে বিশ্বে দ্বিতীয় এবং মৃত্যুর হিসেবে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত।

রোজ এই বিপুল সংখ্যায় আক্রান্ত হওয়ার জেরে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সক্রিয় রোগী বেড়েছে ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৮৮ জন। এখন ভারতে মোট সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২৪ লাখ ২৮ হাজার ৬১৬ জন। এই সংখ্যা গত বছরের সর্বোচ্চ সক্রিয় রোগীর সংখ্যার প্রায় দ্বিগুণ।

এই সংখ্যক সক্রিয় করোনা রোগীর জেরে স্বাস্থ্য পরিষেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতালগুলো। অধিকাংশ হাসপাতালে শয্যা ও অক্সিজেনের অভাব প্রকট। জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী কভিড নিরাময় কেন্দ্র বানিয়ে গোটা পরিস্থিতির মোকাবিলার চেষ্টা করছে বিভিন্ন রাজ্যের প্রশাসন।