ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ফরিদপুরের সবজাননেছা কামিল মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ জ্বালানি তেল রপ্তানি বন্ধ করেছে চীন: এশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ সংকট আরও বাড়তে পারে জামায়াতের মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান ডিবি হেফাজতে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ গেলো আরও ৪ শিশুর ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার রোডম্যাপ জানাবেন শেখ হাসিনা বাল্টিক অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে ন্যাটোকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ১ অক্টোবর ২০২৬ ফরিদপুরে দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: শতভাগ সিসিটিভি ক্যামেরা নিশ্চিত করার নির্দেশ পুলিশ সুপারের

ডিজিটাল বাংলাদেশের সুযোগ নিয়ে প্রতিদিন হরতাল ডাকে, অবরোধ ডাকে, মানুষ পুড়িয়ে মারে

বিএনপির মাথা নেই, শুধু একটা ধর চলছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিজয় দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ মন্তব্য করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির চরিত্র কখনো বদলাবে না। জনগণের কল্যাণের কথা এরা চিন্তা করে না। নিজেদেরটাই শুধু ভালো বোঝে। বিএনপি যখন ক্ষমতায় এসেছে অর্থসম্পদ বানানো, বিদেশে পাচার করা, এতিমের অর্থ আত্মসাৎ, এগুলোই করেছে। আর তাদের কাছ থেকে এখন বড় বড় কথা শুনতে হয়। এটাই বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য।’
বিএনপির সঙ্গে সংলাপের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘যখন ডায়ালগের জন্য ফোন করলাম, যে ধরনের আচরণ করল, আমি অবাক হলাম। এরপরেও নির্বাচন হয়ে গেল। ২০১৮ সালে আবার যখন আহ্বান করলাম, সব দলই কথা বলল, শুধু বিএনপি ছাড়া। কিন্তু তারা নির্বাচনে আসে।’
‘নির্বাচন তারা করবে কীভাবে। কারণ তারা নমিনেশন দেয়, একটা আসে লন্ডন থেকে, একটা আসে পল্টন থেকে, আরেকটা আসে গুলশান থেকে। যখন লন্ডনেরটা আসে, তখন পল্টনেরটা চলে যায়, যখন পল্টনেরটা থেকে তখন গুলশানেরটা যায়। এই করে সকালে একটা নির্বাচন দেয়, বিকেলে একটা নির্বাচন দেয়। শেষকালে পল্টনও গেল, লন্ডনও গেল, গুলশানও গেল,’ যোগ করেন তিনি।
২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির কয়েকটা সিট পেয়েছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের যারা পার্লামেন্টে সদস্য ছিল, আমরা তাদের সবরকম সুযোগ দিতাম কথা বলার। কারণ আমরা যখন বিরোধী দলে দিতাম, তখন আমাদের কথা বলতে দেওয়া হতো না। এমনকি ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ দেয়নি। আমি বিরোধী দলের নেতা হয়েও আমি কোনোদিন মাইকই পেতাম না।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখন আবার যখন নির্বাচন এসেছে, তখন তাদের নানা কথা, নির্বাচন করবে না। আসলে নির্বাচন করবে কীভাবে। ওই দলের তো মাথা নেই, শুধু একটা ধর চলছে। সেটাও একটা গুলশান, আর একটা পল্টন থেকে। এই দুই জায়গা থেকে তারা চলছে। আর কোন কোন অন্ধকার জায়গা থেকে তারা কথা বলে। ডিজিটাল বাংলাদেশের সুযোগ নিয়ে প্রতিদিন হরতাল ডাকে, অবরোধ ডাকে, মানুষ পুড়িয়ে মারে।’
তিনি বলেন, ‘লন্ডন বসে হুকুম দেয়, আর এখান থেকে আগুন দেয়। এই আগুনের খেলা ভালো না। বাংলাদেশের মানুষকে আহ্বান জানাই, যারা আগুন দেয় তাদের প্রতিহত করুন।’
‘বিএনপির অবরোধে তারা নিজেরাই অবরুদ্ধ হয়ে যায়’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়া তো বছরের পর বছর অবরুদ্ধ, কারণ ২০১৪ সালে তিনি যে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছিল, তা এখনো তোলেনি। এখন আবার অবরোধ দিচ্ছে, হরতাল দিচ্ছে।’
Tag :

