২২ হেলিকপ্টার নিয়ে ৫০০ পুলিশ সদস্য এক জঙ্গলে অভিযান চালিয়ে আটক করেছেন এক মাদক সম্রাটকে। শুধু তাই নয়, তাকে গ্রেফতারের খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন খোদ দেশটির প্রেসিডেন্টও।
উসুগা অবশ্য ‘ওটোনিয়েল’ হিসেবেই বেশি পরিচত। ধারণা করা হয়ে যে তিনি সহিংস ক্লান দ্যেল গলফো গোষ্ঠীর প্রধান, যেটি ঘন জঙ্গলের মধ্য দিয়ে কোকেন পাচারের বড় পথগুলো নিয়ন্ত্রণ করে।
ডুকে বলেন, ‘আমাদের দেশে চলতি শতকে মাদক পাচারকারীদের উপর সবচেয়ে বড় আঘাত এটি।’
‘ওটোনিয়েল শুধু বিশ্বের সবচেয়ে বড় ত্রাসসৃষ্টিকারী মাদক সম্রাটই নয়, একজন হত্যাকারীও, যে পুলিশ, সেনা সদস্য এবং স্থানীয় অ্যাক্টিভিস্টদের খুন করেছে,’ যোগ করেন তিনি।
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, ‘তাকে গ্রেফতারে দেশটির সামরিক ইতিহাসে জঙ্গলে সবচেয়ে বড় অভিযান পরিচালনা করা হয়।’
উসুগার মাদকপাচারকারী দলের অন্য সদস্যদের আত্মসমর্পণের আহ্বানও জানিয়েছেন ডুকে। অন্যথায়, তাদের উপর আইনের পুরোপুরি প্রয়োগ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মাদক পাচার, হত্যা, চাঁদাবাজি, অপহরণসহ নানা অভিযোগ রয়েছে কলম্বিয়ার এই মাদক সম্রাটের বিরুদ্ধে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট কর্তৃপক্ষের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় রয়েছেন তিনি।
উসুগাকে গ্রেফতার বা বিচারের মুখোমুখি করার উপযুক্ত তথ্য কেউ দিলে তাকে ৫০ লাখ ডলার পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা ২০০৯ সালে দিয়েছিল মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
৫০ বছর বয়সি উসুগার জন্ম কলম্বিয়ার নেকোক্লিতে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের এক পরিবারের ৯ সন্তানের মধ্যে সপ্তম তিনি। ১৮ বছর বয়সে একটি মার্কসবাদী গেরিলা গোষ্ঠীর সদস্য হয়েছিলেন তিনি। পরে অবশ্য সেটি ভেঙে যায়।
নব্বইয়ের দশকে কৃষকদেরকে গেরিলাদের কাছ থেকে রক্ষায় ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে উসুগাকে। সেসময় মাদক পাচারেও জড়িয়ে পড়েন তিনি।
তাকে গ্রেফতারে এর আগেও একাধিক অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। তবে সাফল্য এসেছে শনিবার। ২২ হেলিকপ্টার নিয়ে ৫০০ পুলিশ সদস্যের অভিযানে গ্রেফতার হন তিনি।
সূত্র : ডয়চে ভেলে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 






