ফরিদপুরের সবজাননেছা কামিল মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ

ডিজিটাল বাংলাদেশের সুযোগ নিয়ে প্রতিদিন হরতাল ডাকে, অবরোধ ডাকে, মানুষ পুড়িয়ে মারে

Update Time : ০৫:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩
বিএনপির মাথা নেই, শুধু একটা ধর চলছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিজয় দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ মন্তব্য করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির চরিত্র কখনো বদলাবে না। জনগণের কল্যাণের কথা এরা চিন্তা করে না। নিজেদেরটাই শুধু ভালো বোঝে। বিএনপি যখন ক্ষমতায় এসেছে অর্থসম্পদ বানানো, বিদেশে পাচার করা, এতিমের অর্থ আত্মসাৎ, এগুলোই করেছে। আর তাদের কাছ থেকে এখন বড় বড় কথা শুনতে হয়। এটাই বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য।’
বিএনপির সঙ্গে সংলাপের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘যখন ডায়ালগের জন্য ফোন করলাম, যে ধরনের আচরণ করল, আমি অবাক হলাম। এরপরেও নির্বাচন হয়ে গেল। ২০১৮ সালে আবার যখন আহ্বান করলাম, সব দলই কথা বলল, শুধু বিএনপি ছাড়া। কিন্তু তারা নির্বাচনে আসে।’
‘নির্বাচন তারা করবে কীভাবে। কারণ তারা নমিনেশন দেয়, একটা আসে লন্ডন থেকে, একটা আসে পল্টন থেকে, আরেকটা আসে গুলশান থেকে। যখন লন্ডনেরটা আসে, তখন পল্টনেরটা চলে যায়, যখন পল্টনেরটা থেকে তখন গুলশানেরটা যায়। এই করে সকালে একটা নির্বাচন দেয়, বিকেলে একটা নির্বাচন দেয়। শেষকালে পল্টনও গেল, লন্ডনও গেল, গুলশানও গেল,’ যোগ করেন তিনি।
২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির কয়েকটা সিট পেয়েছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের যারা পার্লামেন্টে সদস্য ছিল, আমরা তাদের সবরকম সুযোগ দিতাম কথা বলার। কারণ আমরা যখন বিরোধী দলে দিতাম, তখন আমাদের কথা বলতে দেওয়া হতো না। এমনকি ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ দেয়নি। আমি বিরোধী দলের নেতা হয়েও আমি কোনোদিন মাইকই পেতাম না।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখন আবার যখন নির্বাচন এসেছে, তখন তাদের নানা কথা, নির্বাচন করবে না। আসলে নির্বাচন করবে কীভাবে। ওই দলের তো মাথা নেই, শুধু একটা ধর চলছে। সেটাও একটা গুলশান, আর একটা পল্টন থেকে। এই দুই জায়গা থেকে তারা চলছে। আর কোন কোন অন্ধকার জায়গা থেকে তারা কথা বলে। ডিজিটাল বাংলাদেশের সুযোগ নিয়ে প্রতিদিন হরতাল ডাকে, অবরোধ ডাকে, মানুষ পুড়িয়ে মারে।’
তিনি বলেন, ‘লন্ডন বসে হুকুম দেয়, আর এখান থেকে আগুন দেয়। এই আগুনের খেলা ভালো না। বাংলাদেশের মানুষকে আহ্বান জানাই, যারা আগুন দেয় তাদের প্রতিহত করুন।’
‘বিএনপির অবরোধে তারা নিজেরাই অবরুদ্ধ হয়ে যায়’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়া তো বছরের পর বছর অবরুদ্ধ, কারণ ২০১৪ সালে তিনি যে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছিল, তা এখনো তোলেনি। এখন আবার অবরোধ দিচ্ছে, হরতাল দিচ্ছে।’